রেসিপি : মুসুরের ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে পটল পাতার মুচমুচে বড়া
নমস্কার,
বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন? আশা করছি সকলেই ভালো আছেন। ঈশ্বরের কৃপায় আমি ভালোই আছি। আপনাদের সামনে আজ আমি আরো একটি নতুন ও মজাদার রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকের রেসিপিটি হলো, মুসুরের ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে পটল পাতার মুচমুচে বড়া।
পটল পাতার স্বাদ যে তেঁতো হয় সেটা আজকেই প্রথম জানতে পারলাম। আদপে আগে কখন পটল পাতা খাওয়া হয়নি তাই জানাও ছিলো না। নতুন দিন নতুন কিছু শেখা। সাধারণত বড়া বানালে চালের গুঁড়ো ও ময়দা ব্যবহার হয় তবে আজ মসুরের ডাল দিয়ে বড়া করতে ইচ্ছে করলো। কারণ মসুর ডাল দিয়ে বড়া বানালে আলাদা রকমের মুচমুচে হয়। ভাগ্যিস ইচ্ছেটা করেছিলো, পটল পাতা যেমন তেঁতো ডালের স্বাদ সেটাকে কিছুটা হলেও ফিকে করে দিতে সক্ষম। সাথে দারুন মুচমুচেও হলো। যাক এইবার সোজা মূল রান্নায় চলে যাই।
- পটল পাতা
- ডাল
- হলুদ
- হলুদ গুঁড়ো
- জিরে গুঁড়ো
- লঙ্কার গুঁড়ো
- চালের গুঁড়ো
- তেল
- নুন
ধাপ ১
- মসুরের ডাল কিছুক্ষনের জন্য জলে ভিজিয়ে রেখে তারপর সেটাকে গ্রাইন্ড করে নেবো।
ধাপ ২
- গ্রাইন্ড করা ডাল একটা পাত্রে ঢেলে তাতে হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, চালের গুঁড়ো দিয়ে মাখিয়ে নেবো।
ধাপ ৩
- মন্ড মাখিয়ে রেখে উনুন জ্বালিয়ে একটা কড়াই চাপিয়ে নিয়ে তাতে বেশ কিছুটা তেল দিয়ে গরম হতে দেবো।
ধাপ ৪
- তেল গরম হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে ধুয়ে রাখা পটল পাতা গুলো মন্ডের মধ্যে চুবিয়ে এক এক করে কড়াইতে ছেড়ে দিয়ে ভাজতে শুরু করবো।
ধাপ ৫
- বেশ কিছুক্ষন ভালোভাবে উল্টে পাল্টে বড়া গুলো ভাজতে থাকবো।
ধাপ ৬
- কিছু সময় ধরে ভাজার পর বড়া সোনালী রঙের হয়ে গেলেই আমাদের মুসুরের ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে পটল পাতার মুচমুচে বড়া তৈরী।।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
মুসুরের ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে পটল পাতার মুচমুচে বড়া রেসিপি দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে। আপনার রেসিপি পরিবেশন আমার খুবি ভালো লেগেছে। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ দাদা।
ধন্যবাদ ভাই। 😊
মসুরের ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে পটল পাতার মুচমুচে বড়া দেখে তো খেতে ইচ্ছে করছে দাদা। ইফতারের সময় এই ধরনের বড়া খেতে খুব ভালো লাগে। বড়া গুলো দেখতেও খুব সুন্দর লাগছে। খেতেও মনে হচ্ছে দারুণ হয়েছে। এত মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
ভালো তো লাগবেই। দারুন মুচমুচে যে।
মুসুর ডাল ও চালের গুঁড়ো দিয়ে বড়া অনেক খেয়েছি , তবে কখনো পটল পাতা দিয়ে খাওয়া হয়নি।আপনার পোস্টটের মাধ্যমে জানতে পারলাম পটল পাতা নাকি তিতা। যাইহোক রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। একদিন অবশ্যই তৈরি করব। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
