২০২৪ এর অন্তিম তারিখে তৃপ্তি ক্যাফের চা
নমস্কার বন্ধুরা,
বিগত বছরের শেষ দিনটা এক নতুন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে কাটালাম। আমার এক ক্লায়েন্ট অফিসের কাছাকাছি একটা বেশ ভালো চায়ের দোকান আছে। ভালো বলা যাবে কিনা জানিনা তবে ক্লায়েন্ট এর যারা নিত্যদিনের কর্মী, তারা মাঝেমধ্যেই বলে সেই দোকানের নাম। অনেক নাকি রিলস এবং ভিডিওতে সে চায়ের দোকানের কথা ঘুরে বেড়ায়। যদিও আমি বিশেষ খাবারের ভিডিও বা রিলস দেখি না তাই সেই ব্যাপারে জানতাম না। তারাই ৩১ তারিখ সন্ধ্যে বেলায় যখন কাজের চাপটা অনেকটা কমে গেছিল তখন সেখানে যাওয়ার কথা উঠলো।
মূলত চা খেতে বাইরে বেরিয়ে ছিলাম। সেই সময়ে সবাই মিলে সুর তুললো সেই দোকানে যাবে, সবার দাবী শুনে সেখানে যাওয়া ঠিক হলো। হাঁটতে শুরু করলাম ক্লায়েন্টের অফিস থেকে রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন বরাবর। মেট্রো স্টেশন ছাড়িয়ে হাঁটতে হাঁটতে বেশ অনেকটা দূর হেঁটে পৌঁছলাম টালিগঞ্জে। ফুটপাতের এক চায়ের দোকান দেখলাম বেশ কিছু ভিড় জমেছে। আমাদের গন্তব্য সেই অবধিই ছিলো, দোকানটার নাম "তৃপ্তি ক্যাফে"। চায়ের লিস্ট দেখে আমার মাথা খারাপ হওয়ার অবস্থা। যেখানে আমি সাধারণত চা পান করি সেখানে তিন বা চার ধরনের চা পাওয়া যায়। এই দোকানের লিস্ট গুনে শেষ করা যাচ্ছে, এত চায়ের, কফির, মিল্ক সেকের ভ্যারাইটি। চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার অবস্থা।
লিস্ট দেখে মালাই চা অর্ডার করা হলো। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে ভাঁড়ে আমাদের সামনে চা এসে হাজির হয়ে গেল। শীতের দিন, তাই অপেক্ষা না করেই প্রথম চুমুক দিলাম। বেশ ভালই লাগলো তবে একটা আলাদা ধরনের কফির ফ্লেভার পাচ্ছিলাম। উপরে দুধের সর যেটা দুধ চায়ের সাথে আমার ঠিক ভালো লাগলো না। চা খেলাম এবং চায়ের কাপের তলায় দেখলাম চকলেট দেওয়া। সব মিলিয়ে খেতে মোটামুটি লাগল।
স্বাদ খুব আহামরি নয়। তবে ফুটপাত অনুযায়ী দাম অনেকটাই বেশি। ৫০ টাকা এক ভাঁড়ের দাম। যেটা অনেকটা। আমরা চা শেষ করতে করতে আরো প্রচুর মানুষের ভিড় হয়ে গেল সবই ১৮-২২ এর ছেলে মেয়ে। রোজকারের খদ্দের চোখে পড়লো না। তখনই বুঝলাম দোকানটি শুধু রিলসের জোরে চলছে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এখন অনলাইনের মাধ্যমে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে, বিভিন্ন ধরনের খাবার হোটেল ভাইরাল হয়ে যাচ্ছে। এখন আসলে অনলাইনের যুগ। যাইহোক সবাই মিলে চা খেয়েছেন,জেনে খুব ভালো লাগলো দাদা। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
তৃপ্তি ক্যাফেতে চা খেয়ে তার আবার দারুণ সুন্দর করে ছবি গ্রহণ করেছেন দেখছি। টালিগঞ্জে বেশকিছু ভালো ভালো খাবারের দোকান আছে। আমি মেট্রো স্টেশন এর পাশে কয়েকবার ভালো লস্যি এবং মিল্ক শেক খেয়েছিলাম। তবে তৃপ্তি ক্যাফেতে চা কখনো খাওয়া হয়নি। তবে আপনার হাতে ভাঁড়ে চা টা দেখে আমার বেশ লোভই হচ্ছে। হয়তো একদিন ঠিক গিয়ে খেয়ে নেব।