দেবরের বিয়ের দিনে আমাদের কাটানো মুহূর্তগুলো।
♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমার বাংলা ব্লগ এর প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি,তবে কোনো এক অজানা কারণে মনটা তেমন ভালো নেই।তবে আজ মোটামুটি সুস্থ আছি গত কয়েকদিনের তুলনায়।আপনাদের সাথে একটি মুহূর্ত শেয়ার করব,তাই আজকের এই পোস্ট শুরু করলাম।
আপনাদের সাথে কয়েকদিন আগেই আমি একটি পর্বে শেয়ার করেছিলাম আমার দেবরের বিয়ের দিনের কিছু অংশ। যদিও সেখানে পুরো অংশটা শেয়ার করতে পারিনি। কারণ পুরো দিনের বিষয়টা যদি একটি পোস্টে শেয়ার করি তাহলে পোস্টটা অনেক বেশি বড় হয়ে যায়। আর এত বড় পোস্ট দেখতে সুন্দর লাগবে না আর পড়তেও ভালো লাগবে না। এজন্য আমি ভাবলাম আমি আরো একটি পর্ব করে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আর সেই হিসেবে আমি আজকে সুযোগ পেলাম আপনাদের সাথে পোস্টটি শেয়ার করার। তাই চলে এলাম আবারও নতুন ভাবে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।
সেদিন মেয়েদের বাড়িতে যাওয়ার পর আমরা যখন বাইরে গিয়েছিলাম তখন তাদের ঘরের পাশেই একটা জায়গায় গিয়েছি। যেখানে আরো অন্যান্য লোকজন ছিল অর্থাৎ মেয়ের চাচারা ঐখানেই ছিল। মেয়েরা একটু সামনের দিকে ঘর দিয়েছে সে জন্যই ভেতরের দিকে অনেকটা জায়গা ফাঁকা আছে। সেখানে গিয়ে দেখলাম মেয়ের ফটোশুট চলতেছে।
ফটোগ্রাফার হচ্ছে আমার হাজব্যান্ডের পরিচিত এক বড় ভাই। তিনি পূর্ব থেকেই বিভিন্ন প্রোগ্রামে এটেন্ড করতেন। যদিও তার নাম শোনা হয়েছিল কিন্তু তাকে প্রথমবারই দেখেছিলাম সেদিন। যাইহোক তিনি হলুদের ফটোগ্রাফি গুলো করেছিলেন। যদিও আমরা কেউ যাইনি। তবে সাজগোজ মোটামুটি ঘরোয়াভাবে হয়েছিল।তাই ফটোগ্রাফি করা হয়েছিল।
আমরা সেখানে যাওয়ার পর কিছু ছবি তুললাম।এরপর বর কনের ছবি তোলা হয়েছে। তাদের ফটোগ্রাফি শেষ হওয়ার পর তারা ঘরের দিকে চলে গিয়েছিল। এরপর সবাই খাওয়া-দাওয়া করে নিল। খাওয়া দাওয়া করার পর আমরা বাইরের দিকে আরো কিছুক্ষণ হাটলাম। তখন ফটোগ্রাফার ভাইয়া বলছিল আপনাদের বিয়েতে তো কোন ছবি তুলতে পারলাম না, যেতেই পারলাম না। তাহলে এখন আসুন আমি কিছু ফটোগ্রাফি করে দেই।
সেই হিসেবে আমরা গেলাম। আমি এবং আমার হাজব্যান্ড সহ সবাই মিলে ছবি তুললাম। আমার ছোট ভাই বোনেরাও ছিল। আমরা সবাই মিলে ভাগে ভাগে ছবি তুলেছি। আমার পিচ্চি বাবুটা প্রথমত কান্না করছিল যখন তাকে নিয়ে ছবি তুলতে গিয়েছিলাম। বেশি কান্না করতেছিল ঘুমানোর জন্য। তাই আমার ছোট বোন তাকে নিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিল। হাঁটতে হাঁটতে দুই মিনিটের মধ্যেই সে ঘুমিয়ে গেল। তখন আমি এবং আমার হাজব্যান্ড কিছু ছবি তুলেছি।
এই সময় ভাবলাম ছেলে বড় হয়ে বলবে তোমরা বিয়েতে গেছো আমাকে নাওনি কেন?সেই জন্যই তাকে কোলে নিয়ে ছবি তুলেছি। তখন ছবি দেখিয়ে বলব দেখ তুই ঘুমিয়েছিলি। আমাদের দোষ নেই তোকে নিয়ে ছবি তুলেছি কত কষ্ট করে,হাহাহা। যাই হোক ঘুমের মধ্যে আমার কোলে রয়েছে। মাথাটা বাঁকা করেই রয়েছে। যেহেতু ওর মাথা সোজা করতে গেলে আবার কান্নাকাটি শুরু করে দিবে। যেভাবে ছিল সেভাবেই রেখেছি। এভাবেই আমরা অনেকগুলো ফটোগ্রাফি করলাম। ভাইয়াটাও আমাদের ফটোগ্রাফি করে দিল।
যাই হোক আমরা সেখানে অনেকজনই ছিলাম। খুব আড্ডা দিলাম। ফটোগ্রাফি শেষ এবার আমরা ভিতরে গেলাম। তখন বিদায় পর্ব মোটামুটি শেষ পর্যায়ে। এখানের কাজ হয়ে গিয়েছে তারপর তারা সবাই চলে গেল। আমরা সিএনজিতে করে বাড়িতে ফিরে এলাম। আসার সময় বাইরের পরিবেশটা খুবই সুন্দর ছিল। সেই বিকেল বেলার পরিবেশ। আর সূর্য অনেকটা পশ্চিম আকাশে হেলে পড়েছে। আর এই সময়ে আমরা পশ্চিম দিকে যাচ্ছি। কি যে ভালো লাগছিল এই মুহূর্তটা, বলে বোঝানোর মত নয়। যাই হোক আজকের মতো এখানেই শেষ করলাম।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। |
|---|
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️ |
|---|
| ক্যামেরা | স্যামসাং গ্যালাক্সি |
|---|---|
| ধরণ | নিভৃত এর চাচ্চুর বিয়ের দিন। |
| ক্যামেরা.মডেল | M12 |
| ফটোগ্রাফার | @bristy1 |