পটল পাতা অল্প তেঁতো হয়, ডাল দিলে যেটা একটু কমে।
মসুরের ডাল এবং চালের গুড়ো দিয়ে এরকম মুচমুচে বড়া অনেক খেয়েছি দাদা। তবে কখনো পটলের পাতা দিয়ে এভাবে খাওয়া হয়নি। আপনার কাছ থেকে নতুন একটি রেসিপি শিখে নিলাম। মসুরের ডাল চালের গুঁড়ো এবং পটলের পাতা দিয়ে বড়া তৈরি করা দেখে মনে হচ্ছে খেতে অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল
অবশ্যই খেয়ে দেখবেন। আমার তো বেশ ভালো লাগলো।
পটল পাতার স্বাদ গ্রহণ করা হয়নি কখনো। তাই জানা নেই যে পটলপাতা খেতে তেঁতো হয়। আজকে আপনি এই রেসিপি শেয়ার করছেন বলেই পটল পাতার স্বাদ সম্পর্কে জানতে পারলাম। আমি তো লাউপাতা দিয়ে এভাবে বড়া তৈরি করে খেয়েছি অনেক। কিন্তু পটলপাতা যে খাওয়া যায় সেটা কখনো ভাবতেই পারিনি দাদা। ভিন্ন ধরনের একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি দাদা।
লাউপাতা দিয়ে বা লাউয়ের ফুল ভালোই লাগে। পতল পাতা একটু ভিন্ন স্বাদের।
রমজান মাসে প্রায় প্রতিদিনই মসুরের ডাল দিয়ে বড়া ভেজে খাওয়া হয়। আসলে দাদা এভাবে কিন্তু বড়া ভেজে খেতে খুব সুস্বাদু লাগে। আপনি মুসুরির ডালের সাথে যে পটলের পাতা যোগ করেছেন এটা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। তবে পটলের পাতা দিয়ে এভাবে কখনো ভেজে খাওয়া হয়নি। তবে কোন একদিন চেষ্টা করে দেখব মসুর ডালের ভিতরে পটলের পাতা দিয়ে বড়া তৈরি করে খাওয়া। ধন্যবাদ দাদা সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
এখনকার পাতা গুলো নরম। খেয়ে দেখেন তো কেমন লাগে।
পটল পাতার বড়া বেশ ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন ভাইয়া।মসুরির ডালের সাথে বড়ার রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে খেতে সুস্বাদু ছিল।রেসিপি তৈরির প্রক্রিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সুন্দর রেসিপি পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
দারুন মুচমুচে হয়েছিলো। খুব ভালো লাগলো।
দাদা খুবই সুস্বাদু ও মজাদার পকোড়া রেসিপি তৈরি করেছেন। এই রেসিপির পরিবেশন আমার খুবই ভালো লেগেছে। খুব সহজেই আপনার রেসিপির ধাপগুলো দেখে শিখে নিলাম। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
শিখে নিলেন এইবার রান্না করে ফেলেন। হাঃ হাঃ
প্রিয় দাদা, মসুরের ডাউল গুলো খুবই সুন্দর ভাবে প্রস্তুত করেছেন। মসুরের ডালের সাথে পটল পাতা দিয়ে তেলে ভাজা মুচমুচে পাকোড়া খেতে কেমন লাগে সেটা আমার জানা নেই। তবে আপনার পোস্টটি পড়ে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল। দারুন একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য প্রিয় দাদা আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
খুবই সুস্বাদু। মুচমুচে তবে অল্প তেঁতো।
ধন্যবাদ ভাই আপনাকে নতুন কিছু আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য। আসলে আমি জানতামই না কখনো যে পটল পাতার বড়া খাওয়া যাই। এটার সাদ যে তিতো সেটা জেনে আগে থেকেই আইডিয়া নিয়ে নিলাম পরবর্তীতে খেতে নিলে যেন অবাক না হয়।
আমিও জানতাম না। নতুন কিছু শিখলাম। হাঃ হাঃ