হঠাৎ ভ্রমণের পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার গল্প//পর্ব-৩
আসসালামুআলাইকুম/আদাব
রাস্তাঘাটে অনেক দুর্ঘটনার সম্মুখে আমরা পড়ে থাকি। আর এই দুর্ঘটনাগুলো আমাদের জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলে। তাই তো হঠাৎ করে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের সাবধানতার সাথে চলাফেরা করতে হবে। আসলে দুর্ঘটনা বলে কয়ে আসেনা। হঠাৎ করে আমাদের জীবনে আসে। তবে কখনো কখনো এই দুর্ঘটনাগুলো আমাদের অসাবধানতার কারণে হয়ে থাকে। তাই রাস্তাঘাটে খুবই সাবধানতার সাথে আমাদের চলাফেরা করা উচিত। বিশেষ করে মোটরসাইকেল সাবধানে সাথে যদি আমরা চালাই তাহলে দুর্ঘটনা অনেক কম ঘটবে। তাইতো দুর্ঘটনার একটি গল্প নিয়ে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতেছিলাম। আজকে সেই গল্পের শেষ পর্ব নিয়ে হাজির হলাম আশা করছি আজকের গল্পটি পড়ে আপনাদের ভালো লাগবে।
মামার মোটরসাইকেল নিয়ে আমি আমার বন্ধু গিয়েছিলাম, তো রাস্তার ভিতরে একটি এক্সিডেন্ট হয়। সেখানে আমরা রাস্তা নিচে পড়ে যায় এবং আমার বন্ধুর পায়ে অনেক আঘাত লাগে। তবে এই আঘাতটি খুবই বড় ছিল না, তার কারণে আশেপাশের মানুষজন আমাদের অনেক সাহায্য করেছিল। সেখান থেকে আমরা উঠে আসলাম এবং মামাকে বললাম, মামা মোটরসাইকেলটি মেরামত করালো। মোটরসাইকেলের একটু ক্ষতি হয়েছিল তবে মামা আমাদের কোন বকে নাই। বলল যে তোরা ঠিক রয়েছিস, এটাই অনেক কিছু। মোটরসাইকেল তো ঠিক করা যাবে, কিন্তু তোদের হাত পায়ের কিছু হলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। এটা যখন মামা আমাদের বলতে ছিল তখন অনেকটাই সাহস এবং ভালো লাগতেছিল।
তারপর আমরা যখন বাড়িতে আসলাম। বাড়িতে এসে শুনতে পেলাম আমাদের গ্রামের বড় দুই ভাই রয়েছে, তারা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল যাত্রা পথে ট্রাকের সাথে এক্সিডেন্ট করে। আসলে তারা দুই বন্ধু মিলে মোটরসাইকেলের প্রতিযোগিতা দিয়েছিল। আর এই প্রতিযোগিতার কারণেই তারা মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে একজনের হাত একদম কেটে রাস্তায় পড়ে থাকে। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে এবং আর একজনকে বাঁচানো অনেক কষ্টকর ছিল। তবুও তারা ভালো চিকিৎসার কারণে বেঁচে গিয়েছিল, কিন্তু একজনের হাত কেটে গেছে সে সারা জীবন পঙ্গ হয়ে থাকলো আসলে রাস্তাঘাটে এই ভয়ানক দুর্ঘটনা গুলো আমাদের সারা জীবনের জন্য কষ্টকর হয়ে যায়।
তাই মামা বলল যে এভাবে রাস্তাঘাটে যখন মোটরসাইকেল চালাবে অনেক সাবধানতার সাথে, কখনোই প্রতিযোগিতা দেবে না। প্রতিযোগিতা দিলে এর পরিণতি খুবই খারাপ হবে। যদি একবার এক্সিডেন্টে হাত পাও ভঙ্গ হয়ে যায় সারা জীবন এই কষ্ট বইতে হবে, এবং কখনোই নিজেকে ক্ষমা করতে পারবেনা। তাইতো অনেক সাবধানতার সাথে আমাদের মোটরসাইকেল চালানো উচিত।আমার সেই বন্ধু আসলো যে বন্ধু আমার মোটরসাইকেলটি নিয়ে এক্সিডেন্ট করেছিল ওর কথা
মামার সাথে হচ্ছিল। তখন বন্ধু বলল যে অল্পের জন্য আমরা বেঁচে গেছি, আমরা যে পড়ে গিয়েছিলাম পেছনে একটি ট্রাক ছিল। সেই ট্রাক যদি আমাদের উপর দিয়ে চলে যেত তাহলে আমাদের অবস্থা অনেক বেশি খারাপ হতো।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
বাইক অ্যাক্সিডেন্টগুলো সাধারণত খুবই ভয়ঙ্কর হয়ে থাকে। বাইক চালানোর সময় একটু দেখে শুনে চালানোটা ভালো। যত বেশি সাবধানতা অবলম্বন করা যাবে তত বেশি সুরক্ষিত থাকা যাবে। দুজন যদি এভাবে প্রতিযোগিতা না দিত তাহলে এই অ্যাক্সিডেন্টটা হইতে হতো না।
হঠাৎ ভ্রমণের পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ৩য় পর্ব শেয়ার করলেন আজকে। আসলে এ রকম একটা ঘটনা আমার সাথে ও হয়েছিল। কিন্তু আমার ভাগ্য অনেক ভালো ছিল তাই মনে হয় আমার কিছু হয়নি। কিন্তু আমার সাথে যে ছিল তাঁর অনেক ক্ষতি হয়েছিল। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সতর্ক ভাবে বাইক চালানো।