বনভোজন ২০২৫: পর্ব ৬
নমস্কার বন্ধুরা,
ঘুরতে ঘুরতে ফাঁকা দেখে বসে পড়লাম। এক অদ্ভূত প্রশান্তি রয়েছে এই জায়গাটার মধ্যে। কোনো রকমের আওয়াজ নেই, কোনো ধরনের চিৎকার চেঁচামেচি নেই। যা আছে শুধু আমি আর নিস্তব্ধতা। মাঝে মধ্যে কয়েকটা পাখির ডাক কানে আসছে তবে সেগুলোও হারিয়ে যায়। আমার কান দুটো এমন এক জায়গা কয়েকদিন ধরে খুজছিল। কলকাতার সারাক্ষণের যানবাহনের আওয়াজের থেকে দূরে এসে শ্রবণে কিছুটা হলেও যেন প্রশান্তিতে ছেয়ে গেল। সেখানে একলা বসেই বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে দিলাম। মাঝে বেশ কিছুক্ষণ সময় কোন ধরনের মোবাইলের নোটিফিকেশন না আসার জন্য পরিবেশটা আরো সু মধুর হয়ে উঠেছিল। বসে অনেকটা সময় কাটিয়ে দিলাম, ভাবছি কতক্ষণে খাবারের ডাক আসে। যতই হোক পিকনিকে এসে এতটা দার্শনিক হয়ে যাওয়াটা ঠিক না। খিক খিক।
দুপুর আড়াইটা নাগাদ ডাক এলো, ওইদিকে সব খাবার প্রস্তুতি শেষ হয়ে গেছে। আমি আর অপেক্ষা করিনি সেখান থেকে উঠে সোজা চলে গেলাম বাগান বাড়ির একদম গেটের মুখটায় যেখানে রান্না চলছিল। পৌঁছে দেখি কেউই সেখানে আসেনি। আমি যখন পৌঁছে গিয়েছি তখন খেতে বসে পড়লাম 🤪। মেনুতে সাদা ভাত, ঝুড়ি আলুভাজা, স্যালাড, মাছের মাথা দিয়ে সোনা মুগ ডাল, আর খাসির মাংস।
শুরুটা বেশ ভালই হলো। সাদা ভাতের সাথে মাছের মাথা দিয়ে সোনা মুগ ডাল আর ঝুড়ি আলু ভাজা। জাস্ট অসাধারণ লাগলো। সেই নিয়ে দুবার ভাত খেয়ে ফেললাম। আলু ভাজাটা যেন অতিরিক্ত ভালো লাগছিল। ডাল দিয়ে ভাত খাওয়া হলে নিয়ে নিলাম খাসির মাংস। অল্প ঝোল ভাতে দিয়ে দু টুকরো মাংস পাতে নিয়ে নিলাম। মাংসের ঝোল দিয়ে ভাত অল্প মুখে ঢুকিয়েছি! তখনই সবটা মুখ থেকে ফেলে দেওয়ার অবস্থা। মাংসের স্বাদ এক্কেবারে মিষ্টি। খাসির মাংস ঝাল খেতেই বেশি ভালো লাগে। ভাত খেতে পারলাম না তবে চার পিস মাংসে ক্ষান্ত দিলাম।
মিষ্টি মাংস মুখে দেওয়ার পর শেষ পাতের চাটনি, পাপড়, রসগোল্লা সবই বাদ দিলাম। মুখ বদলের দায়ে পানটা খেলাম আরকি। ধীরে ধীরে বাকিরা খেতে আসলো। আমি আগেই খেয়ে নেওয়ায় পরিবেশনে হাত লাগিয়ে দিলাম। এক এক করে সবাই খেতে খেতে সন্ধ্যে লেগে গেলো।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
এমন নিরিবিলি জায়গায় সময় কাটাতে ভীষণ ভালো লাগে। জায়গাটা আসলেই খুব সুন্দর। যাইহোক দুপুরের খাবার খাওয়ার পর্বটা বেশ ভালোভাবেই শুরু করেছিলেন দেখছি। তবে খাসির মাংস সবকিছু ওলট-পালট করে দিলো হা হা হা। খাসির মাংস ঝাল ঝাল না হলে খেতে একেবারেই ভালো লাগে না। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম দাদা। তবে এটা মনে হয় ষষ্ঠ পর্ব দাদা। আগেরটা পঞ্চম পর্ব ছিলো।
ঠিক। অন্তিম পর্ব ছিল এটাই 🤪
শান্তশিষ্ট এবং নিরিবিলি পরিবেশ আমার কাছে সব থেকে বেশি প্রিয়। বলতে পারেন আমি একজন শান্তি প্রিয় মানুষ। এইরকম পরিবেশ গুলো সব থেকে বেশি ভালো লাগে। এই সময়গুলোতে নিজেকে উপলব্ধি করা যায়। বনভোজন এর এই পর্বটা মজা করে উপভোগ করলাম। আশা করছি খুব শীগ্রই পরের পর্ব শেয়ার করবেন। অপেক্ষায় থাকলাম দাদা আপনার পরবর্তী পর্বের।
বনভোজনের জন্য তাহলে বেশ ভালো একটা পরিবেশ নির্ধারণ করেছেন। আসলে খোলামেলা পরিবেশ আর নীরব পরিবেশ আমার কাছেও খুব ভালো লাগে।এরকম পরিবেশে বসে থেকে অনেকটা সময় কাটিয়ে ফেলা যায়। তবে খাওয়া-দাওয়ার পর্বটা দেখে খুবই ভালো লাগলো। আর খাবার দেখেই তো লোভ লেগে গেল। ঝুড়ি ভাজা গুলো দেখতেই দারুন লাগছে।
পরের ব্যস্ত জীবনে শেষে এরকম নিরিবিলি পরিবেশে গেলে আসলেই মানসিক শান্তি লাগে।আপনি এরকম নিরিবিলি পরিবেশে গিয়ে ভীষণ আনন্দ করেছেন বুঝতে পেরেছি। ঠিক বলেছেন খাসির মাংসের ঝাল বেশি না হলে স্বাদ লাগেনা। সব মিলিয়ে এরকম মনোরম পরিবেশে ভালোই দিন কাটিয়েছেন তাহলে।