লাইফ স্টাইল // মামা ভাগ্নে খাওয়া দাওয়া কিছু মুহূর্ত

in আমার বাংলা ব্লগlast year

হ্যালো.........!!
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৮-০৩-২০২৫)

IMG_20250212_123711.jpg

আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি লাইফ স্টাইল // মামা ভাগ্নে খাওয়া দাওয়া কিছু মুহূর্ত। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আজকে আমাদের গ্রাম থেকে একজন ছেলে সিঙ্গাপুর এসেছে আসলে মূলত তাকে দিয়ে কিছু জিনিস নিয়ে আনিয়েছিলাম বাড়ি থেকে। তাই সকাল ভোর বেলায় সেহরি খেয়ে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে আমি রওনা দিয়েছিলাম জিনিসগুলো গ্রহণ করার জন্য। যেহেতু তাকে সিঙ্গাপুর এয়ারপোর্টে নামার পরেই তিন দিনের জন্য কোয়ানটাইন রাখা হবে তাই আমি আমার জিনিসগুলো সেখান থেকে নিয়ে আনতে গিয়েছিলাম। সেখানে যেতে প্রায় এক ঘন্টা সময় লেগেছিল সব মিলিয়ে সেখান থেকে আবারো রুমে এসে গোসল শেষ করে আপনাদের মাঝে পোস্ট লেখার জন্য বসে গেলাম। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক..........

IMG_20250212_123854.jpg

IMG_20250212_123842.jpg

আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি খুবই চমৎকারভাবে আপনাদের মাঝে দুইটি ছবি আমার মোবাইলে ক্যামেরাবন্দি করে শেয়ার করেছি। গত কয়েকদিন আগে আমাদের এলাকায় একটি রেস্টুরেন্ট উদ্বোধন করা হয়েছে কিন্তু বেশ কিছুদিন আগে থেকে ভেবে রেখেছিলাম আমি এবং মোস্তাফিজুর মামা দুজন মিলে সেখানে একদিন খাওয়া-দাওয়া করতে যাব। এদিকে আমার বিদেশ যাওয়ার জন্য আবার ডেট খুব নিকটে চলে এসেছিল তাই ভাবলাম সন্ধ্যা বেলায় দুজন মিলে খেতে বের হব। তখনই আমি একটা কাজের উদ্দেশ্যে মেহেরপুরে চলে যেতে হয়। মেহেরপুর থেকে বাড়ি ফেরার পথে আমি মুস্তাফিজুর মামাকে ফোন দিয়ে বাজারে চলে আসতে বললাম। তখন আমি বাড়ি ফেরার পথে বাজারে নেমে আমি এবং মামা দুজন মিলে রেস্টুরেন্টের এর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। যেহেতু নতুন রেস্টুরেন্ট আমাদের এলাকায় হয়েছে তাই প্রথমে গিয়ে একটু ঘুরে দেখেছিলাম। সেখানে যে সকল ওয়েটার এবং সেফ নিয়োগ করা হয়েছিল সবগুলো আমাদের বাইরের জেলা থেকে নেওয়া হয়েছে। প্রথমে গিয়ে আমি তাদের সাথে বেশ কিছু সময় কথা বলেছিলাম। যেহেতু প্রথম দিকে তাই রেস্টুরেন্ট খুব ভালোভাবেই চলছিল অনেক মানুষও ছিল এবং ওয়েটার সকলের সাথে বেশ ভালো ব্যবহার করছিল সব মিলিয়ে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল।

IMG_20250212_123725.jpg

IMG_20250212_123825.jpg

আমরা দুজন মিলে রেস্টুরেন্টের বাইরে বেশ কিছু সময় ঘুরে দেখেছিলাম এবং সন্ধ্যা রাতে পুরা এলাকা লাইটিং এর দৃশ্যে দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। রেস্টুরেন্টের সামনে একটি সুইমিংপুল ছিল সব মিলিয়ে দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ দারুন লেগেছিল। এভাবে বেশ কিছু সময় ঘুরে দেখার পরে আমি এবং মামা দুজন মিলে রেস্টুরেন্টের মধ্যে গিয়ে একটি জায়গা নির্ধারণ করে বসে ছিলাম। সেখানে আমাদের টেবিলের সামনে একটি খাবারের মেনু রাখা ছিল সেখান থেকে আমরা দুজন মিলে নির্ধারণ করলাম এবং তখনই বিব তেহেরি অর্ডার করলাম। আমরা সেখানে বসে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট দুজন গল্পে আড্ডায় মেতে উঠেছিলাম তার কিছু সময় পরে আমাদের সামনে খাবার নিয়ে এসে রেখে গিয়েছিল। তারপরে আমরা দুজন মিলে সেখানে বেশ দারুণভাবে মজা করে খাওয়া দাওয়া শুরু করেছিলাম। আসলে দেশে যখন ছিলাম তখন মামাদের সাথে আমার সর্বশেষ খাওয়া দাওয়া এটাই। আসলে দেশের স্মৃতিগুলো এখন মোবাইলের ছবিগুলো দেখলে সত্যি বেশ মনে পড়ে সেই সুন্দর সময়ের কথা। আশা করি আবারও হয়তো এই দিনগুলো ফিরে পাবো।

