মোয়ার টানে জয়নগর: জটার দেউলের পথে
নমস্কার বন্ধুরা,
মনি নদীর উপরে ব্রিজ পেরিয়ে রাইদীঘি থেকে পৌছে গেলাম কাঁকনদীঘিতে। গুগল ম্যাপ খুলে দেখে নিলাম রাইদীঘি ব্রিজ থেকে জটার দেউলের পথ মাত্র পাঁচ কিমি। ব্রিজ থেকে নেমে কাঁকনদীঘির কিছুটা পথ চলে আসার পরে একটা সরকারি বিলবোর্ড নজরে এলো, যেখানে লেখা জটার দেউল ৫.৫ কিলোমিটার। এত কাছাকাছি চলে আসার পরে সত্যিই মনটা আনন্দে নাচছিল। তবে রাইদীঘি ব্রিজ থেকে বিলবোর্ড পর্যন্ত আসার রাস্তাটা এতটাই জঘন্য ছিল সেটার প্রভাবও হতে পারে। যাই হোক, নাচানাচির ব্যাপারে বেশি মাথা না ঘামিয়ে সরকারি বিলবোর্ডে লাগানো পথ নির্দেশ দেখে স্কুটার চালাতে শুরু করলাম। অল্প কিছুদূর বেশ ভালই লাগলো রাস্তাটা বেশ মোলায়েম মসৃণ। বাধ সাধলো কিছুদুর গিয়েই।
তিন চারশো মিটার যাওয়ার পথ এতটাই খারাপ যে মোটর বাইকের গতি অত্যন্ত কমিয়ে দিতে হলো। রাস্তা এবড়ো খেবড়ো হলেও মেনে নেওয়া যেত কিন্তু মাটির উপরে কয়েকটা পাথর এলো মেলো ভাবে পড়ে রয়েছে সেটাকে কি রাস্তা বলা যায়? রাজ্য সরকারের এদিকে দেখবার সময় নেই সেটা বুঝতে পারছিলাম। রাস্তা খারাপ হলেও একটা জিনিস কি ভালো লাগছিল তা হলো পুরো রাস্তা পাশে থাকা ফাঁকা মাঠ। সেই ফাঁকা মাঠ দেখেই এই খারাপ রাস্তাটার দুঃখ কিছুটা মিটে যাচ্ছিলো।
বাজে রাস্তা থেকে পৌছালাম একটু ভালো রাস্তায়, সেখানে দাঁড়িয়ে কিছুটা সময় রোদের তাপ গায়ে লাগিয়ে নিলাম। আহা! শীতের সময় এত রাস্তা স্কুটার চালিয়ে রোদ্দুর লাগিয়ে দারুন লাগছিল। কিছুক্ষণ আরাম করে, ফের চালানো শুরু করলাম। তবে ভালো রাস্তা মিটার ৫০০ যেতে না যেতেই শেষ হয়ে গেল। আবার সেই মাটির মধ্যে কিছু পাথর পড়ে থাকা রাস্তায় পৌঁছে গেলাম। গতি ধীরে হয়ে গেল।
সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা স্কুটারে লাগলো তিরিশ মিনিট। যেটা মাত্র ৮ থেকে ১০ মিনিটে পৌঁছে যাওয়ার কথা সেটা পৌছতে পৌছতে অনেকটাই দেরি হয়ে গেল। রাস্তা থেকেই দেখতে পেলাম জটার দেউল।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
আসলে রাস্তা খারাপ হলে যেকোনো জায়গায় যেতে অতিরিক্ত সময় লেগে যায়। আপনি শেষ পর্যন্ত জটার দেউল যেতে পেরেছেন, সেটা জেনে খুব ভালো লাগলো দাদা। বেশ ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। স্কুটার থাকাতে বেশ সুবিধা হয়েছে। যেখানে সেখানে ঘুরাঘুরি করতে পারছেন। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।