পুরাতন অ্যালবাম থেকে কিছু ফটোগ্রাফি!!
আমার বাংলা ব্লগে,সবাইকে স্বাগতম।
আমি @emon42.
বাংলাদেশ🇧🇩 থেকে
সময়ের সাথে সবকিছুই যেন বদলে যায়। বদলে যায় আমাদের লক্ষ্য আমাদের রুচি এমনকি আমাদের অভ্যাস। প্রত্যাশা এবং প্রাপ্তির মধ্যে যত বেশি ব্যবধান বাড়তে থাকে আমরা ততবেশি অসুখী হতে থাকি। আর এটার মাপকাঠি কখনোই আমরা করতে পারি না। আমাদের জীবন খুবই রহস্যময়। কখন যে কী ঘটে যায় সেটা আমরা কখনোই অনুধাবন করতে পারি না। আবার যখন সেটা বুঝতে পারি অনেক টা দেরি করে ফেলি। আজ আমি আমার পুরাতন অ্যালবাম থেকে বেশ কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে।
- গত বছরের কথা। ঐদিন আমার প্রথম সেমিষ্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়াই আমার মনটা ভালো ছিল। আমরা বেশ কয়েকজন বন্ধু চলে গেলাম হাতিরঝিল। বিকেলটা একটু অন্যভাবে কাটাতে হবে। ছুটির দিনে হাতিরঝিল জায়গাটা থাকে খুবই ব্যস্তপূর্ণ জায়গা। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম।
- শুক্রবার সকাল। সাধারণত ঐসময় ঢাকা শহর একেবারে ফাঁকা থাকে। কারণটা সাপ্তাহিক ছুটি। তবে কিছু মানুষ হাঁটতে আসে। এইরকমই শুক্রবারের এক সকালে আমি হাতিরঝিলে হাঁটছিলাম। এই সময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করেছিলাম। আরও বেশ কিছু মানুষ ছিল। তবে আমার বয়সের কেউ না। তারা সবাই হয় ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের রুগী।
- আমার ইউনিভার্সিটির ৮ তলায় লাইব্রেরি টা। কিন্তু ঐভাবে লাইব্রেরিতে কখনোই যাওয়া হয় না। তবে একদিন আমি চলে গিয়েছিলাম লাইব্রেরিতে। না আমার ডিপার্টমেন্টের বই পড়ার জন্য না। বাংলা সাহিত্য কর্ণারে গিয়ে জীবনানন্দ এর একটা বই হাতে নিয়ে পড়ছিলাম। ঐসময় এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করা।
- উপর থেকে ঢাকা শহরটা একটু অন্যরকম লাগে। বিশেষ করে আপনি যখন উচু কোন ভবন থেকে দেখবেন এটা আরও ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারবেন। দুপুরের পরে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। আমি তখন ইউনিভার্সিটি তে ছিলাম। ঐসময় আমি এই ফটোগ্রাফি টা ধারণ করি। বেশ লাগছিল পরিবেশ টা ঐসময়।
- আমার বাংলা ব্লগে প্রথম থেকেই আছি। এইজন্যই হয়তো একটা আলাদা মায়া তৈরি হয়েছে। গতবছর আমার বাংলা ব্লগের বর্ষপূর্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরষ্কার দেওয়া হয়। সৌভাগ্যক্রণে সেরা কমেন্টকারি পুরুষ বিভাগের পুরষ্কার টা আমি পেয়েছিলাম। এটা তারই ফটোগ্রাফি।
- বই অনলাইন অফলাইন বিশেষ এডিশন সব জায়গা থেকেই কিনেছি। তবে এটা ছিল আমার কাছে বিশেষ একটা মূহূর্ত। শরিফুল জামান এর রেড পয়জনজন বইটা আমি প্রি বুকিং থেকে কিনেছিলাম। এবং বই হাতে পাওয়ার পরে দেখি লেখকের অটোগ্রাফ। এটাতে বেশ অবাক হয়েছিলাম আমি ব যেকোনো পাঠকের কাছে এটা একটা বিশেষ মূহূর্ত।
সবাইকে ধন্যবাদ💖💖💖।
অনন্ত মহাকালে মোর যাএা অসীম মহাকাশের অন্তে। যারা আমাদের পাশে আছে তারা একটা সময় চলে যাবেই, এটা তাদের দোষ না। আমাদের জীবনে তাদের পার্ট ওইটুকুই। আমাদের প্রকৃত চিরশখা আমরা নিজেই, তাই নিজেই যদি নিজের বন্ধু হতে পারেন, তাহলে দেখবেন জীবন অনেক মধুর।তখন আর একা হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
আমি ইমন হোসেন। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি একজন ছাএ। তবে লেখাপড়া টা সিরিয়াসলি করি না হা হা। লেখালেখি টা বেশ পছন্দ করি। এবং আমি ফুটবল টা অনেক পছন্দ করি। আমার প্রিয় লেখক হলেন জীবনানন্দ দাস। আমি একটা জিনিস সবসময় বিশ্বাস করি মানিয়ে নিতে এবং মেনে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর।।
Daily task
https://x.com/Emon423/status/1942497211428004058?t=XgexJVPIH-kaOVur87rpFw&s=19
https://x.com/Emon423/status/1942497384392712330?t=3xfmqCdMCGjX-purQ2xkyQ&s=19
https://x.com/Emon423/status/1942497561329430695?t=ZIFMJahMTbcSlFhOKr9p9g&s=19
https://x.com/Emon423/status/1942497740812083537?t=fJaV9KpIP0HEKOnWlXYG1w&s=19
https://x.com/Emon423/status/1942497892465598477?t=paKK2fiCMm65OKSVQ2awXg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
পুরনো অ্যালবাম থেকে আপনি দারুন দারুন ফটোগ্রাফি উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া। ফটোগ্রাফি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে ভাইয়া।
আপনি তো দেখছি অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন। আপনার ফটোগ্রাফি দেখলে সবাই মুগ্ধ হবে বলে আমার মনে হচ্ছে। ফুলের ফটোগ্রাফি দেখলে আমার অনেক ভালো লাগে। পছন্দের ফুলের ফটোগ্রাফি হলে তো কোনো কথাই নেই। অনেক সুন্দর করে আপনি সবগুলো ফটোগ্রাফি করেছেন।
ওয়াও আপনি দারুন দারুন কিছু পুরাতন অ্যালবাম থেকে ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।ফটোগ্রাফি গুলো যেমন সুন্দর হয়েছে ঠিক তেমনি সুন্দর বর্ণনা উপস্থাপন করছেন।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
আমি তো মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে ছিলাম আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফির দিকে। খুব যত্ন করে তুলেছেন মনে হচ্ছে প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি। আসলে ভালো ফটোগ্রাফার না হলে এ ধরনের চমৎকার ফটোগ্রাফি করা যায় না। দারুন সব ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।