কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি।
বিসমিল্লাহি রহমানের রাহিম
আসসালামু আলাইকুম
শ্রদ্ধেয় প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন ? সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আশা করি ভালো আছেন । আমিও সৃষ্টিকর্তার রহমতে ভালো আছি ।
প্রিয় , আমার বাংলা ব্লগ কমিটির সদস্যরা
আপনাদের মাঝে আবার এসে হাজির হলাম।
আজ আমি আপনাদের, কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি সম্পর্কে বলতে চাই। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। আপনারা আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করে পুরো পোস্টটি দেখবেন আশা করি।
আসুন শুরু করি
শীতের কুয়াশা ভেজা সকালে সূর্য উদয়ের আলোকচিত্র |
|---|
* চারদিকে কুয়াশায় অন্ধকার। কুয়াশার চাদর ভেদ করে ধীরে ধীরে সূর্য পূর্ব আকাশে উদিত হয়। সূর্য উদিত হওয়ার পর থেকে আস্তে আস্তে শীতের সকালের কুয়াশা কেটে যায়। সকাল বেলা দেখা যায় লতা পাতা ঘাসের উপর শিশির বিন্দু রয়ে যায়। এই শিশির বিন্দু জমে থাকা দেখতে বেশ সুন্দর। এই আলোচিত্র গুলো আমি সকাল বেলা ক্যামেরা বন্দি করেছিলাম। মাকড়সার জালে শিশির বিন্দুর আবরণে সূর্য উদয় হওয়ার দৃশ্য সত্যি অসাধারণ। গ্ৰাম অঞ্চলে সকাল বেলা বের হলে প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য সুন্দরভাবে উপভোগ করা যায়।
source
Device :- Redmi note 7
প্রজাপতির আলোকচিত্র |
|---|
source
Device :- Redmi note 7
* আমরা প্রায় সময় অনেক রংবেরঙের সুন্দর সুন্দর প্রজাপতি দেখে থাকি। আসলে প্রজাপতি হলো এক ধরনের কিট । দেখতে বেশ সুন্দর প্রজাপতি রঙের জন্য সবার কাছে বেশ পছন্দনীয়। গ্রাম অঞ্চলে প্রজাপতি বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে ফসলের জমিতে অনেক রংবেরঙের ছোট বড় প্রজাপতি দেখতে পাওয়া যায়। আসলে প্রজাপতির আলোচিত ক্যামেরাবন্দি করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কারণ প্রজাপতি এক জায়গায় স্থির থাকে না সারাক্ষণ উড়া উড়ি করে থাকে।
খাল বা, বিল বয়ে যাওয়ার আলোকচিত্র |
|---|
source
Device :- Redmi note 7
* এইটি একটি খাল বা, বিলের আলোকচিত্র। আমাদের গ্রামের মাঝ দিয়ে এই বিলটি বয়ে গেছে। এই খালকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রামে অনেক অর্থনৈতিক অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে । বিশেষ করে কৃষি ক্ষেত্রে এই খালের অবদান অনেক। শীতকাল এবং গ্রীষ্মকালে খাল থেকে পানি দিয়ে বিভিন্ন রকম ফসল উৎপাদন করা হয়। তাছাড়া সারা বছর ধরে এই বিলে অনেক জেলে মাছ ধরে থাকে। বাজারে অধিকাংশ মাছ এই বিল থেকে ধরা হয়। বিলের দুই ধারে বিভিন্ন রকম গাছপালা লতাপাতা ভরপুর। দূর থেকে দেখতে খুবই সুন্দর লাগে সবুজ আর সবুজের সমাহার।
একটি পাহাড়ি গাছের আলোকচিত্র |
|---|
source
Device :- Redmi note 7
নীল আকাশের নিচে চিকন পাতার গাছটি দেখতে বেশ সুন্দর লাগছে। এই গাছের পাতা খুবই চিকন। গাছ তেমন একটা মোটা হয় না। গাছের ডাল অনেক শক্ত এবং চিকন হয়ে থাকে। এই গাছ গুলোকে আমাদের অঞ্চলে পাহাড়ি গাছ বলে অবহিত করে থাকে। এই গাছগুলোতে ছোট হলুদ ফুল ফুটে থাকে। হলুদ রঙ্গের ফুল দেখতে বেশ সুন্দর। ছোট ছেলে মেয়েরা এই ফুল গুলো দিয়ে খেলা করে থাকে।
