লাইফস্টাইল-বেলের শরবত খাওয়ার কিছু মুহূর্ত||
আসসালামু আলাইকুম/নমস্কার
আমি @monira999 বাংলাদেশ থেকে। আজ আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে একটি লাইফস্টাইল পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি। নিজের কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করি। তাই আজকে আমি আমার কাটানো সুন্দর একটি মুহূর্ত আপনাদের মাঝে শেয়ার করবো।আশা করছি সবার ভালো লাগবে।
বেলের শরবত খাওয়ার কিছু মুহূর্ত:
Location
দেখতে দেখতে কয়েকটি রমজান পার হয়ে গেল। রমজান মাস শুরু হওয়ার আগে আমাদের বেশ কিছু কেনাকাটা থাকে। প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই কিনতে হয়। তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে বাহিরে গিয়েছিলাম। দেখতে দেখতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল। অনেকটা সময় বাহিরে কাটানোর কারণে গলাটা একদম শুকিয়ে আসছিল। হঠাৎ করেই চোখে পড়লো শরবতের দোকান। তাইতো দ্রুত সেখানে চলে গেলাম।
Location
বাজারের একপাশে এই শরবতের দোকান দেখতে পেয়ে কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম কি কি শরবত পাওয়া যায়। আসলে সেখানে বিভিন্ন রকমের শরবত পাওয়া যায়। এলোভেরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের শরবত রয়েছে। যদিও এলোভেরা শরবত কখনো খাওয়া হয়নি। তাই আমি বেলের শরবত খেতে চাইলাম। আস্ত বেলের দাম অনেক বেশি মনে হচ্ছিল। কি আর করার যেহেতু ভীষণ ক্লান্ত লাগছিল তাই বেলের শরবত বানাতে বললাম।
Location
একদম পাকা বেলের শরবত তৈরি করছিল লোকটি। আমার তো দেখেই প্রাণটা জুড়িয়ে যাচ্ছিল। সত্যি কথা বলতে যখন তৃষ্ণা পায় তখন রাস্তার পাশের এই দোকানগুলো থেকে শরবত কিনে খেতে খুবই ভালো লাগে। আমার মত অনেকেই সেখানে শরবত খেতে গিয়েছিল। যেহেতু সবাই ক্লান্ত শরীরে দাঁড়িয়ে ছিল তাই একের পর এক তিনি কাস্টমারদের কে প্রয়োজনীয় শরবত তৈরি করে দিচ্ছিলেন।
Location
অনেকেই যেহেতু দাঁড়িয়ে ছিল তাই কিছুটা সময় লেগেছে শরবত রেডি করতে। কারণ আমার আগে অনেকেই সেখানে গিয়েছিল। আমিও কিছুটা সময় অপেক্ষা করছিলাম। যাতে করে তিনি খুব সহজেই কাস্টমারদেরকে সন্তুষ্ট করতে পারেন। অবশেষে আমি বেলের শরবত পেয়ে গিয়েছিলাম। সত্যি কথা বলতে শরবতের টেস্ট অসাধারন ছিল। আর মনে হচ্ছিল যেন একদম সব ক্লান্তি দূর হয়ে গিয়েছে।
Location
রমজান মাসে ইফতারের পর এই দোকানগুলোতে ভিড় আরও বেড়ে যায়। যদিও এই সুন্দর মুহূর্ত গুলো রমজান শুরু হওয়ার আগের। তবে এখন যদি আমরা দোকানগুলোর সামান দিয়ে যাই তাহলে বুঝতে পারবো কতটা ভিড় লেগে রয়েছে। রোজা রাখার পর অনেকেই শরবত খেতে পছন্দ করেন। আর এই দোকানগুলোতে গিয়ে ভিড় জমান। সব মিলিয়ে সময়টা বেশ ভালো কেটেছে এবং দারুন উপভোগ করেছি।
জানিনা আমার এই পোস্ট আপনাদের কাছে কেমন লেগেছে। আশা করছি ভালো লাগবে।
আমি মনিরা মুন্নী। আমার স্টিমিট আইডি নাম @monira999 । আমি ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। গল্প লিখতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। মাঝে মাঝে পেইন্টিং করতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বাগান করতে অনেক ভালো লাগে। পাখি পালন করা আমার আরও একটি শখের কাজ। ২০২১ সালের জুলাই মাসে আমি স্টিমিট ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করি। আমার এই ব্লগিং ক্যারিয়ারে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো আমি "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির একজন সদস্য।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/Monira93732137/status/1897647545758986728?t=PK1AbqE374ZDIcGUIlK_YA&s=19
তৃষ্ণার্ত থাকা কালীন ঠান্ডা যে কোন জিনিস শরবত হলে তো কথাই নেই গ্লাস গ্লাস পেলে যেন প্রান্ত জুড়িয়ে যায়। আমি অ্যালোভেরা শরবত কখনো খাইনি তবে হয় বলে শুনেছি এবং সুস্বাদু ও হয়। আর বেলের শরবত আমার অতি প্রিয়। দেশের বাড়িতে একটা বিরাট বেল গাছ আছে গেলে খাওয়া হয়।
শরীর ক্লান্ত থাকলে এরকম এক গ্লাস শরবত সবকিছু প্রশান্ত করে দেয়। আর বেলের শরবত আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। তবে বাইরে থেকে কখনো বেলের শরবত খাওয়া হয়নি। সব সময় বাসায় তৈরি করে শরবতটা খাওয়া হয়েছে। যাই হোক আপনার অনুভূতি সম্পর্কে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু মুহুর্তগুলো শেয়ার করার জন্য।
এই শরবতগুলো খেতে বেশ মজাই লাগে। আপনি দেখছি বাইরে বেলের শরবত খেলেন। তবে এটি ঠিক রমজানের সন্ধ্যার পর এই দোকানগুলোর মধ্যে অনেক ভিড় থাকে। আর রমজানের কারণে পুরো দিন ক্লান্ত থাকলে মানুষ এ ধরনের শরবতগুলো খেতে বেশি পছন্দ করে। আর আপনি দেখছি বেলের শরবত খাবার কিছু অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।