লাইফস্টাইল-হসপিটাল গুলো এক প্রকারের ভোগান্তির জায়গা||
আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার
আমি @monira999 বাংলাদেশ থেকে। আজ আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি। মাঝে মাঝে নিজের অভিজ্ঞতাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করি। আসলে অনেক সময় আমরা খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই। সেই অভিজ্ঞতাই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আশা করছি আমার এই পোস্ট পড়ে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।
হসপিটাল গুলো এক প্রকারের ভোগান্তির জায়গা:
Location
আমরা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ি তখন মূলত হসপিটালে যাই। কিংবা আমাদের পরিবারের মানুষগুলো যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তাদেরকে নিয়ে হসপিটালে যেতে হয়। আসলে সত্যি কথা বলতে হসপিটালে গেলে একজন সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে যায়। প্রথমত ডক্টর দেখাতে গিয়েও অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় এরপর যখন ডক্টর দেখানো শেষ হয় তখন শুরু হয় বিভিন্ন রকমের পরীক্ষা নিরীক্ষার পালা। শুরু হয়ে যায় অপেক্ষার পর অপেক্ষা।
Location
পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু দেওয়া শেষ হয়ে গেলে এরপর অপেক্ষাই যেন আর শেষ হয় না। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়। আসলে পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য আমরা যখন কোন কিছুর স্যাম্পল দেই তখন হয়তো খুব একটা সময় তাদের লাগে না। তবে তারা তো একদম ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করায়। অন্যান্য সবার টেস্টগুলো করাতে থাকে আর অন্য সবাইকে অপেক্ষা করাতে থাকে। এই বিষয়টা আমার ভীষণ খারাপ লাগে। আসলে এতটা সময় অপেক্ষা করতে করতে মন চায় না আর কিছু সময় অপেক্ষা করতে।
Location
মূলত যারা অসুস্থ তারাই হসপিটালে যায়। কিন্তু তাদেরকেই যদি এভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় তখন ভীষণ খারাপ লাগে। কয়েকদিন আগে আমার এক রিলেটিভ কে নিয়ে হসপিটালে গিয়েছিলাম। বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। সব জায়গায় শুধু সিরিয়াল আর সিরিয়াল। আমার তো খুবই খারাপ লেগেছে। এমনিতেই নিজের শরীর খুব একটা ভালো না তার মধ্যে অন্য একজন প্রেসেন্ট কে নিয়ে হসপিটালে গিয়েছিলাম। বিরক্তিকর সময়টা যেন একদম শেষ হচ্ছিল না।
Location
এতটা সময় অপেক্ষা করে যখন আশেপাশের মানুষগুলোকে দেখছিলাম তখন আরো বেশি খারাপ লাগছিল। তাদের অসুস্থতা দেখে আরো বেশি খারাপ লেগেছিল। অনেকে তো অপেক্ষা করতে করতে অস্থির হয়ে যাচ্ছিল। আসলে অনেক অসুস্থ মানুষজন সেখানে ছিল। তাদের কতটা কষ্ট হচ্ছিল সেটা দেখে খুবই খারাপ লাগছিল। সত্যি কথা বলতে হসপিটালের এরকম পরিস্থিতি গুলো আমরা হয়তো সচরাচরই দেখতে পাই। কিন্তু মাঝে মাঝে আমরা অভ্যস্ত হয়ে যাই। আবার মাঝে মাঝে মেনে নিতেও কষ্ট হয়।
Location
মাঝে মাঝে আমরা ভিন্ন রকমের অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকি। অভিজ্ঞতা গুলো অনেক সময় অনেক খারাপ লাগা তৈরি করে। সেদিন যখন আমি হসপিটালে সময় কাটিয়েছিলাম আমার ভীষণ খারাপ লেগেছিল। আসলে এভাবে অপেক্ষা করাটা অনেক বেশি কষ্টের। আর অসুস্থ শরীর নিয়ে যখন মানুষ অপেক্ষা করে তখন তাদের অবস্থাটা কি হয় হসপিটাল কর্তৃপক্ষ একবারও সেটা ভেবে দেখে না। আমার মনে হয় তাদের একটু সচেতন হওয়া উচিত এবং দ্রুত রিপোর্টগুলো ডেলিভার করা উচিত।
