হঠাৎ করে এস কে হাসপাতালে।
শুভ দুপুর...! 🌅
আজ ২২ ই সেপ্টেম্বর ,
রবিবার ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
আসসালামু আলাইকুম,
আমি @nazmul01 ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ থেকে।
হ্যালো "আমার বাংলা ব্লগ" পরিবার। কেমন আছেন সবাই? আশাকরি আপনারা সকলেই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হলাম হঠাৎ করে এস কে হাসপাতালে যাওয়ার অনুভূতি পোস্ট নিয়ে। আশাকরি আপনাদের সবার ভালো লাগবে। চলুন তাহলে শুরু করি।
বিগত তিন দিন ধরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা ছিল। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে গতকাল বিকেলে এলোমেলো বাতাস এবং অনেক বৃষ্টি হয়েছিল। বৃষ্টি হওয়ার পর আবহাওয়া অনেক ঠান্ডা ছিল। তাই বিকেলে আমার মাকে নিয়ে আমার শশুর বাড়ি গিয়েছিলাম। আমার ছেলে তার মায়ের সঙ্গে শশুর বাড়িতে আছে। তাই ছেলেকে দেখার জন্য গিয়েছিলাম। সকলের দোয়ায় আমার ছেলে এখন সুস্থ আছে। কিন্তু শশুর বাড়ি গিয়ে আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। আমার শ্যালক খুবই অসুস্থ। সে মূলত দুই দিন ধরে ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত। বাড়িতে প্রথমিক চিকিৎসা চলমান ছিল। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছিল না। আমি তার চোখ মুখের অবস্থা দেখে বুঝতে পেরেছিলাম শরীরের অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে। এরপর আমি দূত আমাদের নিকটস্থ সরকারি এস কে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
এস কে হাসপাতাল ডায়রিয়া রোগীদের জন্য অনেক ভালো একটি হাসপাতাল। এস কে হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রন্ত অনেক রোগী তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে যায়। হাসপাতালে প্রবেশ করার পর আমার শ্যালক কে ভর্তি করা হয়, ভর্তি ফার্মের মূল্য মাত্র ২০ টাকা। হাসপাতালের ভিতরের পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্ন থাকায় তেমন কোন অসুবিধা হয়নি। সন্ধ্যার দিকে বেড খালি ছিল অনেকগুলো। তারপর ডাক্তার এসে ভালো করে দেখার পর একটি স্যালাইন লাগিয়ে দিয়ে যায়। সাধারণত দুইটি স্যালাইন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীরা সুস্থ হয়ে যায়। আমার শ্যালকের সমস্যা হয়েছিল গরমের কারণে, পেটে গ্যাস হয়ে ফুড পয়জন সৃষ্টি হয়েছে। গরমের কারণে সবাই এখন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
স্যালাইন দেওয়ার পর প্রায় ৪০ মিনিট পর একটি স্যালাইন শেষ হয়ে যায়। তারপর ডাক্তার এসে আরও একটি স্যালাইন লাগিয়ে দিয়ে যায় এবং কিছু ওষুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়। একটি স্যালাইন শরীরের ভিতরে প্রবেশ করানোর পর আমার শ্যালক কিছুটা সুস্থ হয়ে যায়। আরও একটি স্যালাইন ৫০ মিনিট পর শেষ হয়ে যায়। এস কে হাসপাতালে ডাক্তার গুলো খুব কেয়ারফুল। কিছু সময় পর পরে সে রোগীগুলোকে দেখে যাচ্ছে।
এরপরে আমার শ্যালক ছুটি পেয়ে যায়। ডাক্তার ছাড়পত্রের পেছনে বেশ কিছু ঔষধ লিখে দেন। আশাকরা যায় এই ওষুধ গুলো নিয়মিত খেলে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। তারপর আমরা সকলেই রাত দশটায় বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করি। রাতে এসে পোস্ট করবো ভেবেছিলাম, কিন্তু শরীর ক্লান্ত থাকে আর পোস্ট করতে পারি। যাইহোক এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। কেমন লেগেছে তা অবশ্যই জানাবেন? আপনাদের সবার মতামত আশা করছি। আজকের মত এখানেই বিদায় নিলাম। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ💞।
| বিভাগ | লাইফ স্টাইল। |
|---|---|
| ডিভাইস | শাওমি রেডমি ৯। |
| বিষয় | হঠাৎ করে এস কে হাসপাতালে। |
| লোকেশন | কালীবাড়ি,ময়মনসিংহ সদর, বাংলাদেশ। |
| ফটোগ্রাফার | @nazmul01। |
আমি মোঃ নাজমুল হাসান, আমি বাংলাদেশের নাগরিক এবং ঢাকা বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় থাকি। আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি বাঙালি। বাঙালি হিসেবে পরিচয় দিতে আমি গর্ব বোধ করি। আমি একজন শিক্ষার্থী এবং অনার্সে অধ্যয়নরত। আমি বর্তমানে বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করছি। ফটোগ্রাফি করতে আমার অনেক ভালো লাগে। তাছাড়া কবিতা,আর্ট করা,ঘুরতে যাওয়া এবং রান্না করা আমার খুবই প্রিয়। প্রিয়জনদের সাথে ঘুরতে যাওয়া এবং বাহিরে খাবার খেতে আমার অনেক ভালো লাগে। নতুন রেসিপি শেখার আমার খুব আগ্রহ রয়েছে। আমি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে স্টিমিটে জয়েন হয়েছি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটি একটি পরিবারের মতো। আর এই পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি অনেক খুশি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
| ডিসকর্ড চ্যানেলে জয়েন করার জন্য | এখানে ক্লিক করেন |
|---|
এই গরমে অনেকেরই এরকম সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় ফুড পয়জনিং মারাত্মক আকার ধারণ করে। ভালো করেছেন ভাইয়া সঙ্গে সঙ্গে হসপিটালে নিয়ে গিয়ে আপনার শ্যালককে। আপনার লেখা পড়ে বোঝা গেল যে আসলেই হসপিটালে ডাক্তার গুলো খুব কেয়ারফুল ছিলো। আশাকরি নিয়মিত ওষুধ গুলো খেলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।
জি আপু হসপিটালের পরিবেশ খুবই ভালো ছিল। আপনার গুছানো মন্তব্য পেয়ে খুশি হলাম আপু। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
https://x.com/nazmulhasanbd01/status/1837739606701396350?t=DB90olfdKFbEa0D6GP8slA&s=19
এটা শুনে ভাল লাগলো যে সরকারী হাসপাতালে সুন্দর চিকিৎসা নিয়ে আপনার শ্যালক দ্রুত সুস্থ্য হয়ে বাসায় ফিরেছেন। সরকারী হাসপাতালের ডাক্তারদের বিরুদ্ধে মানুষের অভিযোগের শেষ নাই। কিন্তু এক্ষেত্রে বিষয়টা একটু ভিন্ন লাগল।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই ভালো থাকবেন।
প্রথমেই আপনার শ্যালকের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল। বর্তমান রোদ গরমের কারণে ছোট বড় সবার অনেক সমস্যা হচ্ছে। আপনার শ্যালকের গ্যাস হয়ে ফুড পয়জনিং হয়েছিল। আশা করছি নিয়মিত ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ গুলো খেলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।
অতিরিক্ত গরমের কারণে প্রায় সকলেরই সমস্যা হচ্ছে। চেষ্টা করবেন সাবধানে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।