ফুটবল খেলা দেখার সামান্য অনুভূতি।
দিন টি ছিল শুক্রবার অর্থাৎ যে দিন আমি বগুড়া থেকে বাড়িতে চলে এসেছি সেই দিনের কথা। বাড়িতে আসার পর জানতে পারলাম চরগিরিশ হাই স্কুল মাঠে ফুটবল খেলা আছে।
সেই খেলা শুধুমাত্র এমনি এমনি খেলা নয়! বরং ক্লাবের খেলা। এই ফুটবল খেলায় বিভিন্ন ক্লাব থেকে এসেছে অংশগ্রহণ করার জন্য। প্রত্যেক বছরই ২-১ বার করে ক্লাবের খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
তবে এই খেলা গুলো আমাকে সত্যিই অনেক আনন্দ দেয়। আচ্ছা যাই হোক, বিকেলবেলা আসরের নামাজের আগেই চলে গেলাম মাঠের উদ্দেশ্যে খেলাধুলা দেখার জন্য। সাথে ছিল বাবু ভাই।
দুজন হাঁটতে হাঁটতে গেলাম সেই খেলাধুলা দেখার জন্য। যাওয়ার পর নৌকার উপর বসে রয়েছি। মোবাইলে বন্ধু বান্ধবের সাথে কথা বললাম। দেখাও হয়েছে অনেকের সাথে।
যেহেতু খেলা ধুলা শুরু হয়নি তাই এখানে বসে আছি। বেশ কিছু সময় বাবু ভাইয়ের সাথে গল্প করলাম এবং বন্ধুদের সাথে মোবাইলে কথা বললাম। একটু পরেই রেফারির বাঁশির আওয়াজ শুনতে পেলাম।
তাই চলে গেলাম মাঠের দিকে। গিয়ে দেখি পর্যাপ্ত মানুষ চতুর্দিক দিয়ে ঘ্রাও করে বসে রয়েছে খেলা দেখার জন্য। সেখানে যাওয়ার পর জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না অনেক কষ্ট করে খেলা দেখতে হচ্ছে।
বাবু ভাই নিশান কে বলল, নিশান একটি ব্রেনস বাহির করে নিয়ে আসো বসে খেলা দেখি ভালো লাগবে। আমি এবং নিশান একটি ব্রিজ বাহির করে নিয়ে আসলাম এবং সামনে যারা দর্শক রয়েছিল তাদেরকে বললাম আপনারা একটু দাঁড়ান।
এরপর রেঞ্জ ভালোভাবে বসিয়ে নেওয়ার পর দুটি সিট হয়ে গেল। যাদেরকে দাঁড়াতে বললাম তাদেরকে একটি ক্সিটে বসতে দিলাম আর উপরে আমরাও একটি সিটে বসে পড়লাম। এতে করে দুটি স্তর হয়ে গেল খেলা দেখার জন্য অর্থাৎ জায়গা।
খেলা ছিল গাজীপুর এবং মাজনা বাড়ি। দুটি দল বেশ চমৎকার খেলতে শুরু করল। এখানে অত্যন্ত ভালো খেলা সম্ভব নয় কেননা মাঠ একদম ছোট। একজন ভালো প্লেয়ার তার গুনাগুন এই মাঠে ফুটবল খেলা থেকে বোঝা বড় দায়! এত ছোট্ট মাঠে কখনো খেলা ভালো হয় না। তারপরও যথেষ্ট হয়েছিল।
টান টান উত্তেজনা প্লেয়ারদের মধ্যে এবং যারা দর্শক রয়েছে তাদেরও। আমার এমন অবস্থা হয়ে যায় যখন আমি ফুটবল খেলা দেখতে শুরু করি তখন মনে হচ্ছে যে আমি আমার পা দিয়ে ফুটবল কিক করতেছি।
এমনও হয়ে যায় পা উঠে যায় অর্থাৎ কিক করতেছি এমন অবস্থায় চলে যায়। হা হা হা। যদিও বিষয়টি হাসি পায় আমার নিজের কাছেই। তারপরেও যখন খেলাধুলার দিকে মনোযোগ থাকে, তখন এমন একটি উত্তেজনা পূর্ণ আকর্ষণ চলে আসে খেলাধুলার দিকে মনে হচ্ছে আমি খেলাধুলা করতেছি।
প্রথম অবস্থায় যে গোলটি হয়েছে নাটুয়ার পাড়ার ফুটবলার এর পা দিয়ে তা অত্যন্ত চমৎকার। বলরক্ষক কল্পনাও করতে পারেনি এমন অবস্থায় গোল হয়ে যাবে।
যখন একটি গোল বিপক্ষ দল কে দিয়েছে, তখন তারা আর মাঠের মধ্যে মনোযোগ দিয়ে খেলছে না। শুধুমাত্র সময় নষ্ট করার চেষ্টা করছে দেখতে পেলাম। কিন্তু এটা মোটেও ঠিক নয়।
