লাইফ স্টাইল :- হাজবেন্ডের জন্য জুতা কিনতে যাওয়ার মুহূর্ত।

in আমার বাংলা ব্লগlast year

হ্যালো বন্ধুরা

হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আমি এখন সব সময় ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট করার চেষ্টা করি। সেক্ষেত্রে লেখালেখির পোস্টগুলো লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। ইতিমধ্যে সবার লেখার পোস্ট পড়ে অনেক বেশি উৎসাহ পেয়েছি। তেমনি আজকে আপনাদের সাথে একটি বিষয় শেয়ার করব।

IMG_20250613_202929.jpg

আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব হাজবেন্ডের জন্য জুতা কিনতে যাওয়ার মুহূর্ত। কিছুদিন যাবত চিন্তা করতে লাগলাম আমার হাজবেন্ডের জন্য কিছু কেনাকাটা করব। মূলত কিছু জিনিস জরুরী হয়ে পড়ল ওই জিনিসগুলো কিনতে হবে। হাজবেন্ডের জন্য যেমন জরুরী ছিল তেমনি আমার মেয়ের জন্য জরুরী ছিল। ঐদিন আমি মূলত গেলাম হাসবেন্ড এবং মেয়ের জন্য কেনাকাটা করতে। তবে আমরা চলে গেলাম জুতা দোকানে। কারণ পায়ের এবং পছন্দের জুতা গুলো পেতে অনেক কষ্ট হয়। অনেক সময় জুতা পায়ে হয় কিন্তু পছন্দ হয় না। আবার অনেক সময় দেখা যায় জুতা পছন্দ হয় কিন্তু পায় হয় না। এর আগে আমি একবার আমার হাজবেন্ডের জন্য জুতা কিনেছিলাম।

IMG_20250613_202844.jpg

IMG_20250613_202840.jpg

যদিও আমার হাজব্যান্ড ঐদিন আমার সাথে ছিল না। আর জুতা গুলা আমি আইডিয়া করে কিনেছিলাম। পরে বাড়িতে এসে দেখলাম জুতা গুলো দুই থেকে তিন সাইজ বড়। এই কারণে এবার যাওয়ার সময় আমি আমার হাজবেন্ড কে নিয়ে গেলাম জুতা কিনতে। যদিও আমি যে কোন জুতা পছন্দ করি আমার হাজব্যান্ড ওই জুতাই ব্যবহার করে। প্রথমে যখন আমি কয়েক জোড়া জুতা দেখতে লাগলাম তখন আমার হাসবেন্ড কে জিজ্ঞেস করলাম জুতা গুলো পছন্দ হয়েছে কিনা। তখন আমার হাজব্যান্ড বলতে লাগল তোমার পছন্দ মানে আমার পছন্দ। তবে মাঝেমধ্যে একটু ভিন্নরকম জুতা কিনতে চেষ্টা করি। এবার আমি চিন্তা করলাম পাতলা এবং চামড়ার জুতা গুলো কিনব।

এরপর আমি দুই জোড়া জুতা পছন্দ করলাম। তবে যখন একজোড়া পায়ে দিল তখন ওই জোড়া একটু বড় হয়ে জুতা। পরে যখন একটু ছোট সাইজ জুতা খুঁজলাম তখন বলতে লাগলো এর থেকে ছোট জুতা আর নেই। এই কারণে পছন্দের ওই জোড়া জোড়া কিনতে পারলাম না। এরপর অন্য এক জোড়া জুতা পছন্দ করলাম। তবে এই জোড়া জুতা মোটামুটি ঠিক আছে তবে জুতার চোল গুলো অনেক পাতলা। এই কারণে এই জুতা কেনা হয়নি। এরপর আমি ওই দোকান থেকে বাইর হয়ে আরেকটি দোকানে চলে গেলাম। কারণ এক দোকানে জুতা যখন পছন্দ হবে না তখন দোকানদার চাইবে যে কোন এক জোড়া জুতা দেওয়ার জন্য।

IMG_20250613_202902.jpg

IMG_20250613_202852.jpg

কারণ তারা চিন্তা করে কাস্টমার ফেরত গেলে তাদের লস হবে। এরপর পাশের দোকানে গেলাম ওইখানে জুতা গুলো মোটামুটি ভালো মানের এবং জুতা পছন্দ হয়েছে। তবে আবার জুতা পছন্দ হলেও অনেক সময় দামে মিলে না। আর দামে না মিলে অনেক সময় জুতা কেনা যায় না। তারপর এই জোড়া জুতা পছন্দ হয়েছে। যখন দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম জুতা গুলোর দাম কত। দোকানদার বলতে লাগলো একদাম ৮০০ টাকা। তখন আমি দোকানদারকে বললাম একদম ৪০০ টাকা দেব দিলে প্যাকেট করে দেন। দোকানদার বলতে লাগল এই দামে জুতা গুলো বিক্রি করা যাবে না। কারণ এই দামে আমি এই জুতা গুলো কিনতে পারিনি।