লোহার কালভার্টের আলোকচিত্র |
|---|
source
Device :- Redmi note 7
বর্তমানে সবখানে ইট পাথর দিয়ে তৈরি কালভার্ট দেখে থাকে। তবে এখনো অনেক জায়গায় লোহার কালভার্ট দেখা যায়। আমাদের গ্রাম থেকে অনেক দূরে একটি খালের মধ্যে এই লোহার কালভার্ট তৈরি করা হয়েছে। আমি কয়দিন পূর্বে যখন ঘুরতে গিয়েছিলাম সেখানে এই আলোক চিত্রটি তুলে ছিলাম। এই কালভার্ট
দিয়ে অনেক গাড়ি এবং মানুষ পার হয়ে থাকে। কালভার্টের ডিজাইন খুবই সুন্দর। লোহার কালভার্ট তৈরির মধ্য দিয়ে গ্ৰামে যোগাযোগের অনেক উন্নয়ন হয়েছে।
পোস্টটির কোথায় ভুল ত্রুটি হলে সুন্দর ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন।
পোস্ট বিবরণ :-
| শ্রেণী | আলোকচিত্র |
|---|---|
| ক্যামেরা | Redmi note 7 |
| পোস্ট তৈরি | @ah-agim |
| লোকেশন | ফেনী, বাংলাদেশ |
এতক্ষণ আপনাদের মূল্যবান সময় দিয়ে আমার পোস্টটি শেষ পর্যন্ত দেখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।আপনাদের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা পেলে আমি এই ধরনের আলোকচিত্র আরো উপস্থাপন করব, ইনশাআল্লাহ।
অন্য সময়ে আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে কথা হবে।সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। সুস্থ থাকবেন, নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্ন নিবেন ।এই আশাবাদ ব্যক্ত করে আপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি।
সবাইকে শুভ রাত্রি
আপনারা সবাই ভালো থাকবেন।
আপনাদের সকলকে আমার পক্ষ থেকে ভালোবাসা এবং অভিনন্দন রইল।
আমার পরিচিতি
আমি আওলাদ হোসেন আজিম ।আর আমার ইউজার নাম @ah-agim আমি একজন বাংলাদেশী। মাতৃভাষা বাংলায় বলে - আমি খুব গর্বিত। আমার মনে ভাষা বাংলা এর প্রকাশ করতে খুব ভালো লাগে। আমি আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিকে ভালোবাসি। আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির সন্মানীত এডমিন মডারেটর সহ সকল সদস্যদের প্রতি আমার অফুরন্ত ভালোবাসা বিরাজমান। আমি বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে ভালোবাসি। সৃষ্টিকর্তার দেওয়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে আমার কাছে খুব বেশি ভালো লাগে। তাছাড়া আমি বিভিন্ন ধরনের কাগজের ( কারুকাজ ) এবং বিভিন্ন রকমের রান্না ( রেসিপি ) করতে পছন্দ করি। আমি ফটোগ্রাফি করে থাকি। ফটোগ্রাফি করতে আমার কাছে অনেক অনেক বেশি ভালো লাগে।বিশেষ করে সৃষ্টিকর্তার দেওয়ায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দৃশ্য সমূহ ফটোগ্রাফি করতে আমার কাছে ভালো লাগে।







শীতের সকালে সূর্য ওঠার এমন দৃশ্য কুয়াশাঘেরাও পরিবেশ দেখতে অনেক সুন্দর লাগে। আপনি আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনেক সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন।গ্রামের মাঝ খানে এইরকম নদী থাকলে অর্থনীতির উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেক অবদান রাখে যেটা আপনাদের জমিতে পানি দিতে অনেক সুবিধা হবে।ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লেগেছে আমার কাছে।
এত সুন্দর কমেন্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনার তোলা প্রতিটি ছবিই বেশ অসাধারণ। শীতের সকালে শিশির ভেজা ঘাস কিংবা মাকড়সার জালে শিশির বিন্দুর ছবি টা বেশ চমৎকার । তাছাড়া খাল বয়ে যাওয়ার ছবিটা ও খুব সুন্দর লেগেছে আমার কাছে।ভালো ছিলো।ধন্যবাদ
