ভ্রমন:-চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক এ কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত (পর্ব১)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বেশ কিছুদিন আগে আমি চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে গিয়েছিলাম সেখানকার কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
ঘোরাঘুরি করতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে। যখনই সুযোগ হয় তখনই চেষ্টা করি বাইরে ভ্রমন করার। ঘোরাঘুরি করলে মনে অনেক ভালো থাকে ফ্রেশ থাকে এবং অনেক জ্ঞান অর্জন করা যায় বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করার মাধ্যমে। গতমাসে আমি গিয়েছিলাম চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে। ডিসি পার্ক অনেক সুন্দর তবে প্রতিবছর শীতকালেই পার্কে একটা মেলা হয়। সেই মেলাটি হচ্ছে ফুলের মেলা। এই শীতকালে আমাদেরও বাংলা ব্লগে একটা প্রতিযোগিতা দেওয়া হয়েছিল ফুলের প্রতিযোগিতা। ওই পার্কে যখন গিয়েছিলাম তার কয়েকদিন পরেই এই প্রতিযোগিতা দেওয়া হয়েছিল। আমিও পার্ক থেকে সব ধরনের শীতকালের ফুলের ফটোগ্রাফি করে নিয়ে এসেছিলাম। এদিকে ভ্রমণ হলো আর প্রতিযোগিতায় জয়েন করা হয়ে গেল।
আসলে সেখানে হাজার হাজার রকমের শীতকালীন ফুল ছিল যেগুলো শুধু শীতকালে ফোটে। শীতকালীন এই ফুলের মেলাটা ছিল এক মাস ব্যাপী। একমাস এই ফুলগুলো ছিল সব জায়গায় শুধু ফুল আর ফুল। চারদিকে ফুলের সৌরভ এত সুন্দর সুন্দর ফুল দেখে সেখানে গিয়ে মন ভালো হয়ে গিয়ে। সেখানে যাওয়ার জন্য সকাল আটটায় আমরা বেরিয়েছি। আর আমরা সেখানে গিয়ে পৌঁছলাম বারোটার করে। পার্কে ঢুকতেই কয়েকটি টিকেট লাগল সবার জন্য। আমরা টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকে গেলাম। ভেতরে ঢুকতেই একটা গাছের মধ্যে খুবই সুন্দর করে ওয়েলকাম লেখা আর চারপাশে শুধু ফুল আর ফুল। এত ফুল দেখে মনে হল আজকে যেন ফুলের রাজ্যে হারিয়ে গিয়েছি। প্রথমবার আমি এত এত ফুল একসাথে দেখতে পেলাম। যদিও এর আগেও একবার আমরা ডিসি পার্কে গিয়েছিলাম তখন সেখানে পার্কের কাজ চলছিল। তখন এত ফুল ছিল না।
সেখানে ফুলের পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের জিনিস দিয়ে ডেকোরেশন করা ছিল। পার্কের মধ্যে বড় বড় দুটো দীঘি ছিল। দীঘির মধ্যেও বিভিন্ন ধরনের একটিভিটিস ছিল যেগুলো খুবই সুন্দর। এরপর আমরা ফুলের রাজ্য থেকে একটু সামনে যেতেই পড়লো খুবই সুন্দর একটা ফুলের গেইট। সেখানে ছিল হাজার রকমের পিটুনিয়া ফুল। এই ফুলের গেইট দিয়ে যেতে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। ফুলের টবের মধ্যে অনেক অনেক পিটুনিয়া ফুল বিভিন্ন কালারের দিয়ে তারা অনেকগুলো তৈরি করেছে অনেক বড় করে। সেই ফুলের গেইটে ছিল অনেক অনেক মানুষের আনাগোনা যেখানে তারা ছবি তুলছিল এবং এই সুন্দর ফুলের গেটের সৌন্দর্য উপভোগ করেছিল।
অনেক অনেক মানুষ গিয়েছিল শাড়ি পড়ে বিভিন্ন সাজসজ্জায় ফুলের সাথে ছবি তোলার জন্য। এরপর আমরাও সেখানে দাঁড়িয়ে পড়লাম এত সুন্দর একটা ফুলের গেইটের সাথে ছবি তোলার জন্য। সবাই মিলে সেখানে কিছু ছবি তুলেছিলাম। পিটুনিয়া ফুলের এই গেইট সত্যিই আমার কাছে অনেক দারুন লেগেছে। সেই ফুলের গেটে অতিক্রম করার পর দেখতে পেলাম হাজারো ফুলের সমারোহ রয়েছে ভিতরে। অনেক অনেক ধরনের ফুল একসাথে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন করে তারা রোপন করেছে। আর এই ফুলগুলো এত সুন্দর লাগছিল মিষ্টি রোদের মধ্যে যেটা দেখে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লেগেছে।