| লোকেশন | Location |
আমি তাহমিনা আক্তার বৃষ্টি। আমি একজন বাংলাদেশী। আমি বাংলায় কথা বলি,আমি বাংলায় নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি নিজের মত করে সবকিছু করার চেষ্টা করি। আমি অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। পড়ালেখার পাশাপাশি আমি বিভিন্ন জিনিস আঁকতে পছন্দ করি। বিভিন্ন ধরনের ছবি আঁকা, রঙ করা, নতুন নতুন কিছু তৈরি করা আমার পছন্দের কাজ। তবে রান্নাবান্না আমার ভালোলাগা, চেষ্টা করি সবসময় নিজে নতুনভাবে কিছু রান্না করার। ভ্রমণপ্রেমীদের মত আমিও ঘুরতে পছন্দ করি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
https://twitter.com/bristy110/status/1596514524844421120?s=20&t=e3QKW9NKGXcpu8gNkxxgsQ
নিভৃত সাহেব তো তখন ঘুমে অস্থির।ঘুমের কারণে ফটোগ্রাফি ও ঠিকঠাক ভাবে করতে পারল না।যাই হোক ভালো ছিল মুহূর্তটি। ধন্যবাদ সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য।
আসলেই ঘুমের কারণে ভালো ফটোগ্রাফি করা সম্ভব হয়নি। মন্তব্য করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ খুব সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় মন্তব্য করার জন্য।
দেবরের বিয়েতে দারুন কিছু মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন আপনারা। সত্য কথা বলতে পরিবারের সাথে এই ধরনের বিয়েতে থাকাটার আনন্দই অন্যরকম। যদিও আপনার সন্তান ছোট হবার কারণে একটুও কাজের চাপ বেশি ছিল তারপরও ভালো আনন্দ করেছেন তা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
দেবরের বিয়েতে দারুণ সময় পার করেছেন। বাবুটাকে অনেক সুন্দর লাগছে। পরিবারের সবারই সাথে বিয়ে বাড়িতে কাটানো মূহুর্তে গুলো অনেক ভালো লাগল। আপনাদের আনন্দময় মূহুর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু সাপোর্ট করে যাওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।
দেবরের বিয়েতে দেখছি বেশ ভালোই ফটোশুট করেছেন। তবে নিবৃত দেখছি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দিন কাটাচ্ছে। আসলেই আপনাদের দুজনকে একা দেখে বড় হলে নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করবে ও নেই কেন। তাই জন্য ঘুমের অবস্থাতেও ফটোগ্রাফি করলেন। আপনার সাথে বিয়ের ড্রেসে ছেলেটা বরের মামাতো ভাই, আপনার কেউ হয় না? সবকিছু মিলিয়ে দারুন মুহূর্ত কাটালেন।
একদম ঠিক বলেছেন দুজনকে একা দেখে বড় হলে নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করবে ও নেই কেন।😀😀
আপু আপনি দেবরের বিয়েতে অনেক সুন্দর মুহুর্ত অতিবাহিত করেছেন দেখে অনেক ভাল লাগলো । আপনার সবগুলো ফটোগ্রাফি অসাধারণ লেগেছে। 🥰🥰💞💞 সবাইকে নিয়ে খুব মজার সময় অতিবাহিত করেছেন আবার আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এজন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আর হে, আসার পথে রৌদ্রের বিকেলটাও কিন্তু দারুণ লাগলো আমার কাছে।😍😍 অনেক ধন্যবাদ আপু।
খুব চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন। বেশ ভালো লাগলো আপনার মন্তব্যটি পড়ে ধন্যবাদ।
দেবরের বিয়ের দিন খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন আপনারা। বিশেষ করে আপনার আর আপনার হাসবেন্ডের তোলা ছবিগুলো আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। প্রথমে তো পাগড়ি পড়া ছেলেটিকে দেখে আমি ভেবেছিলাম হয়তো বর হবে। পরে চিন্তা করলাম বরের চেহারা তো আরেকরকম। তখন নিজেই হতবাক হয়ে গেলাম 😁😁নিভৃত বাবুর ছবিগুলো আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। সবকিছু মিলিয়ে খুব সুন্দর একটি সময় কাটালেন।
পোস্ট পড়ে খুব চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন। বেশ ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে ভালো থাকবেন।
দেবরের বিয়েতে খুবই সুন্দর সময় উপভোগ করেছেন। ফটোগুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। ভালো লাগলো ফটোগুলো দেখে।
সব সময় পাশে থাকে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করে, উৎসাহ প্রদানের জন্য ধন্যবাদ।