উৎসব ও আমাদের কর্তব্য।।১৬ নভেম্বর ২০২৩
হ্যালো বন্ধুরা,
কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আজকে আমি উৎসব মানবজীবন ও তার প্রভাব।জীবনযাত্রা সামাজিক রীতিনীতি ,সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সাথে একে ওপারের সঙ্গে সম্পর্কিত।আমি আজকে কথা বলতে চলেছি দুর্গা পুজো ও কালীপুজো নিয়ে।কলকাতার দুর্গা পুজো এবং উত্তর ২৪ পরগনার কালীপুজো খুব বিখ্যাত।অনেক কোটি টাকা খরচ করা হয় এই প্যান্ডেল বা থিম ভিত্তিক পুজোয়।প্রত্যেক পুজো কমিটি অনেক আলোচনা ও চিন্তা ভাবনা করে একটা আইডিয়া বের করে কি থিম এর উপর পুজো করবে।যেমন এবার উত্তর ২৪ পরগনার তিনটি বিখ্যাত কালীপুজো হয়েছে ইয়ং স্টার ক্লাব,পল্লী অ্যাসোসিয়েশন ও আমরা সবাই ক্লাব এর।এদের থিম ছিলো যথাক্রমে বাংলার সংস্কৃতি ,ইলোরা এবং বদ্রিনাথ।
এই সব পুজোর পিছনে শাসক দলের বড় বড় নেতারা থাকে আর প্রচুর পরিমাণ বলতে গেলে প্রায় কয়েক কোটি টাকা বাজেট থাকে।এই পুজোয় ভক্তি ও ভালোবাসা বলে কিছু নেই।থিম পুজোকে সামনে রেখে এই বড় বড় ক্লাব গুলো বিশাল ভিড়ের সমারোহ ঘটায়।মানুষের মনে ব্যাপক আনন্দ ও উৎসাহ থাকে।বেশ কয়েকটা মেলা বসে।পুরো টাউন জুড়ে আলো আর মানুষের বিশাল স্রোত।
কিন্তু আমাদের এই শহরেই রয়েছে অনেক দুঃখী ও অভাবী মানুষ।এদের একটু সুযোগ ও অর্থ থাকলে এদের জীবন অন্যরকম হতে পারতো।কিন্তু আমরা সেটা করছি না বরং নিজেদের আনন্দ ও ভালোলাগার জন্য কোটি কোটি টাকা জলের মত খরচ করছি।আমি বলছি না যে এই সব উৎসবের প্রয়োজন নেই ,কিন্তু পারিপার্শ্বিক কারণে এই উৎসব কে একটু অন্যরকম ভাবে করা যায়।কারণ মানুষের উপরে কিছু নেই।মানুষ ভালো থাকলে আর সুখে থাকলে উৎসব ও আরো আনন্দঘন হয়।
তাই আমাদের উচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। মানুষ মানুষের জন্য।তাই ধর্ম ও উৎসব কে আগে নয় ,মানুষ ও মনুষ্যত্ব কে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।তাহলে সমাজ বাঁচবে।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

একদমই তাই! পুজো হোক ভক্তি ভরে। সাথে উৎসবও হোক, প্রয়োজনে আরো বড়ো করে হোক। পাশাপাশি যদি সেই সব দুঃখী ও অভাবী মানুষ গুলোর মুখেও পুজোর দিনগুলোতে অল্প হাসি ফুটিয়ে তোলা যায় তাহলে পুজো বেশি সার্থকতা পায়। উৎসব আরো উজ্জ্বলতা পায়।
উৎসব পালন অনেকটাই "শো-অফ" ই এখন। থিম বেসড পুজোর কোন কমিটির থিম-ই গরীবদের নিয়ে হয় না। সব থিম হয় "ডিজনী ল্যান্ড" বা "বুর্জ খলিফার " মত জাক জমক পূর্ণ! অথচ সঠিক পরিকল্পনা করলে একবারের টাকা দিয়েই অনেক পরিবার কে সাস্টেইনেবল ভাবে সাবলম্বী করা সম্ভব!
দাদা আপনার মত চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি যদি সবার থাকতো তাহলে হয়তো এই সমাজটা এরকম হতো না। পুজো কিংবা ঈদ আমরা অকারণে প্রচুর টাকা পয়সা নষ্ট করি। কিন্তু আমাদের পাশের বাসায় যে মানুষটা না খেয়ে আছে তাদের খোঁজখবর পর্যন্ত আমরা নেই না। এছাড়াও পথ শিশু এবং গরীব মানুষদের খোঁজখবর নেওয়া আমরা ইদানিং ভুলেই গেছি। সত্যি দাদা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি দেখে আমার অনেক ভালো লাগলো। আমিও এবার থেকে চেষ্টা করব পথশিশু কিংবা গরীব দুঃখীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। ধন্যবাদ আপনাকে দাদা।
জ্বী দাদা খুবই কঠিন একটা বিষয় সামনে নিয়ে আসছেন আজ, আমরা অভিজাত্য প্রকাশ করার জন্য কোটি কোটি টাকা ঠিক খরচ করতে পারছি কিন্তু এই দুখি মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে কুণ্ঠাবোধ করছি, যা সত্যিই দুঃখজনক। উৎসব অবশ্যই হবে উৎসবের মতো করে কিন্তু তার সাথে সাথে দুখী মানুষগুলোর পাশেও দাঁড়াতে হবে। ধন্যবাদ
শুনে বেশ ভালো লাগলো দাদা পূজার থিম নিয়ে আপনি অনেক মূল্যবান কথা বললেন। উত্তর ২৪ পরগনার দুর্গা পূজা এবং কলকাতার কালী পূজার থিম নিয়ে অনেক মূল্যবান কথা বললেন। আসলে যাদের টাকা পয়সা আছে তারা অনেক টাকা খরচ করেন ধর্মীয় উৎসবের ক্ষেত্রে। যেহেতু আপনার বর্ণনার মাধ্যমে বুঝতে পারলাম পূজোর প্যান্ডেল অনেক সুন্দর ছিল। আসলে সুন্দর যেখানে সেখানে মানুষের ডল নেমে যায় সেটা স্বাভাবিক। বেশ ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে।
আসলেই দাদা আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ রয়েছে, যারা ক্ষনিকের সুখের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে ফেলবে, কিন্তু অসহায় মানুষদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করবে না। জীবনে আনন্দ উল্লাসের অবশ্যই দরকার আছে, পাশাপাশি অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোও উচিত আমাদের। তাহলে সৃষ্টিকর্তা আমাদের উপর খুবই সন্তুষ্ট হয়। পোস্টটি পড়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো দাদা। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
একদম খাঁটি সত্য কথা বলেছেন ভাই।
জয় হোক মনুষ্যত্বের, ভালোবাসা নিরন্তর ❤️🙏