কিছুক্ষণ পর নাটুয়ার পাড়া ফুটবল টিমকে একটি গোল পরিশোধ করে দিল। এর এরপর থেকে আর কেউ সময় নষ্ট করছে না। দুটি দল তাদের নিজস্ব
গতিতে ফুটবল খেলা চালিয়ে যাচ্ছে।
পরবর্তীতে নাটুয়ার পাড়া ফুটবল টিম আরো একটি গোল দেওয়ায় তারা বিজয় লাভ করে অর্থাৎ পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে যায়। একদম শেষ মুহূর্তে গোল হয়ে যাওয়ার কারণে বিপক্ষ দল আক্রমণ করতে পারেনি ভালোভাবে।
আজকের মত এ পর্যন্তই। দেখা হবে ভিন্ন কোন লেখা নিয়ে সে পর্যন্ত সাথেই থাকুন। ভালো থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।
আপনি বেশ কয়েকদিন পর বগুড়া থেকে নিজের বাড়িতে এসেছেন এবং এসেই ভালো একটি দিন উদযাপন করেছেন আপনাদের এলাকায় ফুটবল ম্যাচটি দেখে।
আসলে খেলাধুলা দেখা একটি আনন্দের বিষয় সেটা যে কোন খেলা হোক না কেন বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চল গুলোতে ফুটবল খেলা নিয়ে একটি অন্যরকম দিন উদযাপন করা হয়।
খেলার ২/১ দিন আগ থেকেই মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয় এবং সেই খেলাগুলো দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন আসেন।
আপনার পোস্টে আপনি একটি কথা উল্লেখ করেছেন যে নাটুয়ার পাড়ার টিমটি প্রথমে একটি গোল করার পরে তারা অলস ভাবে খেলতে ছিল বা সময় নষ্ট করতে ছিল যা মোটেও উচিত নয়। এতে তাদের টিম হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল সৌভাগ্যবশত পরবর্তীতে আরো একটি গোল করতে পেরেছে তাই তারা বিজয় অর্জন করে নিয়েছেন।
শুক্রবার দিনটা আপনি ভালোভাবে উদযাপন করেছেন ফুটবল ম্যাচটি দেখার মধ্য দিয়ে এবং তা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন এজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ এইটা অবশ্য সঠিক কথাই বলেছেন যে গ্রাম অঞ্চলে যখন খেলাধুলার আয়োজন হয় তখন মাইকিং এর মাধ্যমে বলে দেয়া হয় অনেক দূর দূরান্ত থেকেও মানুষজন দেখতে আসে।
বেশ কিছুদিন আগে আমাদের এখানেও ক্লাবের একটা ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে পুরস্কার হিসেবে একটা ফ্রিজ এবং একটা টিভির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যেটা দেখার জন্য আমার বড় ছেলে এবং আমার ছোট ছেলে গিয়েছিল। বাড়ি থেকে একটু দূরেই,,, তাই তারা তাদের ফুফাতো ভাইয়ের সাথে খেলা দেখতে গেছে।
আপনি আজকে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়েছেন।সেটা একটা ক্লাবের খেলা ছিল। সেটাও আপনি আপনার পোস্টের উল্লেখ করেছেন। যাইহোক অবশেষে নাটুয়ার পাড়া,,, একটি গোল বেশি দেয়ার কারণে তারা বিজয় লাভ করে।
যারা বিজয় লাভ করেছে,, তাদের জন্য অনেক অনেক অভিনন্দন। আপনি খেলা দেখেছেন খেলা উপভোগ করেছেন। সেই আনন্দঘন মুহূর্তটা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। সেজন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ,, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল। ভালো থাকবেন।
