ভিন্ন প্রকৃতির উপলব্ধির কথা || Original Photography by @hafizullah
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশা করছি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও ভালো আছি এবং সুস্থ আছি। প্রকৃতি ও পরিবেশ দুটোর মাঝেও নিজেকে সতেজ ও সুন্দর রাখার চেষ্টা করছি। প্রকৃতি ও পরিবেশের কথা এই জন্য বললাম, ইদানিং একটা বিষয় বেশ গভীরভাবে লক্ষ্য করেছি, আর সেটা হলো প্রকৃতি তার অবস্থান বেশ পরিবর্তন করে নিয়েছে। আপনারা লক্ষ্য করেছেন কিনা সেটা জানি না, তবে আমি বেশ লক্ষ্য করেছি। দিনের শুরুতে প্রকৃতি বেশ শীতল এবং মেঘলা থাকছে, হালকা বৃষ্টিপাতও হচ্ছে।
কিন্তু তারপর দিনের আলো বাড়তে থাকার সাথে সাথে সেটাও পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে এবং দুপুরে রোদের উত্তাপের সাথে ভীষণ ভ্যাপসা গরম পড়ছে। এটা আগে ছিলো না, প্রকৃতির এমন পরিবর্তন অবশ্যই সুখকর কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে না বরং আমাদের হয়তো নতুন করে সতর্কতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। আমরা হয়তো সেটা বুঝতে পারছি না কিংবা এর গভীরে গিয়ে তার সমাধাণ করার আগ্রহ দেখাচ্ছি না কিন্তু আদতে সেটা ভবিষ্যতে আমাদের বেশ ভোগাবে সেটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
এমনিতে আমার কাছে সকালের প্রকৃতিটা ভীষণ ভালো লাগে, সুযোগ পেলেই সুন্দর পরিবেশে কিছুটা সময় সবজি বাগানে খালি পায়ে হাঁটার চেষ্টা করি, তখন শরীরটা আরো একটু বেশী শীতল হয়ে উঠে। সকালের প্রকৃতির মাঝে আমাদের জন্য রয়েছে অসংখ্য নেয়ামত কিন্তু দুঃখজনক হলেও এটা সত্য যে, আমরা সকালের প্রকৃতি দেখার সুযোগই পাই না। বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশই ঘুম হতে উঠতে উঠতে সকালের প্রকৃতি গড়িয়ে দুপুরের প্রকৃতিতে চলে আসে। কারণ সবাই রাতে দেরীতে ঘুমাতে যায়।
যার ফলশ্রুতিতে সকালে কেউ ঘুম হতে উঠতে পারে না, অথচ আমাদের সকালটা ছিলো কত সুন্দর ও নির্মল। মানে আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন ফজর নামাজের পর পরই ঘুম হতে উঠতে হতো, তারপর মক্তবে যেতে হতো। এটা ছিলো খুবই কমন একটা বিষয়, কারণ সকালের মক্তবের শিক্ষাটা তখন সমাজের প্রায় সকলের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো এবং বাড়ির সবাই সেই বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন থাকতেন। যার কারণে ফাঁকি দেয়ার খুব একটা সুযোগ ছিলো না আমাদের সময়। আর সেই কারণে রাতে দ্রুত ঘুমিয়ে যেতে হতো, পরিবার হতে একটা চাপও থাকতো দ্রুত ঘুমানোর জন্য।
কিন্তু এখন? সময় পরিবর্তন হয়েছে, প্রকৃতি ও পরিবেশ পরিবর্তন হয়ে গেছে, সুতরাং আমরা কেন পরিবর্তন হবো না? তাদের সাথে সাথে আমরাও পরিবর্তন হয়ে গেছি? না একদমই সেটা সত্য নয় বরং আমাদের পরিবর্তন এর কারণেই চারপাশের সবকিছু এভাবে পরিবর্তন হতে বাধ্য হয়েছে। আমরা অসতর্ক হয়ে গেছি, প্রকৃতি ও পরিবেশের প্রতি দায়িত্বহীন হয়ে গেছি, যার কারণেই আজকের এই ভিন্ন দৃশ্য এবং ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সচেতনতার সাথে দায়িত্বশীল হওয়ার মানসিকতা তৈরী হোক আমাদের মাঝে।
তারিখঃ জুন ১৩, ২০২৫ইং।
লোকেশনঃ মানিকগঞ্জ, ঢাকা।
ক্যামেরাঃ রেডমি-৯ স্মার্টফোন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
@hafizullah
আমি মোঃ হাফিজ উল্লাহ, চাকুরীজীবী। বাংলাদেশী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি। বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লালন করি। ব্যক্তি স্বাধীনতাকে সমর্থন করি, তবে সর্বদা নিজেকে ব্যতিক্রমধর্মী হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করি। পড়তে, শুনতে এবং লিখতে ভালোবাসি। নিজের মত প্রকাশের এবং অন্যের মতামতকে মূল্যায়নের চেষ্টা করি। ব্যক্তি হিসেবে অলস এবং ভ্রমন প্রিয়।
|| আমার বাংলা ব্লগ-শুরু করো বাংলা দিয়ে ||


>>>>>|| এখানে ক্লিক করো ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য ||<<<<<

Posted using SteemX
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
Support @Bangla.Witness by Casting your witness vote
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.