মামার সাথে প্রথম প্রথম রাজশাহীতে যাচ্ছিলাম। আর এই রাজশাহীতে যাওয়ার মুহূর্তটা অনেক আনন্দের ছিল, আর রাজশাহীতে যাওয়ার পথের ভিতরে একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায়। আসলে এই দুর্ঘটনাটি অনেক বড় ছিল, আর আমি সেই দুর্ঘটনার কথা কখনোই ভুলবো না। আমি যখনই রাজশাহীতে যায়।তখন আমার সেই দুর্ঘটনার কথা মনে পরে যায়। তাই স্মৃতিময় এই গল্পটি আপনাদের সাথে শেয়ার করতেছিলাম। আজকে সেই গল্পের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে হাজির হলাম। আশা করছি আজকের পর্ব পড়ে আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
তো আমরা যখন রাজশাহীর কাছাকাছি আসছিলাম। তখন আমাদের বাসটি হঠাৎ করে হার্ট ব্রেক করে, আর হার্ট ব্রেক করার কারণে আমার সামনে সিটের সাথে আঘাত লেগে।আমি একটু ব্যথা পেয়েছি, পরে বাস ড্রাইভারকে অনেক বকাবকি করল, কিন্তু আমরা বাস এর সামনের বাস ছিলো, আমাদের বাসের সামনে যে বা ছিল সেই বাস অন্য একটি বাসের সামনাসামনি আঘাত লাগে।বাসের আঘাত লাগার কারণ হলো একটি মোটরসাইকেলওয়ালা এই বাসের সামনে ছিল, সেই মোটরসাইকেল ওলাকে বাঁচাতে গিয়েই,বাম অন্যদিকে চলে আসে, আর এই দুটি বাসের আঘাত লাগে।
এই দুটি বাসের আঘাত লাগার কারণে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। অর্থাৎ বাসের ড্রাইভার একজনের হাত পা কেটে যায় এবং বাসের ভিতরে যে যাত্রী ছিল তারা অনেক অসুস্থ হয়ে যায়। একটি ছোট বাচ্চার মাথায় আঘাত লেগে অনেক রক্ত পড়ছিল এই দৃশ্য দেখে আমি সত্যি অবাক হয়ে গেছিলাম।আমার কেমন জানি লাগতেছিলো,আসলে এত রক্ত আর এই এক্সিডেন্ট আমি প্রথমবার দেখেছিলাম। তাই আমার খুবই খারাপ লেগেছিল। মামা আমাকে বলতেছিল চলো আমরা বাসে গিয়ে বসি, আসলে সেখানে অনেক মানুষ এসে যায়। আর আমরা সহজে রাস্তা দিয়ে যেতে পারছিলাম না। তখন আমরা বাস থেকে নেমে মামাকে একটি হোটেলে নিয়ে বসিয়ে দিল। আসলে এই দুর্ঘটনায় আমার জীবনের সবচাইতে বড় একটি দুর্ঘটনা দেখা ছিল। যেটা দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম, আর আমি এই দৃশ্য কখনোই ভুলতে পারিনি।
তারপরে আমাদের বাসায় যেতে অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। কারণ রাস্তা অনেক বুক ছিল, বাসায় গিয়ে জানতে পারলাম। সেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে এই দুর্ঘটনায় দুই থেকে চার জন মানুষ মারা গিয়েছে এবং অনেকেই হাত পা কেটে গিয়েছে। তারা পঙ্গু হয়ে গিয়েছে, আসলে এই দুর্ঘটনাটি আমার চোখে সামনে ঘটেছিল যার কারণে এত বড় দুর্ঘটনার কথা আমি কখনোই ভুলতে পারিনি। আসলে আমরা যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে থাকি তাদের একটু সাবধানতা তাদের বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালানোর কারণে অনেক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এই মোটরসাইকেল ওয়ালাকে বাঁচাতে গিয়েই বাস দুটি সংঘর্ষ লেগে, এত মানুষ ক্ষতি হয়ে গেছে। যদি মোটরসাইকেলটিকে না বাঁচা তো তাহলে হয়তো এই মোটরসাইকেল আড়াই মারা যেত। আর কারো ক্ষতি হতো না, অসাবধানতার কারণে আমরা এভাবে মোটরসাইকেল চালানোর কারণেই যেন অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায়, আর আমরা সব সময় বাস ড্রাইভারদের দোষ দিয়ে থাকি।
আমার নাম মোঃআলিফ আহমেদ।আমি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগে সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাস করি। আমি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমি আমার জন্মভূমিকে খুবই ভালোবাসি। আমি সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের একজন ছাত্র। আমি ছোট বেলা থেকেই আর্ট করতে পছন্দ করি।তাই অংকন করতে আমার খুব ভালো লাগে।তাই আমি সময় পেলেই বিভিন্ন চিত্র অংকন করি।বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করতে ও ফটোগ্রাফি করতে আমার খুবি ভালো লাগে।🌼💖🌼
https://twitter.com/AhmedAlif135308/status/1873708732535947730?t=dpEGl6oCvEF9QedQX3F2pg&s=19
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
রাজশাহীতে আপনার মামার সাথে যাওয়ার সময় ভয়াবহ বাস দূর্ঘটনার শিকার হন জানতে পারলাম। আপনারা যে সুস্থ আছেন এটাই আলহামদুলিল্লাহ। আপনার গল্প থেকে সবার শিক্ষা নেওয়া উচিত সময়ের থেকেও আমাদের জিবনের মূল্য অনেক বেশি।সবার ধিরে ধিরে সাবধানতার সাথে গাড়ি চালানো উচিত। আজকে খুব গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতা মূলক গল্প তুলে ধরেছেন কারণ বর্তমানে এরকম ভাবেই দূর্ঘটনা খুব ঘটছে।
দুর্ঘটনা অনেক মানুষের জীবন কেড়ে নেয়। একই সাথে চারজন মানুষ মারা যাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার। কিন্তু কি আর করার ভাগ্যে যদি থাকে তাহলে সেটা হবেই। তবুও আমাদের অনেক কিছু মেনে চলতে হবে এবং সাবধানে চলার চেষ্টা করতে হবে।
আসলে রাস্তাঘাটে চলার সময় এরকম দুর্ঘটনার সামনে আমরা হঠাৎ পড়ে যাই। এই দুর্ঘটনাগুলো দেখলে অনেক খারাপ লাগে। আর এগুলো কখনোই ভুলা যায় না। যায় হোক আপনারা যে সুস্থ ছিলেন এটাই জেনে ভালো লাগলো।
আমি মনে করি সকল দুর্ঘটনার মূলে হলো অসাবধানতা। আমাদের অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। আপনার মামার সাথে একে দুর্ঘটনা ঘটে। তবে আপনার মামা সুস্থ রেখে দিন অনেক ভালো লাগলো। রাস্তায় চলাচলের সময় আমাদের কে অবশ্যই সাবধানতার সাথে চলাচল করতে হবে।