জেনারেল রাইটিংঃ নিয়মানুবর্তিতা
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকল কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করছি আমরা আজকের পোস্ট।
সমস্ত বিশ্ব প্রকৃতি এক অদৃশ্য নিয়ম-শৃঙ্খলার অধীন। কোথায় এর সামান্য তম ব্যতিক্রম বা বিপর্যয় নেই। মানব জীবনেও প্রয়োজন সেই কঠোর নিয়মের শাসন। আর মানুষের জীবনকে সুন্দর করে তুলতে হলে তার জীবনেও শৃঙ্খলাবোধ বা নিয়মানুবর্তিতা দরকার।
আর আমাদের সবারই উচিত শৈশবের শুভ লগ্নে নিয়ম অনুসরণের শিক্ষা গ্রহণ করা। মানব জীবনে সোনা ফলাতে হলে চাই নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলা বোধের বিশ্বস্ত অনুশীলন । আসলে কঠিন নিয়মের বাঁধনে বাঁধতেন না পারলে পরিবারের ভাঙ্গন ধরে, সমাজ টেকে না, রাষ্ট্র বিপর্যস্ত হয় প্রতিষ্ঠান অচল হয়ে পড়ে। আসলে নিয়ম-শৃংখলাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। একটা হল দেহ গঠনে শৃঙ্খলা বোধ এবং মনো গঠনের শৃঙ্খলাবোধ।পালন করা তাই আমাদের সবারই উচিত দেহকে সুস্থ রাখার জন্য কাজকর্ম আহার ও নিদ্রার মধ্যে শৃঙ্খলা বা নিয়ম মেনে চলা।
শৈশব থেকে মানুষকে সমাজে বিচরণ করতে হয় গ্রহণ করতে হয় নানা সামাজিক দায়িত্ব । কিন্তু সমাজের প্রত্যেক মানুষ যদি খেয়াল খুশিন মতো সৎ চলতে শুরু করে তাহলে অবিশ্রান্ত সংঘর্ষে মানবজীবনের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে।ছাত্রজীবনের নীতির চেতনা নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলাবোধ অনুশীলনের প্রকৃষ্ট সময়।তাই অধ্যয়ন কক্ষে পাঠ ও গঠন ক্ষেত্রে প্রাত্যহিক জীবনচর্চায় ছাত্রদেরও নিয়ম শৃঙ্খলা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হয়। তবে সব ছাত্র হয়তো মেধাবী নয় আর্থিক সামর্থ্য সবারই বেশি থাকে না। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে যদি উপযুক্ত শৃঙ্খলা মেনে চলে জীবনযাপন ও যদি তার প্রয়োগ ঘটায় তবে ছাত্র ভবিষ্যতের শ্রেষ্ঠ নাগরিক, শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিক রূপে গড়ে উঠবে।
মানব সভ্যতার বর্তমান চরম বিকাশের মূলে আছে মানুষের সুশৃঙ্খল ও সুসংহত কর্মোদ্যোগ। সুশৃঙ্খল জাতের ভাগ্যে জোটে সাফল্যের জয় টিকা এবং উচ্ছৃঙ্খল জাতের ভাগ্যে জোটে পরাজয়ের দুঃসহ গ্লানি । তাই আমাদের দৈনিক, নৈতিক, মানসিক সর্বক্ষেএে নিয়নানুবর্তিতার মধ্যে থাকা দরকার। প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান না মানলে সুন্দর জীবন গড়ে তোলা সম্ভব নয়।মানুষ হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে যথাযথ শৃঙ্খলা বোধ থাকা প্রয়োজন। আর শৃঙ্খলা হীন জীবন হাল ছাড়ানো নৌকার মতো, যাকে বলে নীতিহীন জীবন। শৃঙ্খলা বোধের মাধ্যমে আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনেই শুধু নয় জাতীয় জীবনে তথা সমগ্র মানবজীবনে ক্ষেএে লাভবান হতে পারব।
| প্রয়োজনীয় | তথ্য |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | LGK30 |
| বিষয় | ' নিয়মানুবর্তিতা ` |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্মনিয়ে নিজেকে ধন্যমনে করি।ধন্যবাদ বাংলা ব্লগে এই বাংলা সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
আমরা যদি সব সময় নিয়ম কানুন মেনে চলেন এবং একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে চলেন তাহলে সব দিক থেকে আমাদের ভালো হবে। আসলে আমরা যদি এলোমেলো জীবন যাপন করি তাহলে কখনোই ভালো কিছু অর্জন করতে পারবোনা। আপু আপনার লেখাগুলো অনেক শিক্ষনীয় ছিল। আপনি অনেক সুন্দর করে লিখেছেন।
আপু আপনার আমার লেখা ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগল, ধন্যবাদ আপু।
আপনি খুব সুন্দর একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করেছেন আমাদের মাঝে। আসলে সকল কিছুই নিয়মের মধ্যে থাকা ভালো । অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নয় আমাদের জন্য। নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলা একটি মহৎ গুণ। আমরা যদি সব সময় নিয়ম কানুন মেনে চলি তাহলে আমাদের জীবনে কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হবে না। নিয়ম কানুন না মেনে চললে সমস্যার সৃষ্টি হয়। এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ভাইয়া আপনাদের উৎসাহ পেলে হয়তো আরো নতুন কিছু নিয়ে আসতে পারব,ধন্যবাদ আপনাকে।
যে কাজে যত বেশি শৃঙ্খলা কিংবা নিয়মানুবর্তিতা থাকবে সেই কাজ ততই বেশি সুন্দর হবে। যতই নিয়মানুবর্তিতা থাকবে ততই বেশি সফলতা আসবে। প্রতিটি অফিস আদালত রাষ্ট্র কিংবা যে কোন প্রতিষ্ঠানে দেখা যায় যে খুব সুন্দর নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে কাজ কর্ম গুলো পরিচালিত হয়। একজন ছোট বাচ্চাকে জীবনের শুরু থেকেই নিয়মানুবর্তিতা সম্পর্কে শেখানো হয়। যার জীবনে নিয়মানুবর্তিতা যত সুন্দর তার জীবন তত বেশি সুন্দর হয়। অনেক সুন্দর টপিক্স নিয়ে আপনি আলোচনা করেছেন দেখে অনেক ভালো লেগেছে।
প্রশংসনীয় মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু