"কৃষ্ণসায়র উৎসব ফুলমেলায় যাওয়ার অনুভূতি"
নমস্কার
কৃষ্ণসায়র উৎসব ফুলমেলায় যাওয়ার অনুভূতি:
কয়েক দিন আগে থেকেই শুনেছিলাম যে, কৃষ্ণসায়র উৎসব হচ্ছে বর্ধমানে বড় করে।কিন্তু ঠিক কোথায় সেটা জানা ছিল না।মূলত এই কৃষ্ণসায়রটি একটি পার্ক, এই পার্কের চারিপাশে সবুজ গাছের নিরিবিলি একটি পরিবেশ।এছাড়া মাঝবরাবর অংশে রয়েছে ইয়া বড় একটি ঝিল।যেখানে বিভিন্ন জোড়া পাখিরা বোটে করে ঘুরে বেড়াচ্ছে টাকা দিয়ে।জোড়া পাখি বলতে নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন, এছাড়া চারিপাশে গাছের নিচে দখল করেও তাদের আনাগোনা।তো সেদিন ইউনিভার্সিটিতে যেতেই শুনলাম এই পার্কটি বেশি একটা দূরে নয়।তাই আমাদের ক্লাসের কয়েকজন মিলে যাওয়ার পরিকল্পনা করলাম।
প্রথমে আমি আপত্তি করলেও সকলের আবদারে বেরিয়েই পড়লাম একটি ক্লাস ফাঁকি দিয়ে।আসলে ওইদিন আমাদের ক্লাসের অনেকেই গিয়েছিল কিন্তু তারা পায়ে হেঁটে গিয়েছিল।কিন্তু আমাদের এক বান্ধবীর পায়ে একটু সমস্যা বোধ করার ফলে সবাই মিলে টোটো ধরে নিলাম।যে সোজা পথ দিয়ে টোটো নিয়ে যাবে সেই পথ পুরোপুরি বন্ধ করা রয়েছে।কারন ওই পথের রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে।তাই বাধ্য হয়ে টোটোওয়ালা একটুখানি রাস্তার পরিবর্তে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে এলো অন্য একটি রাস্তা দিয়ে পার্কের একেবারেই সামনে।সামনের গেট দিয়ে গেলে টিকিট কাটতে হবে তাই আমাদের এক বন্ধু সকলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে টিকিট কেটে নিয়ে আসলো।তারপর সবাই মিলে প্রবেশ করলাম পার্কের মধ্যে, আমি তো প্রথম থেকেই ফটোগ্রাফি করলাম।মেলা কিংবা উৎসবে ঘুরতে যাবো অথচ ছবি তুলবো না তাই কি হয়!
সবাই মিলে ছবি তুলেই ঘোরাঘুরি শুরু করে দিলাম, তবে বাকি একজন প্রাকৃতিক কিছু ছবি তুললেও এইরকম মেলার ছবি কেউ-ই তোলে নি।বরং নিজের ছবি তুলতেই সবাই ব্যস্ত, আমি অবশ্য ছবি তোলার জন্য বারে বারে দল-ছাড়া হয়ে যাচ্ছিলাম।সব জায়গায় বেশ চীনা বাদামের দোকান বসেছিলো।তবে মেলায় বসা অধিকাংশ দোকান বন্ধ ছিল আর খোলা থাকলেও মালিক ছিল না সেখানে।এছাড়া অনেক ভিড় কম ছিল বলে ঘুরে ঘুরে আমাদের দেখতেও সুবিধা হয়েছে।বিশেষ করে আমি মনের সুখে ফটোগ্রাফি করতে পেরেছিলাম।যেগুলো সবই পরবর্তীতে শেয়ার করবো ধাপে ধাপে আপনাদের সঙ্গে।
মেলায় ঘুরতে ঘুরতে আমাদের ক্লাসের কয়েক জনের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল, তারা অবশ্য এখানে হেঁটে এসেছিলো।তাছাড়া তাদের টিকিট কাটতেও হয়নি।তবে এটার কারন জিজ্ঞাসা করলে জানতে পারলাম,যারা আমরা নতুন ভর্তি হয়েছি বর্ধমান ইউনিভার্সিটিতে তাদের ভর্তির পেমেন্ট রশিদ দেখালেই টিকিট কাটতে হচ্ছে না।বাকিদের ইউনিভার্সিটির কার্ড দেখালেই হচ্ছে কিন্তু আমরা এখনো কার্ড হাতে পায়নি।তাছাড়া যেহেতু এই বড় মেলাটি আমাদের বর্ধমান ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগেও পরিচালিত হচ্ছে তাই এই ব্যবস্থা।তো আজ এই পর্যন্ত-ই।
পোষ্ট বিবরণ:
| শ্রেণী | জেনারেল রাইটিং |
|---|---|
| ডিভাইস | poco m2 |
| অভিবাদন্তে | @green015 |
| লোকেশন | বর্ধমান |
| আমার পরিচয় |
|---|
টুইটার লিংক
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
টাস্ক প্রুফ:
ভার্সিটির কার্ড হাতে না পাওয়ায় বড্ড একটি সুযোগ মিস হয়ে গেছে আপনাদের। আর এরকম অধিকাংশ পার্ক গুলোতে ঐ যে জোড়া পাখিদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যায়। এগুলো জায়গায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার মতো পরিবেশ থাকে না। যাই হোক তারপরেও ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ক্লাসমেটদের সাথে বর্ধমানের কৃষ্ণসায়র পার্কে গিয়ে সেখানে বান্ধবীদের সাথে ভালোই সময় উপভোগ করেছেন। তার অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিকই বলেছেন, তবে এখানে যেহেতু বিরাট বড় এরিয়া নিয়ে ঝিলের পাড় ছিল সেহেতু অনেক ঘোরাঘুরির পরিবেশ ছিল পরিবারকে নিয়ে।তাছাড়া এই পার্কের পরিবেশ ভালোই,ধন্যবাদ আপনাকে।