একটি এলেমেলো ফোটোগ্রাফি পোস্ট ।।১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২।।
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন?আশা করি ভালো আছেন এবং সুস্থ আছেন।সবাই কে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার পোস্ট লেখা শুরু করছি।আজকে আমি একটি random শ্রেণীর পোস্ট করতে চলেছি।আশা করি আপনাদের খুব একটা খারাপ লাগবে না।বিভিন্ন সময়ের কয়েকটি ফোটোগ্রাফি আমি আপনাদের মাঝে ভাগ করে নিতে চলেছি।ছবি জীবনের কিছু মুহূর্ত কে ধারণ করে রাখে।এই মুহূর্তের সাথে জড়িয়ে থাকে সুখ কিংবা দুঃখের নানান স্মৃতি।সুখের হোক অথবা দুঃখের হোক পুরোনো স্মৃতি সব সময় আমাদের নস্টালজিক করে তোলে।
আমাদের আবার ভাবতে বাধ্য করে।বর্তমান সময় প্রতিযোগিতার সময়,এই সময়ে আমাদের পিছনে ফিরে তাকানোর আসলেই কারো সময় নেই।আমরা সবাই ছুটছি।অনেক সময় আমরা কেন ছুটছি, সেটা জানি না।সবাই ছুটছে তাই আমরা ও ছুটছি।ঐ যে চিলে কান নিয়ে গেছে শুনেই চিলের পিছনে দৌঁড়ানো শুরু।সত্যি দিন দিন আমাদের বিচক্ষণতা থাকলে ও তার ব্যবহার খুবই কম করছি।যাই হোক শত ব্যস্ততার মধ্যে এই একটু পুরোনো দিনের কথা মনে পড়লে একটা আলাদা ভালো লাগা কাজ করে।তাহলে আসুন আমার কিছু পুরোনো ফোটো দেখাই।
এই ফটোটা আমার নিজেরই।গত বছর মোটামুটি অক্টোবর মাসের দিকে আমি হাঁস কিনতে গেছিলাম তালবান্ধা নামক একটি জায়গায়।তখন নিজেই এই সেলফি টা তুলেছিলাম।একটু ছেলে মানুষি হলেও ভালোলাগা টা ছিলো।আর সেটাই বড় কথা।
এটাও গত শীতকালে দিল্লির পার্শ্ববর্তী গাজিয়াবাদ এর বৈশালীতে একটি শপিং মলে তোলা।ওই শপিং মলে একটা kfc ছিলো সেখানেই খেতে গিয়েছিলাম আমরা।
নতুন apple ল্যাপটপ কিনে কয়েকটি ফোটোগ্রাফি করেছিলাম।তার মধ্যে এটি একটি ফোটো।কয়েকটি bitcoin keyboard এর উপরে রেখে এই ছবিটি ধারণ করেছিলাম।তবে এই bitcoin এর দাম খুবই কম।
আমার ভীষণ প্রিয় একটা bike ktm।অনেক ছোটবেলা থেকেই আমার bike এর প্রতি একটা আলাদা আকর্ষণ ছিলো।কিন্তু বাড়ি থেকে কোনোদিন অনুমতি পাইনি।আকস্মিক একদিন পেয়ে গেলাম তারপর থেকে শুরু।আর সেটা ছিলো ২০১৭ সাল।এই ktm duke250 নিয়েছিলাম ২০২১ সালের একদম প্রথম দিনে।
তন্ময় আমার bike ভ্রমণের একজন সঙ্গী।আমার bike চালিয়ে হাত টা set হয়েছিলো তার।একদিন বিকেল বেলায় lockdown পরবর্তী একটা সময়ে আমরা বেড়িয়ে ছিলাম,একটু মুক্ত হাওয়ার সন্ধানে।
কলকাতার বুকে এক সুন্দর বৃহৎ পার্ক হলো ইকো পার্ক।সেই ইকো পার্কে এক সন্ধ্যায় এই ফোটোগ্রাফি টা করেছিলাম।
দ্য ফরটি টু কলকাতার সবচেয়ে উঁচু ইমারত।এটি চৌরঙ্গী রোডে অবস্থিত।৬৫ টি তলা আছে এই tower এর।২০১৯ সালে এই বিশাল ইমারতের কাজ শেষ হয়।
Quoteএটা বাংলাদেশের মাওয়া ঘাটের ছবি।যখন বাংলাদেশ এ গিয়ে ছিলাম তখন এই ফোটো ধারণ করেছিলাম।
এই ইলিশ মাছ গুলো পদ্মার পাড় মানে মাওয়া থেকে বেশ কম দামে কিনতে পেরেছিলাম।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

Beauty of Creativity. Beauty in your mind.
Take it out and let it go.