IMG_20250212_123748.jpg

IMG_20250212_124128.jpg

সবার শেষে আবারো আমি আপনাদের মাঝে খুবই চমৎকারভাবে আমার মোবাইলে দুইটি ছবি ক্যামেরা বন্দি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে সব মিলিয়ে খাওয়া-দাওয়ার মুহূর্তগুলো ছিল অপরূপ সুন্দর। আমরা খাবারগুলো সামনে রেখে বিভিন্ন ধরনের গল্পে আড্ডায় মেতে উঠেছিলাম। তারপরে আমি আমার মোবাইল ফোন বের করে বেশ কিছু ছবি তুলে রেখেছিলাম ভেবেছিলাম হয়তো আপনাদের মাঝে কোন একদিন শেয়ার করব। তাই খুব দ্রুত চলে আসলাম আপনাদের মাঝে ছবিগুলো শেয়ার করার জন্য। আসলে এই ছবিগুলো দেখে নিজের পুরনো দিনের অতীত স্মৃতিগুলোর কথা মনে পড়ে তখন সত্যি একটু খারাপ লাগে। তবে কিছু করার নাই সবাই পরিচিতির সাথে শিকার বাস্তবতা নিজেকে অনেক দূর নিয়ে এসেছে। আশা করি আজকের লেখা পোস্ট আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।

✨💞আমার নিজের পরিচয়💞✨

IMG_20240213_153009.jpg

আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।

(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )

banner-abb3.png

Logo.png

7258xSVeJbKkzXhyseBP4PYz11eBDT8sW2oR1a4vfVFS6JTrGU8e1FPUaNdHG5vjXyg2xthV78bDEmEVvKCQpyzX1kq8gAVzGsPp9GqJVRWxb6T9y35PZmQehnLjELdKKmnhdxQjDuny4.png

Banner.png

1000061548.png


VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

✨💞আমার লেখা পোস্টটি সকলকে ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ💞✨

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 last year 
1000090702.jpg1000090701.jpg1000090700.jpg1000090699.jpg
 last year 

মামা ভাগ্নে মিলে দেখছি বেশ ভালোই খাওয়া দাওয়া করেছিলেন। আপনাদের খাওয়া দাওয়া করার পুরো মুহূর্তটা খুবই সুন্দর ছিল। খাওয়া দাওয়া করার সময় বেশ কিছু ফটোগ্রাফিও করেছিলেন। খাবার অর্ডার করার পর দেখছি বেশ ভালোই আড্ডা দিয়েছেন। আড্ডা দিতে দিতে আপনাদের খাবারও চলে এসেছিল। বেশ জমিয়ে খেয়েছেন বুঝতেই পারছি।

 last year 

ঠিক বলেছেন আপু আসলে মামা ভাগ্নে সত্যিই বেশি দারুনভাবে জমিয়ে আড্ডা দিয়েছিলাম এবং খাওয়া দাওয়া করেছিলাম।

 last year 

আমাদের বাঙ্গালীদের স্বভাবই হলো যেখানেই যাই তুমুল আড্ডা মারি। আপনারা মামা-ভাগ্নে মিলে রেস্টুরেন্টে গিয়ে জমিয়ে খাওয়া দাওয়া করেছেন সাথে মনে হচ্ছে প্রচুর গল্প করেছেন। সমস্তটা পড়ে খুবই ভালো লাগলো তবে একটা বিষয় জানার খুব ইচ্ছে হচ্ছে সিঙ্গাপুরে কেউ গেলে প্রত্যেককেই কি তিন দিনের কোয়ারেন্টাইন থাকতে হচ্ছে নাকি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে?

 last year 

আসলে আপু টুরিস্ট ভিসায় আসলে কোন কোয়ারেন্টাইন থাকা লাগবে না কিন্তু আপনি যদি কাজের উদ্দেশ্যে বা এখানে পার্মানেন্টলি থাকার উদ্দেশ্যে আসেন তাহলে কোয়ারেন্টাইন থাকা লাগবে।

 last year 

করোনা ভাইরাস চলে গিয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেই আতঙ্ক এখনও মানুষের মনের মধ্যে রয়ে গিয়েছে। তাইতো এখনও ক্ষেত্রবিশেষে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। যাইহোক আপনি এবং মুস্তাফিজুর ভাই খাওয়া দাওয়া করে এবং আড্ডা দিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন। পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 last year 

অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই আপনার মূল্যবান গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.080
BTC 63154.19
ETH 1702.27
USDT 1.00
SBD 0.38