ফুটবল খেলা পছন্দ করে না এমন খুবই দুষ্কর। আরো বেশি আনন্দে খেলা দেখতে চায় ছোট বাচ্চারা, বড়রা তো আছেই। ধন্যবাদ জানাই আমার লেখাটি অধ্যায়ন করার জন্য।
শেষ বিকেলে ফুটবল খেলা দেখার আনন্দটাই অন্যরকম আপনার লেখাগুলো পড়েছিলাম আর অনুভব করেছিলাম যে আমি নিজেই দেখতে পাচ্ছি কার কাছে কিভাবে বল যাচ্ছে কোন দল এখন গোলের মুখে গোল দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আর কোন দল ডিফেন্স করার জন্য প্রস্তুত। তো যাই হোক নাটুয়ার পাড়া ফুটবল টিম প্রথম থেকে ভালই খেলছিল এবং শেষ পর্যায়ে একটি গোল দেওয়ার কারণে বিপক্ষ দল আর সেই সুযোগ পাই নাই। আসলে ফুটবল খেলা গোল বলের খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বোঝাই যায় না কারা জিতবে। ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ অনেকদিন পরে ফুটবল খেলা নিয়ে লেখা একটি আর্টিকেল পড়ার সুযোগ পেলাম আপনার মাধ্যমে।
গুল গুটি খুবই সেনসিটিভ যে পর্যন্ত শেষ না হয় সম্ভাবনা থেকে যায়। যাই হোক সুন্দর একটি মন্তব্য উপস্থাপনের জন্য ধন্যবাদ।
https://twitter.com/Md_Jakaria121/status/1690780855441211392?t=vKrx5ZPPhVV_yYkd9MLcZg&s=19

ফুটবল খেলা অনেক পরিশ্রমের কাজ । যাইহোক জাকারিয়া ভাই আপনি তো দর্শক হিসেবে আসছেন । কিন্তু খেলার চেয়ে দর্শক ,,,হয়ে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার অনুভূতি অন্যরকম । যাহা আপনার মাঝে বিরাজমান হয়েছে ।
গ্যালারিতে বসে খেলা দেখা অনেক অনুভূতি এবং উত্তেজনা পূর্ণ আকর্ষণ সৃষ্টি হয় খেলা দেখার মাধ্যমে। যদিও অনেক পরিশ্রম তবে এটা স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট ভালো। এখানে পরিশ্রম বা স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে কেউ খেলাধুলা করে না বরং এটা একটা ভালোলাগা পেশা, মোটকথা এটা একটা ভালোবাসার জায়গা আমার মতে।
খেলাধুলায় যেমন একটা পরিশ্রমের কাজ এবং শারীরিক দিক থেকে ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর এর জন্য অনেক উপকার ।আমার মত খেলাধুলা অনেক ভালো কাজ ।
হুম অবশ্যই।
ফুটবল খেলার নাম শুনলে ই খেলতে ইচ্ছে করে, মনে হয় এখনই মাঠে নেমে যায় খেলার জন্য। আপনি এমন একটি খেলার নাম বলেছেন যেটি আমার সবচাইতে বেশি পছন্দনীয়।
আপনি হঠাৎ করে বাসায় যান আর তখনই শুনতে পারেন ফুটবল খেলার কথা। আপনি শুনে সঙ্গে সঙ্গে খেলা দেখার জন্য আপনার বন্ধুর সাথে চলে যান শুনে অনেক ভালো লাগলো। মনে হচ্ছে আপনি নদী পার হয়ে খেলা দেখতে গেছিলেন।
এত সুন্দর একটি খেলা নিয়ে পোস্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে ফুটবল খেলা দেখার অনুভূতি ভিন্নরকম, তাই খেলা দেখতে যাওয়া এটা অত্যন্ত আনন্দময় বিশেষ করে সবার সাথে একত্রে দেখা। ধন্যবাদ জানাই সুন্দর একটি মন্তব্য তুলে ধরার জন্য