Creativity and Hard working. Discord

দাদা প্রথমে আপনাকে শুভকামনা জানাই একটি এলেমেলো ফোটোগ্রাফি যতই এলোমেলো বলেন না কেন সত্যি দাদা অসাধারণ ছিল আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। সত্যি বলতে দাদা পুরনো কিছু স্মৃতি যদি ফোনের মাধ্যমে থেকে থাকে তাহলে সেগুলো পুনরায় সময় পেলে দেখতে অনেক ভালো লাগে। বৈশাখীতে তোলা একটি ফটোগ্রাফিতে আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন সেগুলো পুনরায় চোখের সামনে দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লাগলো দাদা। আপনার মত আমারও একটি ইচ্ছে রয়েছে যাদের কেটিএম গাড়ি কেনার ধন্যবাদ দাদা এত সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন দাদা এই কামনাই করি।
কতটা মিল থাকলে দুজনের ছবি এক হতে পারে সেটাই ভাবছি 😐।প্রত্যেকটা ছবি ভীষন সুন্দর।
আমি সেটা ভেবেই প্রথমে অবাক হলাম, যে ফটোগ্রাফির সাবজেক্ট এভাবে মিলল কিরকম । দুজন প্ল্যান করে পোস্ট করা কিনা। 😅
Hi @blacks,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
পুরনো দিনের তোলা ফটোগ্রাফি গুলো মাঝে মাঝে দেখতে খুবই ভালো লাগে। আমিও মাঝে মাঝে আমার ফোনে যত পুরনো ফটোগুলো রয়েছে অবসর সময় পেলেই দেখি । সত্যি অন্যরকম একটা ভালো লাগা কাজ করে। অনেক পুরনো স্মৃতি, পুরনো কথা মনে পড়ে যায়। তোমার আজকের শেয়ার করা রেনডম ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে ল্যাপটপ এবং বিট কয়েন এর ফটোগ্রাফি টা আমার সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে ,দাদা ।আমি তো প্রথমে বুঝতেই পারিনি এই ফটোটি তোমার তোলা। আমি ভেবেছি হয়তো ডাউনলোড করা কোন ফটো হবে।
দাদা পুরানো দিনের ছবি মাঝে মাঝে দেখতে অনেক ভালো লাগে।আপনার প্রতিটি ছবি ছিল সুন্দর। তার মধ্যে
দ্য ফরটি টু কলকাতার সবচেয়ে উঁচু ইমারত।যা ৬৫ তলা বিশিষ্ট দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
দাদা, বৈশালীতে একটি শপিং মলে তোলা আপনার ফটোগ্রাফিটি অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে। পাশাপাশি ২০২১ সালে নেওয়া আপনার গাড়িটির ফটোগ্রাফিটি অতি চমৎকার ছিল। ৬৫ তলা টাওয়ারের ফটোগ্রাফি দেখে মনে হচ্ছে সবাইকে ছাড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে। পদ্মার ইলিশ গুলো দেখে মন ভরে গেল। অসাধারণ সুন্দর একটি ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
পুরোনো ছবি আসলেই নস্টালজিক করে তোলে। তালাবান্ধা নামটা কেমন যেনো। আপনার নতুন ল্যাপটপ এর উপরের বিটকয়েন গুলো নিশ্চয়ই চকলেট। খুব মজা লাগে এই চকলেট গুলো খেতে। প্রতিটি ছেলে মানুষের মনে হয় একটা স্বপ্ন থাকে যে নিজের একটা বাইক। বাইকটি কিন্তু খুবই চমৎকার। কলকাতার সবচেয়ে বড় ইমারত আগে কখনো দেখিনি। আজকেই আপনার ছবির মাধ্যমে দেখতে পেলাম। তাছাড়া দাদা কবে বাংলাদেশে এসেছিলেন?
চকলেট না সত্যি বিটকয়েন।
ওয়াও। আগে কখনো এত টেস্টি বিট কয়েন দেখিনি। আজকে দেখে খুবই ভালো লাগলো দাদা😋।
দাদা আপনার এলোমেলো ফটোগ্রাফি গুলো আসলেই অনেক সুন্দর ছিল। বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন রকম ফটোগ্রাফি গুলো দেখতে আসলেই আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। সেলফি, কলকাতার ইকো পার্ক, কলকাতার দ্য ফরটি তটু ইমারত এবং শেষে আপনি বাংলাদেশের মাওয়া এসে ইলিশ মাছ কিনেছেন শুনে খুব ভালো লাগলো। এরকম ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দাদা।
আসলে পুরানো ছবিগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগে এবং পুরনো স্মৃতিগুলো মনে করে দেয়। আপনার প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি খুব সুন্দর ছিল। ল্যাপটপের উপরে বিটকয়েন গুলো খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। আপনাদের কলকাতায়র ইকোপার্কটি সত্যি খুব সুন্দর। আপনার বাইকটা সত্যি খুব সুন্দর। কলকাতার সবচেয়ে বড় ইমারত এই প্রথম আপনার ফটোগ্রাফিতে দেখলাম সত্যিই অনেক বড় ৬৫ তালা। দাদা আপনি বাংলাদেশে এসেছেন শুনে খুব ভালো লাগলো। ইলিশ মাছগুলো কিন্তু বেশ বড় ছিল ফটোগ্রাফিতে দেখতে খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। ধন্যবাদ দাদা আপনার পুরনো ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ফটোগ্রাফি গুলো পুরনো হলেও এক একটা ফটো অনেক বিশাল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিটি ফটোর সাথে আপনার স্মৃতি জড়িত এবং খুব সুন্দর ভাবে আমাদের সাথে তুলে ধরেছেন। আমার অনেক ভালো লাগলো আপনি মাওয়া ঘাট থেকে ঘুরে গিয়েছেন এবং স্বল্প দামে ইলিশ মাছ কিনতে পেরেছেন। আজকে আমি বাজারে গিয়েছি আজকে ও অনেক কম দামে ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে। যাই হোক অনেক ভালো লাগলো দাদা আপনার স্মৃতিময় ফটোগ্রাফি গুলো এবং পোস্টে পড়ে।