রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি বিস্ময়
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাই শুভেচছা জানিয়ে শুরু করছি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক বিস্ময়কর মানুষ। তাঁকে নিয়ে কিছু লিখতে চলেছি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং তাঁর বৌদি কাদম্বরী দেবীর সম্পর্ক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক গভীর ও সূক্ষ্ম বিষয়।তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে ছিল একটি মানসিক ঘনিষ্ঠতা ও সৌহার্দ্য, যা সাধারণত পরিবারের মধ্যে দেখা যায় না।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন ছোট ছিলেন তখন তাঁর মা সারদাসুন্দরী দেবী মারা যান।সেই সময়ে কাদম্বরী দেবী যিনি রবীন্দ্রনাথের বৌদি ছিলেন। তাঁর জীবনে মাতৃস্নেহের অভাব পূরণ করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথকে স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়েছিলেন যা তাদের মধ্যে একটি গভীর আত্মিক সম্পর্কের সৃষ্টি করে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্য জীবনের শুরুতে কাদম্বরী দেবীর সঙ্গে তাঁর লেখালেখির বিষয়ে আলোচনা করতেন।তিনি তাঁর বৌদির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করতেন এবং তাঁকে তাঁর সৃষ্টির প্রথম পাঠক হিসেবে গণ্য করতেন।কাদম্বরী দেবীও তাঁর লেখার সমালোচনা করতেন এবং তাঁকে উৎসাহ দিতেন।এই সৃজনশীল সংযোগ তাঁদের সম্পর্ককে আরও গভীর করে তুলেছিল।
তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে এক ধরণের নির্ভরশীলতা ছিল যা সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে জটিল মনে হতে পারে।কাদম্বরী দেবীর সাথে রবীন্দ্রনাথের সম্পর্ককে অনেকেই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও জটিল বলে মনে করেছেন কিন্তু তা ছিল মূলত একটি গভীর আত্মিক ও মানসিক বন্ধন যা কখনোই পারিবারিক সীমারেখা অতিক্রম করেনি।
কাদম্বরী দেবীর অকালমৃত্যু রবীন্দ্রনাথের জীবনে এক গভীর প্রভাব ফেলেছিল।কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর পরে রবীন্দ্রনাথ গভীরভাবে শোকাহত হন এবং তাঁর কবিতা ও সাহিত্যে এর প্রতিফলন দেখা যায়।এই শোক তাঁর সৃষ্টিকর্মে একটি গভীর বিষাদময়তার ছাপ ফেলেছিল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাদম্বরী দেবীর সম্পর্ক ছিল একটি বিশুদ্ধ, আত্মিক ও মানসিক বন্ধন, যা সমাজের প্রচলিত সম্পর্কের বাইরে ছিল।এটি ছিল একটি গভীর সংযোগ যা তাঁদের দুজনের জীবন ও সৃষ্টিতে অমর হয়ে আছে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

কাদম্বরী দেবী কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখায় উৎসাহ যোগাতেন। তবে উনার মৃত্যুতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনেও গভীর প্রভাব পরেছিল। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখাগুলো যতই পড়ি ততই মুগ্ধ হয়ে যাই। এক একটা লেখা যেন নতুন নতুন সৃষ্টি। কবি তার সৃষ্টি আমাদের সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন। লেখার মাধ্যমে সবাইকে সন্তুষ্ট করেছেন। অনেক ভালো লাগলো দিদি আপনার পোস্ট পড়ে।
আসলে যেকোনো বিষয়ে কেউ উৎসাহ দিলে এবং গঠনমূলক মন্তব্য করলে, সেই কাজটি আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৌদি সেই কাজটি করেছেন। তাদের দুজনের সম্পর্ক সত্যিই একেবারে বিশুদ্ধ এবং দারুণ ছিলো। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতাগুলো আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ বৌদি।
এই ব্যাপার তো জানা ছিল না, দিদিভাই। বেশ ভালো লাগলো লেখাটি পড়ে। তাছাড়া এটা সত্য, যে মানুষ অনুপ্রেরণা জোগায় , সে যদি হঠাৎই বিয়োগ হয়ে যায়, তার জন্য বড্ড মায়া কাজ করা ভীষণ স্বাভাবিক ।
এতো বেশী অনুপ্রেরণা যোগাতো বলেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বিয়োগে এতোটাই মর্মাহত হয়েছিল।যা কিনা তার লেখনীতে আমরা দেখতে পাই।অনেক কিছুই জানতে পারলাম দিদি আপনার পোস্ট পড়ে। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি শেয়ার করার জন্য।