আমি মনিরা মুন্নী। আমার স্টিমিট আইডি নাম @monira999 । আমি ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। গল্প লিখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। মাঝে মাঝে পেইন্টিং করতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বাগান করতে অনেক ভালো লাগে। পাখি পালন করা আমার আরও একটি শখের কাজ। ২০২১ সালের জুলাই মাসে আমি স্টিমিট ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করি। আমার এই ব্লগিং ক্যারিয়ারে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির একজন সদস্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/Monira93732137/status/1892555427855958353?t=Q0X5awR6Pfo7gqWeFrLk7Q&s=19
খুব প্রাসঙ্গিক একটি বিষয়ে পোস্ট করেছেন। আমাদের এখানে বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল গুলিতে অনেক সময় অপেক্ষা করে ডাক্তার দেখাতে হয়। হয়তো দেখা যায় সকালে লাইন দিলে বিকেল বেলা ডাক্তার দেখেন। কিন্তু প্রাইভেট হসপিটাল গুলিতে ব্যবস্থাপনা তুলনামূলকভাবে ভালো। যদিও সেখানে খরচ অনেক বেশি হয়, কিন্তু পরিষেবা ভালোই। তাই আজকাল সরকারি হাসপাতাল গুলিতে অভিজাত রুগীরা প্রায় যায় না বললেই চলে। তারা সকলেই প্রাইভেট নার্সিংহোমে চলে যায়। আর যার পরে প্রাইভেট হসপিটালে এবং নার্সিংহোম গুলো বিরাট বড় হয়ে চলেছে।
আপনার অভিজ্ঞতা সত্যিই দুঃখজনক এবং অনেকের জন্যই প্রাসঙ্গিক। হাসপাতাল গুলোতে দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যা নতুন কিছু নয়, কিন্তু এটি অসুস্থ রোগীদের জন্য সত্যিই কষ্টদায়ক। বিশেষ করে যারা শারীরিকভাবে দুর্বল, তাদের জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা সিরিয়ালে থাকা আরও যন্ত্রণা দেয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত রিপোর্ট ডেলিভারির ব্যবস্থা করে এবং প্রক্রিয়াগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করে, তাহলে রোগীদের কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের জন্য এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
গত তিন চার মাস যাবত কোনো না কোনো কারণে হসপিটালে যেতে হচ্ছে। আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ডাক্তার দেখানো হচ্ছে। তবে টেস্ট করানোর জন্য আমরা আমাদের পরিচিত একটা হসপিটালে চলে যাই। সেখানে সিরিয়ালের একদম ঝামেলা থাকে না। এজন্য টেস্টের সময়ও খুব বেশি সময় লাগে না। কিন্তু টেস্টের রিপোর্ট দেখানো কিংবা এমনিতেই ডক্টর দেখানোর জন্য অনেক বেশি অপেক্ষা করতে হয়। এগুলো অনেক ভোগান্তির সৃষ্টি করে সবার জন্য।
অসুস্থতার বিষয়টাই অত্যন্ত বিরক্তিকর। তার ওপরই হসপিটালে গিয়ে চিকিৎসার জন্য অপেক্ষার যেন কোন অন্তই নেই। আপনি ঠিকই বলেছেন। এগ্রিকালচার আমাদের এদিকে তো এক একটা হসপিটালে আছে যেখানে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়াই যায় না। কোথাও কোথাও তো আবার ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট পেতে তিন মাস সময় লেগে যায়। আসলে মানুষের সংখ্যা এবং তাদের রোগের পরিমানে এত বেশি হ্যাঁ সেই তুলনায় ডাক্তারের ও হসপিটালের সংখ্যা অনেক কম হওয়ার কারণে এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আমাদের।
আসলে মানুষ হাসপাতালে যায় রোগ নিরাময়ের জন্য কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার জন্য। কিন্তু বর্তমানে মানুষ হাসপাতালে ভোগান্তি মধ্যে পড়তে হয় এবং রোগ নিরাময়ের যে আশা নিয়ে যায় তা সম্পূর্ণভাবে পূরণ হয় না। আপনি ঠিক বলেছেন হসপিটাল হচ্ছে রোগীর জন্য ভোগান্তির মাধ্যম । ধন্যবাদ আপনাকে আপু পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আমি আপনার সাথে পুরোপুরি একমত আপু। আমরা যখন অসুস্থ হয় তখনই হাসপাতালে যায়। কিন্তু এখন এদের অবস্থা এমন। ভোগান্তি এত উচ্চ পর্যায়ে যে সুস্থ্য মানুষ গেলেও অসুস্থ হয়ে ফিরে আসে। আর অসুস্থ মানুষের কথা কী বলব।