কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাড়ে কিছু মুহূর্ত
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
অনেকদিন আগে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাড়ে ভ্রমণ করতে গিয়েছিলাম। আর এই ভ্রমণের মজাটা অন্যরকম ছিল। আমি আমার মামার সাথে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভ্রমন করতে গিয়েছিলাম। আর এই ফটোগ্রাফি গুলোই যেন জমা হয়ে রয়েছে। আজকে খুঁজতে খুঁজতে পুরনো সেই স্মৃতিময় ফটোগ্রাফি গুলোর কথা মনে হলো। তাই সেই পুরনো ফোল্ডারটি বের করে দেখতে পেলাম, যেখানে কক্সবাজার ভ্রমণের ফটোগ্রাফি গুলো রয়েছে। এই ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয়নি, তাই কক্সবাজার ভ্রমণের সেই স্মৃতিময় ফটোগ্রাফি গুলো আজকে শেয়ার করলাম, আশা করছি আমার ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে পেয়ে ভালো লাগবে।
বিকেলবেলা সমুদ্রের পাড়ে এসেছিলাম। এসে দেখতে পেলাম অনেক মানুষই সমুদ্রের পানিতে গোসল করছে। আর তাদের এই গোসল করার মুহূর্ত সত্যিই অসাধারণ। আসলে সমুদ্রের পানিতে গোসল করার মজাটাই অন্যরকম। আর ভ্রমণ করতে আসলেই সমুদ্রের পানিতে গোসল করে থাকি। সমুদ্র শব্দ আর এই সৌন্দর্যময় সমুদ্রের দৃশ্য দেখতে যেন ভালো লাগতেছিল। তাই আমি সেই মুহূর্তের ফটোগ্রাফি করে রেখেছিলাম।
দূর থেকে আমি সমুদ্রের পানিতে গোসল করার দৃশ্য গুলো দেখতে ছিলাম। তারপরে আমি এই গোসল করার দৃশ্য গুলো ভালোভাবে ফটোগ্রাফি করার জন্যই সমুদ্রের পানিতে নেমে পড়লাম এবং সেখানে অনেকেই সমুদ্রের পানিতো টিউব নিয়ে খেলাধুলা করতেছিল। এই টিউব নিয়ে সমুদ্রের পানিতে গোসল করার মজাটাই অন্যরকম। আসলেই টিউব ভেসে ভেসে সমুদ্রের সাথে তাল মিলিয়ে আনন্দ করা যায়।
কক্সবাজার সমুদ্রের পাড়ে সুগন্ধ পয়েন্টের পাশে খুবই সুন্দর একটি বাগান রয়েছে। আর এই গাছের বাগানের এখানে অনেক মানুষ এসে ভিড় করে।কারণ বাগানটি দূর থেকে যেমন সুন্দর লাগে বাগানের ভিতর আসলে আরো বেশি ভালো লাগে। তাই আমি বাগানের দৃশ্য দূর থেকে দেখেই ফটোগ্রাফি করেছিলাম।
তারপরে সমুদ্রের পরে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম। আর এই বসে থেকে সমুদ্রের প্রকৃতি যেন উপভোগ করতেছিলাম। সমুদ্রের পাড়ে বসে থাকার জন্য খুবই সুন্দর চেয়ারের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে বসে থেকে আনন্দের সাথে সমুদ্রের দৃশ্যগুলো উপভোগ করা যায়। তাই সেখানে কিছুক্ষণ বসে আমি এই সমুদ্রের ঢেউ এর শব্দ শুনতে ছিলাম।
তারপরে আমি সেই বাগানে আসলাম। বাগানে এসে দেখতে পেলাম অসাধারণ মুহূর্ত। বাগানের মাঝেমধ্যেই অনেক দোকানপাট রয়েছে। তারপরে বাগানের পাশে এসে ফটোগ্রাফি করলাম। আসলে এত সুন্দর সুন্দর গাছপালা যা দেখতে পেয়ে মুগ্ধ হলাম। সবুজ প্রকৃতির মাঝে যেন সমুদ্রের এই দৃশ্য আমি উপভোগ করতেছিলাম।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পারে এসে ভ্রমণের মজাটা আনন্দের সাথে উপভোগ করেছিলাম। আসলে পরিবারের সবাই একসাথে ছিল তাই বেশি ভালো লেগেছে আমার। আর এই সমুদ্রের পাড় দিয়ে একা একা হেঁটে যেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। বিকেল বেলার এই মুহূর্তগুলো অনেক আনন্দদায়ক। তাই ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলাম।আর আজকে আপনাদের মাঝে তুলে ধরতে পেরে আমার খুবি ভালো লাগছে। 🖤✨।
ধন্যবাদ সকলকে✨💖
ফোনের বিবরণ
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | ফটোগ্রাফি ✨ |
| মডেল | এম-৩১ |
| ক্যাপচার | @alif111 |
| অবস্থান | সিরাজগঞ্জ -রাজশাহী- বাংলাদেশ। |
https://twitter.com/AhmedAlif135308/status/1897329827671367836?t=k-QZGvA3y_j-wy8NO0BuzQ&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে একবার গেলে বারবার যেতে ইচ্ছে করে। তাইতো আমি প্রতি বছর কক্সবাজার যাওয়ার চেষ্টা করে থাকি। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গিয়েছে। বেশ ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনার মামার সাথে কক্সবাজারে ভ্রমণি কি অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলেন জেনে খুবই ভালো লাগলো ভাই। আমিও বেশ কয়েকবার কক্সবাজারে বাজারে গিয়েছি খুবই ভালো লাগে। এটা সত্যি বলেছেন ভাই সমুদ্রে স্নান করার মজাই আলাদা। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
কক্সবাজার ভ্রমণের মজাটাই অন্যরকম। আপনি অনেক আনন্দের সাথে মুহূর্তগুলো উপভোগ করেছেন। আর ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করলেন দেখতে পেয়ে ভালো লাগলো।