অসহায় মানুষের গল্প ২য় বা শেষ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
অসহায় মানুষের গল্প ২য় বা শেষ পর্ব
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা গল্প নিয়ে। গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। আসলে আমাদের সমাজে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা বলার মতো নয়। আর আমাদের সমাজে বৃদ্ধ লোকগুলো বেশি অসহায় থাকে। অনেকের টাকা পয়সা থাকলেও তাদের দেখা শোনা করার মতো লোক নেই।আবার অনেকে আছে যাদের টাকা পয়সা নেই কিন্তু লোকজন আছে। আসলে টাকা পয়সা ও লোকজন সব দরকার হয়।আবার অনেকের সব থেকেও নেও। তেমনি এমন ঘটনা ঘটেছে আবুল মিয়ার জীবনে। আবুল মিয়া নিজেকে অনেক চালাক মনে করেছিল কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আবুল মিয়া সব বুঝতে পারল।আসলে শক্তি থাকলে সব করা যায় আর শক্তি না থাকলে যা হয় আরকি। তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।
আবুল মিয়া অসুস্থ হবার পরে তাকে তেমন কেউ দেখেনি। আসলে তার স্ত্রী ও তাকে দেখাশোনা করেনি।আসলে তার স্ত্রী তার ছোট মেয়ের বাসায় থাকে। সেখানে অনেক আরামে থাকে। আসলে এমন স্ত্রী পৃথিবীতে আমি কোথাও দেখিনি। স্বামীকে অসুস্থ অবস্থায় রেখে নিজের আরাম খুঁজে। যাইহোক আবুল মিয়া অসুস্থ হয়ে বুঝতে পেরেছে কে আপন কে পর। তারপর আবুল মিয়া বলল আমার সকল সম্পত্তি আমি নাতনিকে কিছু দিয়ে বাকি সব এতিমখানায় দিয়ে দেব।একথা শোনে চাচি বলল আমি আর তোমার থেকে দূরে যাব না। তুমি সম্পত্তি গুলো আমার নামে লিখে দাও।
তারপর আবুল মিয়া সরল মনে কিছু সম্পত্তি তার স্ত্রীর নামে লিখে দিল। আর নিজের কাছে রাখল। ইতিমধ্যে আবুল মিয়া আবার অসুস্থ হয়ে পড়ল। তারপর সবাই অনেক যত্ন করে হসপিটালে ভর্তি করালো। যদিও আবুল মিয়ার তেমন হুশ ছিল না। আর সুযোগে সদ্য ব্যবহার করেছে আবুল মিয়ার বড় ছেলে। যখন তার হুশ ছিল না তখন সকল সম্পত্তি লিখে নিল নিজের নামে।তারপর ডাক্তার বলল আবুল মিয়ার ক্যানসার হয়েছে সে আর বেশি দিন বাঁচবে না। ডাক্তার তাকে তিন মাস সময় দিয়েছে। তারপর আবুল মিয়া একদিন বসে সকল সম্পত্তি সবাইকে সমান করে ভাগ করে দেবে ঠিক করল।তারপর সবাই যখন জানতে পারল তার সকল সম্পত্তি লিখে নিয়েছে।
তারপর আর কেউ আবুল মিয়াকে দেখাশোনা করে না। এমনকি তার স্ত্রী ও না।অবশেষে আবুল মিয়া একবুক ঘৃণা নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিল।যদি ও আবুল মিয়া দুই মাস বেঁচেছিল কিন্তু দুই মাস অনেক খারাপ অবস্থায় ছিল।আসলে বৃদ্ধ বয়সে বাচ্চারা বাবার দেখা শোনা করে না।তারা তার সম্পির জন্য দেখাশোনা করে। তবে এটা আসলে ভুল কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। আবুল মিয়ার মতো আরও অনেকেই আছেন।
| প্রলয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | ফরিদপুর |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1934268830731350412?t=c3AgH4ZcJCUhvbxyw51AxA&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1934269413584490747?t=8Eghz5CronzmrrVoiiZ0xQ&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1934270197751591282?t=Q6pMz9lA4LNJELLHUAUycw&s=19