//আমার জীবনের বাস্তব গল্প:-পর্ব ২৭//
"সবার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি" |
|---|
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর ভাই ও বোনেরা, মুসলিম ভাই ও বোনদের জানাই আসসালামু আলাইকুম সনাতন ধর্মালম্বী ভাই ও বোনদের জানাই আদাব এবং অন্যান্য ধর্ম অবলম্বনকারী ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।প্রতি দিনের মত আজকেও আপনাদের মাঝে আরেকটি বিষয় নিয়ে উপস্থিত হলাম। আজকের বিষয় হচ্ছে আমার জীবনের বাস্তব গল্প:-পর্ব ২৭ আপনাদের মাঝে ইতি মধ্যে আমি ২৬ টি পর্ব শেয়ার করছি।আপনারা হয়তো সবাই জানেন যে, আমার জীবনের কিছু কাহিনি আপনাদের মাঝে শেয়ার করি।যদিও সব কথা সবাইকে বলতে নেই, কিন্তু আমার বাংলা ব্লগে আমার কষ্ট ও অনুভূতি সব কিছু শেয়ার করি।যাইহোক দেরি না করে তাহলে শুরু করা যাক।
আমার বাবা যখন ২ নাম্বার ভাইয়ের বাসায় গেলো,সেখানে তারা সুন্দর ভাবে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করলো।আর ওখানেই আমার ৩ নাম্বার ভাই বাসা দিয়েছে। তো তারা চিন্তা ভাবনা করছে,এই বাসায় ১৫ দিন ওই বাসায় ১৫ দিন।তো এই ভাবে বেশ ১-২ মাস চলে গেলো।বাবার যত ওষুধ লাগে সব কিছু আমি নিজে নিয়ে আসি।হয়তো আপনারা এর আগের পর্বে পড়েছেন।যাইহোক আমি কিন্তু পরিবারের ছোট ছেলে,আমাকে নিয়ে কিন্তু আমার বাবার যত টেনশন।কারণ পরিবারের ছোট ছেলে মেয়েদের নিয়ে বাবা মা টেনশন করেন।ঠিক তেমনি আমাকেও নিয়ে আমার বাবা খুবই টেনশন করতো।
তো বাবা সুস্থ অবস্থায় একটা ব্যবসা করতো।ব্যবসা টি ছোট খাটো ছিলো।কিন্তু সেখান থেকে আমি ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম।সেই টাকা দিয়ে আমার বড় ভাইয়ের সাথে কিছু জমি আবাদ করার জন্য নিয়েছি।এখন এই জমি আবাদ করা নিয়ে আমার ২-৩ নাম্বার ভাইয়েরা আমাকে দেখতে পারে না। ওরা নিজেকে মনে করে অনেক বড় লোক।তবে আমি যত টুকু পারছি সামনে ভালো কিছু করার।করার মা নেই, বাবা অসুস্থ। বাবা তখন আমাকে ২ টাকা দিয়ে হেল্প করতে পারবে না। তাই নিজের ভবিষ্যৎ চিন্তা ভাবনা করে বড় ভাইয়ের সাথে এই কাজ লাগিয়ে পরি।
এখন এই কাজটি করার জন্য আমার বড় ২-৩ নাম্বার ভাই কিছু বলে নাই। কিন্তু ভাবিরা এগুলো দেখে হিংসা হতো।ওই সময় তাদের বাসায় যদি কিছু আয়োজন হতো বা খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা হতো আমাকে জানাতো না।বাবা আমাকে একটা কথা সব সময় বলতো,আমি না থাকলে তোর একটা ভাইও তোকে বাসায় ডাকবে না।আসলে আমার জীবন কেমন করে চলে সেটা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা ও আমি জানি।তবে একটা বিষয় হচ্ছে যে,দুঃখের পরেই কিন্তু আল্লাহ তায়ালা খুশি দেন।দুঃখ বান্দার জন্য চিরস্থায়ী নয়,একদিন না একদিন সেই লোকের সব কষ্ট দুর হয়ে সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করবে।
ঠিক তেমনি আমিও সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা করি যে,একদিন আমিও এই দুঃখ কষ্ট গুলো থেকে বের হবো।আর এই জীবনে এতো কিছু শেখছি সেটা কখনোই ভাবতে পারি নাই। আমার ভাই গুলো এমন ব্যবহার করবে এটা কোনদিন ভাবতে পারি নাই, তবে এখানে ভাই গুলোর দোষ দিতে চাই না।কারণ সব কিছু তাদের বউ করছে।আমার ফ্যামলিকে নিয়ে এতো কিছু বলার কারন হচ্ছে যে,তারা ওই সময় আবেগে কাজ করতো।যদি তারা বিবেগ দিয়ে বিবেচনা করতো তাহলে কিছু হতো না।আসলে আল্লাহ তায়ালা কিছু মানুষ সৃষ্টি করছে যাদের মনে সব সময় অন্য চিন্তা ভাবনা, আবার কিছু মানুষ রয়েছে যেগুলো হুট করে ভিন্ন আচরণ করেন।আমার ফ্যামলির দোষ এখানে নেই, কারণ তারা ওই সময় ভুল পথে ছিলো।যাইহোক আজকে এখানেই শেষ করলাম, আবার দেখা হবে পরের পর্বে।ততক্ষণে সবাই ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন।
| ডিভাইস | Tecno camon 20 |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @polash123 |
| লোকেশন | দিনাজপুর |
| আসসালামুআলাইকুম,আমার নাম মোঃ পলাশ সরকার রাজু । আমার স্টিমিট ইউজার নেম @polash123 আমি দিনাজপুর জেলার, পার্বতীপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। আমি পড়া শুনা করি এবং পড়াশোনার পাশাপাশি স্টিমিট প্লাটফর্মে কাজ করি। আমি ক্রিকেট খেলতে অনেক ভালোবাসি।আর ক্রিকেট খেলা দেখতেও খুব ভালবাসি।মাঝে মাঝে সময় পেলে যে কোন ধরনের ফটোগ্রাফি করি। আর অংকন করতেও ভালবাসি।আপনারা সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদে থাকবেন। |
|---|
You can also vote for @bangla.witness witnesses
https://x.com/Polashislam681/status/1841800586876108845?s=19
খুবই খারাপ লাগলো ভাইয়া আপনার এই জীবন কাহিনী করে। অনেক বড় ভাবীরা থাকেন যারা ছোট দেবরদেরকে নিজের সন্তানের মত মানুষ করার চেষ্টা করে। আবার অনেকে রয়েছে হিংসা করে লুকিয়ে খাওয়া দাওয়া করে কিন্তু তার পানে তাকায় না। আসলে দুই দিনের দুনিয়ায় মানুষের কত রকমের অহংকার বড়াই আর অন্যায়ের কাজ। কিন্তু ভাবে না হাজার হাজার জুলুমকার এই দুনিয়ার বুক থেকে বিদায় নিয়েছে কোন লাভ হয়নি। আপনার জন্য দোয়া করি। আল্লাহ অবশ্যই আপনার দিকে তাকাবেন।
ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আসলে এখনকার কিছু কিছু মেয়েরা এমনই। ভাইয়ে ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে রাখে। আপনার ভাবী গুলো যদি ভালো হতো,তাহলে আপনার কোনো টেনশন ই ছিলো না। ভাই ভাবীদের সাথে শান্তিতে থাকতে পারতেন। যাইহোক একদিন অবশ্যই আপনার সব দুঃখ কষ্ট দূর হবে। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো ভাই।