শাশুড়ির চোখে নিজের মেয়েরাই ভালো।
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। ইতিমধ্যে সবার লেখার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি উৎসাহ পেয়েছি। তেমনি আজকে আপনাদের সাথে একটি বিষয় শেয়ার করব।
আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব শাশুড়িকে নিয়ে। কারণ শাশুড়ির চোখে সব সময় তার মেয়েরা ভালো এবং প্রিয়। আর ছেলের ওয়াইফ গুলো হচ্ছে শাশুড়ি চোখে খারাপ। আমাদের পাশের ঘরে একজন মহিলা আছে। যদিও মহিলাটি আমার রিস্তা চাচী শাশুড়ি হয়। ওই মহিলাটি সবসময় ছেলেদের বউয়ের নামে বদনামি করে। যদিও মহিলাটির পাঁচটি মেয়ে এবং দুটি ছেলে আছে। আর ছেলে দুটি বিয়ে করেছেন। এবং ওই চাচী শাশুড়ির দুটো মেয়ে অলরেডি বাবার বাড়িতে থাকে। আর তিনজন স্বামীর বাড়িতে থাকে। যদিও মাসের মধ্যে ১৫ দিন তারাও বাবার বাড়িতে থাকে। এবং মহিলাটির বড় ছেলে বিয়ে করেছে প্রায় দশ বছর হয়েছে। আর ছোট ছেলে বিয়ে করেছে প্রায় দুই বছর হয়েছে।
এবং বড় ছেলের ওয়াইফের সাথে তার মেয়েগুলো সব সময় ঝগড়া করে। এবং ছেলের ওয়াইফ যতই কাজ করে ওই কাজগুলো মেয়েদের পছন্দ হয় না। এবং মেয়েদের পছন্দ না হলে তখন মায়ের ও পছন্দ হয় না। আর সামান্য কিছু নিয়ে তারা ছেলের ওয়াইফের সাথে সব সময় ঝগড়া করে। আর আমার ওই চাচী শাশুড়ি সব সময় মেয়েদেরকে সাপোর্ট করে। বলে আমার মেয়েদের মত মানুষ হয় না। তারা এতই ভদ্র এতই প্রিয় সবাই তাদেরকে ভালো পাই। শুধুমাত্র আমার ছেলের ওয়াইফের কাছে আমার মেয়েগুলো খারাপ। এবং মেয়েগুলো সব সময় ভাইয়ের ওয়াইফের পিছে লেগেই থাকে। আর সারাক্ষণ তাদের ভুল ত্রুটি ধরার জন্য চেষ্টা করে।
এবং আমার চাচী শাশুড়ি ছেলের ওয়াইফ ঘরের সব কাজ কাম করে। খাওয়ার সময় মেয়েরা গিয়ে আগে বসে খাই। আর ছেলের ওয়াইফ লাস্টে খেয়ে পাতিলা হইতে সবকিছু সাফাই করে। বিগত ছয় সাত মাস আগে বড় ছেলের ওয়াইফ ঝগড়া করে তার বাপের বাড়িতে চলে গেল। এবং বাবার বাড়িতে যাওয়ার পর থেকে মেয়ে গুলো সব সময় ভাবির নামে বদনামি করতে থাকে। আর আমার চাচী শাশুড়ি ও সব সময় ছেলের ওয়াইফের নামে বদনামি করে। যখন বড় ছেলের ওয়াইফ বাবার বাড়িতে চলে গেল। তখন থেকে তারা ছোট ছেলের ওয়াইফের সাথে ঝগড়া শুরু করে দিল। ছোট ছেলের ওয়াইফ কোন কাজ করলে তাদের পছন্দ হয় না।
এবং সকালবেলা নাস্তা কেন দেরিতে বানানো হয়। কারণ ননদের ছেলের মেয়েগুলো ঠিকমতো নাস্তা করে স্কুল মাদ্রাসা যেতে পারে না। আর রাত্রে বেলা হুকুম করে সকালবেলা তাদের জন্য কি নাস্তা বানাতে হবে। এদিকে কিছুদিন আগে ছোট ছেলের ওয়াইফও তার বাবার বাড়িতে চলে গেলেন। বলে গেলেন তার মেয়েরা যদি বাবার বাড়িতে থাকে তাহলে সেই আসবে না। কারণ তাদের চিন্তাভাবনা হচ্ছে সব সময় ঝগড়া করা। আর সারাক্ষণ পিছনে পিছনে বদনাম করে। যদিও এই কথাগুলো ছেলের ওয়াইফের হাসবেন্ড গুলো বিশ্বাস করে। তার বোনেরা ভাবিদের সাথে ঝগড়া করে। কিছুদিন আগে আমার চাচি শাশুড়ি বলতে লাগলো তার মেয়েদের মত মানুষ হয় না।
যদিও ওইখানে আমি নিজেও উপস্থিত ছিলাম। বলতে লাগলো আমার মেয়েদের মত এত ভদ্র মেয়ে আর কোথায় পাওয়া যাবে। আমার মেয়েগুলো এতই ভালো সব সময় তারা সঠিক কথা বলে। আর আমার ছেলে দুটির ওয়াইফ একদম ভালো না। এবং এই বাড়িতে যতগুলো ছেলেদের ওয়াইফ আসলো সব থেকে খারাপ আমার ঘরের বউ গুলো। আর আমার চাচী শাশুড়ি বলতে লাগলো তার মেয়েগুলো হচ্ছে সোনার টুকরা। আর আমার মেয়েগুলো যে ঘরে গেল ওই ঘরে আলোকিত করে দিল। যদিও কথাগুলো শুনে আমি মুচকি মুচকি হাসতে লাগলাম। কারণ তারাই বেশির ভাগ সময় বাবার বাড়িতে থাকে। আর এরকম কিছু মেয়ে কম বেশি সব জায়গাতে আছে। তারা কিন্তু মা বাবার কাছে খুব ভালো। আর ভাইয়ের ওয়াইফদের পিছনে সব সময় লেগেই থাকে। এই হচ্ছে শাশুড়ির চোখে মেয়েরাই ভালো। আশা করি আমার বাস্তব লেখা পোস্ট পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
🎉 Congratulations!
Your post has been manually upvoted by the SteemX Team! 🚀
SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem ecosystem.
🔗 Visit us: www.steemx.org
✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5