সেখানে যাওয়ার পর প্রথমে আমি সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। এত এত ফুল আগে কখনো একসাথে দেখা হয়নি। তাই প্রথমে দুচোখ ভরে দেখে নিলাম হাজারো ফুল একসাথে। শীতকালে এই মিষ্টি রোদ এর মধ্যে হালকা বাতাসে ফুলগুলো যখন দোল খাচ্ছিল তখন আমার মনটা একেবারে। সত্যি বলতে এতদূর জার্নি করে গিয়ে এই দৃশ্যটা দেখে খুবই ভালো লাগলো। মনে হল এত দূর জার্নি করে এলাম তা সার্থক হয়ে গেল। এই ছিল আমার ডিসি পার্কের আজকের কিছু মুহূর্ত এবং বাকি পর্বগুলো আমি আপনাদের মাঝে ধীরে ধীরে শেয়ার করব। আশা করছি আমার আজকের এই পোস্টটি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে অপূর্ব ফুলের মেলা হয় সেটা আমি ফেসবুকে দেখেছিলাম। হাজারো রকমের শীতকালীন ফুল দিয়ে পুরো ডিসি পার্ক সাজানো থাকে। আপনার পোস্টে কিছু ফটোগ্রাফি দেখতে পেলাম যেগুলো চমৎকার ভাবে আপনি ধারণ করেছেন। ছবিতে দেখে মনে হচ্ছে এরিয়াটা বেশ বড়। ফুল দিয়ে পুরো জায়গাটা খুব সুন্দরভাবে সাজানো। হ্যাঁ আপু, অনেকেই সেখানে ছবি তোলার জন্য শাড়ি পড়ে যাই। আপনারা সেখানে গিয়ে চমৎকার সময় কাটিয়েছেন। ফুলের মাঝে সময় কাটাতে এমনিতেই ভালো লাগে। আপনাদের আনন্দ মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।
হ্যাঁ আপু অনেক অনেক ফুল ছিল। সেখানে যেটা আসলে প্রথমবার দেখলাম একসাথে এত এত ফুল। ধন্যবাদ আপু আপনাকে আমার পোস্টটি দেখে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
https://x.com/APatwary88409/status/1888618147974189072?t=Ydp1Q060atScd_1sIemKPA&s=19
আপনারা দুইজন মিলে চট্টগ্রামের খুব সুন্দর একটি পার্ক ভ্রমণ করেছেন দেখে ভালো লাগলো আপু। পার্কে ভ্রমণ করতে আমারও অনেক ভালো লাগে। কিছুটা সময়ের জন্য উপস্থিত হতে পারলে পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় এবং অনেক ফটোগ্রাফি করতে পারা যায়। অনেক সুন্দর পার্কের ভেতরের দৃশ্য।
পার্কে ভ্রমণ করতে আপনার কাছেও ভালো লাগে জেনে খুব ভালো লাগলো আর এই পার্কে ঘুরতে যেয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম আমরা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে কাটানো দারুন একটি মুহূর্ত আপনাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। খুবই ভালো লাগলো আপনার এই ভ্রমনের পোস্টটি পড়ে। একই সাথে ডিসি পার্কের পরিবেশটি দেখতে অসাধারণ সুন্দর লাগছে। আর এরকম সুন্দর পরিবেশের সময় কাটানোর মজাই আলাদা। দারুন একটি ভ্রমণের পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনেক অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমারে ভ্রমণের পোস্টটি আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম। ধন্যবাদ সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে যাওয়ার সুন্দর মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে অনেক ভালো লাগলো। গতবারের থেকেও এবার দেখছি সবকিছু আরো বেশি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। আপনি আজকে প্রথম পর্বটা আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো। অপেক্ষায় থাকলাম পরবর্তী পর্বগুলো দেখার জন্য।
ডিসি পার্কে ঘুরতে যাওয়ার মুহূর্তগুলো আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
পার্ক টি সাজানো গোছানো ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে পার্কটি দেখতে পেরে। ঘোরাঘুরি করতে আমাদের সবারই অনেক ভালো লাগে আপু। আমিও সময় পেলে ঘুরতে বের হই। অসংখ্য ধন্যবাদ চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে ঘোরাঘুরি সুন্দর মুহূর্তের প্রথম পর্ব শেয়ার করার জন্য।
আপনিও সময় পেলে ঘোরাঘুরি করতে বের হয়ে যান জেনে খুবই ভালো লাগলো। আসলে আপনি বাইরে ঘোরাঘুরি করলে মাঝেমধ্যে মনটা খুব ভালো থাকে।