রাতের বেলা ভয়ানক একটি গল্প//পর্ব-১
হ্যা লো বন্ধুরা,কেমন আছেন সবাই? আশাকরি সকলেই সুস্থ আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় খুব ভাল আছি। আমি @rayhan111 🇧🇩 বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগ থেকে।
তখন অনেক গরম ছিলো। আর দিনে গরম হলেও রাতে একটা অদ্ভুত ঠান্ডা থাকতো। গ্রামটা ছিলো নিরিবিলি , সবাই জানে সূর্য ডোবার পর অজানা কিছুর আনাগোনা শুরু হয়। বিশেষ করে, গ্রামের পশ্চিম প্রান্তের পুরনো বাঁশবাগান ছিলো।যেই বাঁশবাগান পেছনে অনেক ভয়ানাক গল্প ছিলো।কেউ বলে, বহু বছর আগে এক নববধূকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল এই বাঁশবাগানের ধারে। মেয়েটা ছিল অনাথ, স্বামীর বাড়ির লোকেরা যৌতুক না পেয়ে তাকে গোপনে আগুনে পুড়িয়ে মাটির নিচে চাপা দেয়। সেই থেকে, প্রতি বছর কোন নির্দিষ্ট এক রাতেই, মেয়েটার আত্মা নাকি গুড়ে বেড়ায় অনেক মানুষকে ভয় দেখায়।
এই সবই শোনা কথা, কিন্তু আমাদের গ্রামের রইস মিয়া এসব বিশ্বাস করেন না। তিনি গ্রামের মাঝবয়সী এক লোক, মুখে সবসময় পান, আর সাহস দেখাতে ভালোবাসেন। সেই বছর রাতের বেলা সবাই মিলে গল্প করছিলো বাঁশবাগানের কাছে। কেউ বলল, রইস ভাই, আপনি যদি সত্যি সাহসী হন, তবে আজ রাতে ওই বাঁশবাগান পেরিয়ে কবরস্থান ঘুরে আসেন।রইস হাসলেন, এই নাকি ভয়? আমি গেলে মেয়েটা আমারে ভাত খাওয়াবে।
তখন বাজি ধরা হল। রাত সাড়ে বারোটায়, একটা হারিকেন হাতে নিয়ে রইস রওনা দিলেন। চাঁদ ছিল, কিন্তু হালকা। বাতাসে বাঁশগুলো কাঁপছে, যেন ফিসফিস করছে। হারিকেনের আলোয় পথ পরিষ্কার, কিন্তু তার ছায়া যেন পেছনে আরেকটা ছায়া টেনে নিচ্ছে,একটা দীর্ঘ, বাঁকা ছায়া।বাঁশবাগানে ঢোকার মুখে হঠাৎ একটা কুয়াশার ঢেউ এসে হারিকেন নিভিয়ে দিল। আশপাশ নিস্তব্ধ, কেবল একটা শব্দ—মাটি ঘষে কে যেন হাঁটছে,এক পা, দুই পা থেমে যাচ্ছে,আবার এগোচ্ছে।
রইস বলল, কে ওখানে?কেউ জবাব দিল না। কিন্তু হঠাৎ তার পিছন থেকে কে যেন ফিসফিস করে বলল, "আমার ঘর খুঁড়েছো কেন?তিনি ঘুরে দাঁড়াতে যাবেন, এমন সময় পেছন থেকে কে যেন ঠাণ্ডা হাত দিয়ে তার কাঁধে ছুঁয়ে দিল। চমকে উঠে তিনি দৌড় দিলেন। কিন্তু যতই দৌড়ান, বাঁশবাগান শেষ হয় না। গা দিয়ে ঘাম ঝরছে, কিন্তু বাতাস হিম। হঠাৎ মাটিতে পড়ে গেলেন। চোখ খুলে দেখেন, তার উপর ঝুঁকে আছে এক সাদা শাড়ি পরা মেয়ে। তার চুল ভেজা, গা থেকে ধোঁয়া উঠছে।
https://x.com/rayhan111s/status/1911486495724278146?t=lS_vzUNAEEbrjFRSwlnOCA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.