কলকাতার পথে 🚇
নমস্কার বন্ধুরা,
বাড়িতে বেশ কয়েকদিন থাকবার পর শেষমেষ কলকাতা ফিরেই আসলাম। ফিরে আসার বিষয়টা সবসময় একটু কষ্টের হয়। কারণ মায়ের আদর ছেড়ে আসতে কার ভালো লাগে? আরেকটা বিষয় হলো আবহাওয়া। উত্তরবঙ্গে এখনো পর্যন্ত বেশ শীতল আবহাওয়া রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে সেখানে রীতিমতো দাবদাহ শুরু হয়ে গেছে। একটু ভয় তো হয়। তবে গরম তো সামনে থেকে মোকাবেলা করতেই হবে কোনভাবেই আটকানো সম্ভব নয়। কলকাতা থেকে বাড়ি যাওয়ার সময় ট্রেনে টিকিটের অভাব থাকে, কিন্তু ফিরে আসবার সময় একটা ট্রেন বেশি থাকার জন্য টিকিটের অভাব হয় না।
ফেরার দিনের সকাল থেকেই ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়। কদিনে যা কিছু ব্যাগ পত্র থেকে বের করেছি সবকিছু আবার ব্যাগে গুছিয়ে নেওয়া, সেই সাথে খাবার জিনিসগুলো ব্যাগে ঢুকিয়ে নেওয়া। সারাদিনটা ব্যস্ততার মধ্যে কেটে গেল, শুধুমাত্র বিকেল বেলায় গিয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলাম। আসলে গোছানোর আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে স্বভাবতই হাতে কোনো কাজ নেই। সন্ধ্যে হতে বেরিয়ে পড়লাম বাড়ি থেকে। স্টেশন একটু আগে পৌঁছে যাওয়াতে আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
প্রায় এক ঘন্টা আগে স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলাম। যতবার সদর শহরের স্টেশনে আসি ততবারই দেখি স্টেশনে নতুন কোনো না কোনো কাজ চলছে। আসলে বিগত কয়েক বছরে যেসব উন্নয়ন হয়েছে সেটার জন্য আমাদের মেম্বার অফ পার্লামেন্টকে অসংখ্য ধন্যবাদ। দুই নাম্বার প্ল্যাটফর্মে ট্রেন দাঁড়িয়েছিল, আমি গিয়ে কামরায় উঠে পড়লাম। তখন বেশি মানুষজন আসেনি স্টেশানটা অনেকটা ফাঁকাই ছিলো। স্টেশনে ঢুকতে ঢুকতে মিটিং শুরু করে দিয়েছিলাম। মূলত পরদিনই ছিল HTX এর স্পেস সেটার জন্য অনেক আলোচনা এবং পর্যালোচনা। মিটিং চললো ৪৫ মিনিট, যার বেশি সময় আমিই কথা বলে গেলাম।
মিটিং শেষ হলো আর কিছু পরেই আমার ট্রেন ছেড়ে দিল। ছাড়ার সাথে হু হু করে ঠান্ডা বাতাস এসে জমিয়ে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করল। আমি তাড়াতাড়ি ব্যাগে থাকা চাদরটা বের করে গায়ে দিয়ে নিলাম। যদিও রাতে বেশ কয়েকবার ঘুম ভেঙে গিয়েছিল ঘেমে যাওয়ার জন্য। দক্ষিণবঙ্গে ঢুকে আবহাওয়া অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কলকাতা ফিরতে একটু কষ্ট হলেও আপনাদের অভিজ্ঞতা বেশ প্রাণবন্ত এবং বাস্তবিক। উত্তরবঙ্গের শীতল আবহাওয়া এবং দক্ষিণবঙ্গের গরমের পার্থক্যটা অনেকটাই মর্মস্পর্শী। স্টেশনে আগেই পৌঁছে একঘণ্টা অপেক্ষা করা এবং মিটিংয়ের আলোচনা, সবকিছু একদম নিখুঁতভাবে সাজানো ছিলো। আশা করি আপনার যাত্রা আর কাজের পরবর্তী পর্বও সফল হবে ।