এরপর আমি বলতে লাগলাম ৪০০ টাকা হলে দেওয়ার জন্য না হলে নেব না। তারপর যখন আমরা অন্য দোকানে যাওয়ার জন্য বাহির হলাম। তখন দোকানদার পেছন থেকে আওয়াজ দিয়ে বলতে লাগলো আর কিছু টাকা বাড়িয়ে দিলে দোকানদার জুতা গুলো দিয়ে দেবে। তখন আমি বলতে লাগলাম আর এক টাকাও বেশি দেব না। আবার দোকানদার কথা বন্ধ করে দিলেন। যখন একটু সামনে আসলাম তখন দোকানদার বলতে লাগলো আর ৫০ টাকা বাড়িয়ে দেন। এরপর আমরা বলতে লাগলাম ৪০০ টাকা হলে নেব। কারণ আমরা একসাথে দাম বলে দিলাম। দোকানদার ৪০০ টাকা এই জুতা গুলো দিয়েছে। আর দোকানদার মনে পড়ল এক দাম বললে আমরা কিনে ফেলবো। আসলে কিছু কেনাকাটা করতে গেলে দরদাম করতে হয়। এই হচ্ছে হাজবেন্ডের জন্য জুতা কিনতে যাওয়ার মুহূর্ত।

IMG_20250613_202837.jpg

IMG_20250613_204205.jpg

IMG_20250613_204150.jpg

IMG_20250613_203010.jpg

IMG_20250613_203009.jpg

IMG_20250613_202936.jpg

IMG_20250613_202913.jpg

JvFFVmatwWHRfvmtd53nmEJ94xpKydwmbSC5H5svBACH7xbS7ungTbMjNMsQ7fPnm8uUBT2bU8Azf8zCDQrq3tkzHjjCFyraxJQeY79tPTN45w8XxU9wtvaFmWRaLhgHSy5GYKQ6bg.png

IMG-20211226-WA0000.jpg

আমার নাম আকলিমা আক্তার মুনিয়া। আর আমার ইউজারনাম@bdwomen আমি বাংলাদেশে বসবাস করি। বাংলা ভাষা হল আমাদের মাতৃভাষা আর আমি মাতৃভাষা বলতে পারি বলেই অনেক গর্বিত। আমি বিভিন্ন ধরনের ছবি এবং পেইন্টিং আঁকতে খুবই পছন্দ করি। তার পাশাপাশি কবিতা আর গল্প লিখতেও আমার অনেক ভালো লাগে। আমি প্রায় সময় বিভিন্ন ধরনের পেইন্টিং এঁকে থাকি। আবার রঙিন পেপার এবং বিভিন্ন রকমের জিনিস দিয়ে নানা ধরনের কারুকাজ তৈরি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আবার নিজের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ছবি তুলতে খুবই ভালো লাগে। আমি চেষ্টা করি সব ধরনের জিনিস কখনো না কখনো একবার করে করার জন্য। আবার বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া মাথায় আসলে সেগুলো ও করার চেষ্টা করি।

35FHZ8gBpndbrF88KC8i6DmfoqNdVfSnhzJshZCJksDJs27YpCCUjp1oaP6ko3mLJbQtLE76ZKc5r3aFXKh8EK2Xg2XbxHP97436Dksrat...K3RRDcGvdyC6bx3TE39Zctd2ho1pJ1hm9nj6RC6gfhhSEVDEf6zHmiqsgBwDTEDG8onxfxrWKe5ZMmiwAvtnX6XvsCqykCT5aFqMFBq2wcdKNs74j1RgTuza3g.png

🥰 ধন্যবাদ সবাইকে 🥰

Posted using SteemX

Sort:  

Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.

 last year 

Screenshot_2025-06-29-18-56-08-583_com.twitter.android.jpg

Screenshot_2025-06-29-18-55-15-806_com.twitter.android.jpg

Screenshot_2025-06-29-18-54-17-909_com.twitter.android.jpg

Screenshot_2025-06-29-18-53-20-080_com.twitter.android.jpg

Screenshot_2025-06-29-18-01-38-926_com.twitter.android.jpg

 last year 

দরদাম না করলে ঠকে যেতেন আপু। শেষে দোকানদার ৪০০ টাকা দিয়ে জুতা দিয়েছে জেনে ভালো লাগলো। মাঝে মাঝে কেনাকাটা করতে অনেক ভালো লাগে। ভাইয়ার জন্য কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো।

🎉 Congratulations!

Your post has been manually upvoted by the SteemX Team! 🚀

SteemX is a modern, user-friendly and powerful platform built for the Steem ecosystem.

🔗 Visit us: www.steemx.org

✅ Support our work — Vote for our witness: bountyking5

banner.jpg

 last year 

বর্তমানে দোকানদাররা সব কিছুর দাম অনেক বেশি চেয়ে ফেলে। আর আমরা যদি দামাদামি না করি তাহলে বিপদে পড়ে যাই। আপনি দামাদামি করে ভালো করেছেন। তাইতো প্রাপ্য মূল্য দিয়ে জিনিস কিনতে পেরেছেন।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.083
BTC 63939.82
ETH 1732.71
USDT 1.00
SBD 0.42