লাইফ স্টাইল // গ্রামের বড় পুকুরে মাছ ধরা দেখার অনুভূতি
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৯-০৭-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি লাইফ স্টাইল // গ্রামের বড় পুকুরে মাছ ধরা দেখার অনুভূতি। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আপনারা সকলেই জানেন বেশ কিছুদিন আগে আমি আবারো সিঙ্গাপুরে এসেছি। আসলে এখানে আসার পর থেকে নিজের কাজগুলো নিয়ে সত্যি বেশ ব্যস্ততার মধ্যে আছি। এর মাঝেও চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত আপনাদের সাথে নিজের মূল্যবান কিছু সময় ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে আমার ছোট চাচার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম সেখানে গিয়ে বেশ কিছু সময় থাকার পরে দুপুরে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বিকেলের দিকে রওনা দিয়েছিলাম। রুমে এসে গোসল শেষ করে ভাবলাম আপনাদের সাথে আজকে পোস্ট শেয়ার করব। তখনই মোবাইলের গ্যালারিতে ঢুকতেই অনেক দিনের আগের কিছু ছবি চোখের সামনে ভেসে আসলো তাই ছবিগুলো দিয়ে পোস্ট লেখা শুরু করে দিলাম। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক........
আপনারা উপরের ছবি গুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি চমৎকারভাবে দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমি আজকে আপনাদের মাঝে কি বিষয়ে পোস্ট শেয়ার করব আপনারা ইতিমধ্যে আমার পোস্টের টাইটেল এবং পোস্টের ছবিগুলো দেখে বুঝতে পেরেছেন। আমি চেষ্টা করি আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত ভিন্ন ধরনের কিছু পোস্ট শেয়ার করার জন্য এবং সকলের ছোটবেলার কিছু অনুভূতি সেই পোষ্টের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য যাতে আপনারা পোস্ট পড়ে সকলেই মজা পান। আপনারা দেখতে পারছেন যেই পুকুরটি পানি ছাকা হচ্ছে সেটি হচ্ছে আমাদের গ্রামের বড় পুকুর নামে পরিচিত। আসলে এই পুকুর গ্রামের প্রায় প্রত্যেকটি পরিবারের ভাগ বন্টনা রয়েছে বলে এমনটাই জানি আমি। আসলে এই পুকুর বেশ কিছু বছর পর পর ছাকা হয়। সেখান থেকে মাছগুলো ধরে প্রায় গ্রামের প্রত্যেক সমাজ এবং পরিবার ভাগ পাই। কিন্তু সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে এখানে পুকুরটি পানি ছাকার জন্য প্রায় তিন থেকে চারদিন প্রয়োজন হয়েছিল।
এবার আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আবারো আপনাদের মাঝে চমৎকারভাবে দুইটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরাবন্দি করে আপনাদের মাঝে সাজিয়ে তুলেছি। আসলে আমাদের গ্রামের এই বড় পুকুরটি হচ্ছে মাঠের প্রায় পাশে। মানুষ মাঠে ধান লাগাবে পানি পাচ্ছিল না তাই বড় পুকুরের পানি প্রায় বিলের মধ্যে আমরা ছেড়ে দিয়েছিলাম সকলেই জমিগুলোতে সুন্দরভাবে কাদা করে ধান লাগাতে পারবে এই কারণে। সেই সাথে পুকুর থেকে আমাদেরও মাছগুলো ধরা হয়েছিল সব মিলিয়ে বেশ দারুন সময় ছিল তখন। তবে আমি কাঁদার মধ্যে নামতে একটু ভয় লাগে। শীতের সময় এমনিতেই কাদা সত্যি আমার কাছে বেশ ভয়াবহ। তবে ছোটবেলায় আমি নাকি অনেক দুষ্টু ছিলাম যেখানে সেখানে মাছ ধরতে চলে যেতাম এখন শুনি কিন্তু সেই কথাগুলো যদি মনে হয় বেশ হাসি পায়। আমাদের সমাজের একজন বড় মানুষ ছিল তিনি আমাদের যেভাবে কাজের ইন্সট্রাকশন দিত ঠিক সেভাবেই সকল ছেলেমেয়েরা কাজ করত। আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন পুকুরের বাউরির উপরে দাঁড়িয়ে তিনি সকলের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলেছিল সেগুলো সকলে মনোযোগ সহকারে শুনছিল এবং পুকুর থেকে মাছগুলো ধরে নিয়ে আসছিল।
এবার আমি আবারো আপনাদের মাঝে চমৎকার দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে আমি এই ছবিগুলো তুলেছিলাম বিকেল বেলায় যখন মাছ ধরার শুরু হয়েছিল তখন। পুকুর থেকে আমরা প্রায় ৮ থেকে ১০ মণ মাছ পেয়েছিলাম। সেই মাছ আমাদের গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে পৌঁছে দিতে হবে এমনটাই কথা ছিল। কিন্তু আমাদের গ্রামের সকল মানুষ মাছ নেওয়ার জন্য সেই পুকুর পাড়ে চলে এসেছিল মাছ ধরার শেষে আমরা সেখানে আমাদের গ্রামের মন্ডলের কথা অনুযায়ী ভাগ করা শুরু করেছিলাম। সেখান থেকে মাছগুলো ভাগ করা শেষে সবাই মাছগুলো নিয়ে নিয়েছিল প্রায় প্রত্যেকের ভাগে প্রায় তিন থেকে চার কেজি মাছ পেয়েছিল। তবে গ্রামের যদি এরকম একটা বড় আয়োজন থাকে সত্যি গ্রামের সকলে একসাথে বেশ আনন্দ হয়। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/kibreay001/status/1942894236892045402?t=AJvy-flfmi2REzcY4i2D-g&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1942779222155551121?t=AJvy-flfmi2REzcY4i2D-g&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1942894513233735982?t=AJvy-flfmi2REzcY4i2D-g&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1942895030508704161?t=AJvy-flfmi2REzcY4i2D-g&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1942895957202317639?t=AJvy-flfmi2REzcY4i2D-g&s=19
x-promotion
🎉 Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem ecosystem.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5
এরকম পুকুরের মাছ ধরা দেখতে আমার কাছেও ভীষণ ভালো লাগে। ছোটবেলায় নিজেদের পুকুরেও এভাবে মাছ ধরতাম আমরা। এই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল আপনার পোস্ট দেখে। ওই দিনগুলো মনে পড়লে ভীষণ ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন। পুকুর দেখেই বোঝা যাচ্ছে ভালো মাছ পেয়েছে মনে হয়। এত সুন্দর পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ।