জেনারেল রাইটিং : ঈদ যাত্রা।
সবাইকে শুভেচ্ছা,
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা, কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন। প্রচন্ড গরমের পর গত পরশু থেকে ঢাকায় বৃষ্টি। আজ সকালেও এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। তিন দিন পর রোদের আভা ছড়ালেও শীতল আবহাওয়া। রাত পোহালেই ঈদ। মুসলিম উম্মার অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা।সারাবিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের মত বাংলাদেশের মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ এখন ঈদ উদযাপন প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে। দেশের অন্যান্য স্থানের মত ঢাকায় ব্যাপক আয়োজন চলছে ঈদ উদযাপনের। পাশাপাশি ঢাকা থেকে অনেক মানুষ ঈদ উদযাপনের জন্য শিকড়ের টানে গ্রামমুখি। বিভিন্ন সূত্রের খবর,গত দু-তিন দিনে ১ কোটির মত ঢাকা ছেড়েছে। আজ শেষ দিন। ট্রেন,লঞ্চ,বাস,ব্যক্তিগত গাড়ি যে, যে ভাবে পারছে নাড়ীর টানে প্রিয় জন্মভূমিতে ফিরছে। আপনজন,পাড়া প্রতিবেশীদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। ঈদ মানেই আনন্দ। ঈদে বাড়ি ফিরার অন্য রকম আনন্দ। আমার বাংলা ব্লগে আজ ঈদ যাত্রা নিয়েই আমার আজকের জেনারেল রাইটিং। আশাকরি বরাবরের মত সাথেই থাকবেন।
ঈদে বাড়ি ফেরার এক অন্য রকম অনুভূতি -আনন্দ কাজ করে। যা বলে বোঝানো যাবেনা! বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে ১ কোটির বেশি মানুষ ঈদ যাত্রায় শামিল হয়। এই যাত্রা কখনো মসৃণ আবার কখনো হয় বন্ধুর! ঈদ যাত্রায় মানুষের যে চাপ, সেই চাপে রেল, লঞ্চসহ প্রতিটি পরিবহন সেক্টর পড়ে। অতিরিক্ত যাত্রি বহন করতে বাধ্য হয়। ব্যক্তিগত গাড়ীসহ বাড়তি গাড়ি ঈদ যাত্রার জন্য রাস্তায় নামে। চাপে পড়ে রাস্তা। শুরু হয় যানজট। এবারো ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়ক যানজটের কবলে পড়েছে। আজকের গণমাধ্যমে খবর এসেছে ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মাসেতু পূর্ব পর্যন্ত ৬০/৬৫ কিলোমিটার রাস্তা যেতে সময় লেগেছে ১০/১২ ঘন্টা। অসহনীয় কষ্ট শিকার করে মানুষ ঈদ যাত্রা করে। শুধু আপনজনের মুখে হাসি ফোটাতে। ট্রেন-লঞ্চের একই চিত্রা।সময় কম লাগলেও ট্রেন-লঞ্চে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ট্রেনের উপর নীচ মানুষের কাতার।লঞ্চের চিত্র একই। এই ঈদ যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ যেনেও মানুষ গন্তব্যে ছুটে চলে পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ করতে।
ঈদ যাত্রার এই সংকট নতুন নয়। অনেক চেষ্টা করেও উত্তরণ হচ্ছেনা। তার উপর এবা?র বৃষ্টি ঈদ যাত্রায় মানুষের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়েছে। মানুষ এইসব দুর্ভোগের কথা জানে। জেনেও ঈদ যাত্রায় শামিল হয়।শুধু আপনজনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে। এবার মুলত ঢাকা টাঙ্গাইল ও ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজটের অসহনীয় চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। দেশের অন্যান্য রুটের চিত্র সহনীয়। হয়ত ভবিষ্যতে এই দুই রুটের মানুষ সহনীয় ঈদ যাত্রায় শামিল হবে। এই মুহুর্তে যারা ঈদ যাত্রায় আছেন, তাদের ঈদ যাত্রা শুভ ও নিরাপদ হোক। রাত পোহালেই ঈদ। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।
ঢাকা-বাংলাদেশ।
২৭ মে,২০২৬।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.