এত সুন্দর কমেন্ট করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
প্রতিনিয়তই আপনি অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে তুলে ধরেন। আসলে আপনার ফটোগ্রাফি গুলা দেখে বোঝা যায় যে আপনি একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার।। বিশেষ করে আপনার ফটোগ্রাফির ব্যাকগ্রাউন্ড প্রতিনিধি অনেক সুন্দরভাবে নিয়ে থাকেন।। আজকের ফটোগ্রাফির মধ্যে বিশেষ করে প্রজাপতি এবং সূর্যাস্ত যাওয়ার ফটোগ্রাফি সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে।।।
কমেন্ট করে উৎসাহ প্রদান করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাই ভাই।
আপনার প্রতিটা ফটোগ্রাফি অসাধারণ হয়েছে। সকাল বেলা কুয়াশা ভেদ করে সূর্যি মামা উঁকি দেওয়ার কত সুন্দর দৃশ্য আবার সাদা প্রজাপতি দেখে মন ভরে গেল।আপনাদের গ্রামের মধ্য দিয়ে কত সুন্দর একটি বিল বয়ে চলেছে। সবমিলিয়ে খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ।
এত সুন্দর মতামত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
কেমন আছেন ভাইয়া, আশাকরি ভাল আছেন।আপনার ফটোগ্রাফিগুলো দারুন হয়েছে।শীতের সকালে কুয়াশা মাখা ভোরের সূর্য ওঠা,খাল, প্রকৃতি এমনকি লোহার কালভার্ট,তারপাশের প্রকৃতি ও আকাশ অসাধারণ সুন্দর দেখতে লাগছে।আপনি খুব দক্ষতার সাথে ফটোগ্রাফিগুলো করেছেন,অনেক ভাল লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য। অনেক অভিনন্দন আপনাকে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই পোস্ট এত সুন্দর অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
আমি লক্ষ্য করে দেখি আপনি প্রায় প্রায় খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করে থাকেন।আপনার তোলা প্রতিটি ছবি বেশ অসাধারণ ছিল।ঘাসের উপরে বসে থাকা প্রজাপতি ফটোগ্রাফির টা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। এছাড়াও শীতের সকালে শিশির ভেজা মাকসা জালে শিশির বিন্দু ছবিটা বেশ চমৎকার হয়েছে। আপনি খুবই সুন্দর সুন্দর কিছু আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
এত সুন্দর করে প্রশংসা করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আপনি তো দেখছি খুব সুন্দর কিছু এলোমেলো ফটোগ্রাফি করেছেন। শীতের কুয়াশা কাটিয়ে ভোরের সূর্য উদয়ের সাথে সাথে শীতের আরও কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে মনটা ভরেই গেল। আমার কিন্তু বেশ ভাল লেগেছে আপনার ফটোগ্রাফি গুলো।
আপনি খুব চমৎকার চমুৎকার কিছু রেনডম ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে অনেক ভালো লাগলো। বিশেষ করে লোহার কালভার্টের আলোকচিত্র বেশি ভালো লাগলো। এই ধরনের কালভার্ট দেখা যায় না। কালভার্ট দেখতে অনেক পুরানো লাগতেছে। মনে হয় অনেক আগের। খুব সুন্দর করে ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
ভাই আপনার শেয়ার করা লোহার কালভার্ট, পাহাড়ি গাছ, বিল, প্রজাপতি, শীতের কুয়াশা ভেজা সকালের সূর্য উদয়ের আলোকচিত্র সবগুলো ই বেশ সুন্দর হয়েছে। প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফির নিচের বর্ণনাগুলো বেশ অসাধারণ ছিল।