অনেকদিন পর শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সাথে একটু ঘুরাঘুরি

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আসসালামু আলাইকুম,

আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।



প্রতিদিনের মতো আজকেও আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে একটি ভ্রমণ পোস্ট শেয়ার করবো। অনেক দিন পর কয়েকদিন আগে শুক্রবার বিকেলে বন্ধুদের সাথে একটু ঘুরতে বের হয়েছিলাম। এমনিতে ব্যস্ততার জন্য আগের মতো তেমন ঘুরাঘুরি করা হয়ে উঠে না। যাইহোক আমি এবং আমার দুই বন্ধু বাসা থেকে বিকেল পাঁচ টার দিকে বের হলাম কাইকারটেক ব্রীজের উদ্দেশ্যে। এর আগেও সেখানে অনেক বার গিয়েছিলাম আমরা। মোটামুটি কাছাকাছির মধ্যে এই জায়গায় গেলে ভালোই লাগে। গরমের সময় ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে থাকলে শরীরটা একেবারে শীতল হয়ে যায়। যাইহোক আমরা বিকেল সাড়ে পাঁচ টার দিকে কাইকারটেক ব্রীজে পৌছলাম। তবে যাওয়ার পর একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম লোকজনের আনাগোনা খুব বেশি ছিল না।

Notes_230325_224415_89e.jpg

Notes_230325_224333_539.jpg

Notes_230325_224335_eee.jpg

Notes_230325_224339_b6a.jpg

Notes_230325_224331_149.jpg

Notes_230325_224418_0cc.jpg

Notes_230325_224420_6ae.jpg

আগে যখন শুক্রবারে সেখানে যেতাম প্রচুর মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা যেত। যাইহোক আমরা কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে গল্প গুজব করলাম। মাঝে মাঝে হালকা শীতল হাওয়া এসে শরীরটাকে একেবারে শীতল করে দিচ্ছিল। এতো ভালো লাগছিল তখন যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। ব্রীজের উপর অনেক গুলো ফুচকার দোকানও ছিল। যাইহোক আমি ফাঁকে ফাঁকে কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। এরপর আমরা ব্রীজের নিচে নামলাম এবং একটু হাঁটাহাঁটি করলাম। সেখানে আরও একটি ছোট ব্রীজ ছিল। সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আশেপাশের কিছু সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করে নিলাম। এরপর আমরা চলে গেলাম জলতরঙ্গ রেস্তোরাঁর সামনে। রেস্তোরাঁর সামনে একটি ম্যাজিক বোট আছে সেটাতে চড়ার ইচ্ছে ছিল আমাদের, তবে মানুষের অনেক ভিড় ছিল তাই উঠা হয়নি ম্যাজিক বোটে।

Notes_230325_224422_89d.jpg

Notes_230325_224424_ba3.jpg

Notes_230325_224426_db4.jpg

Notes_230325_224428_930.jpg

Notes_230325_224431_f05.jpg

Notes_230325_224433_236.jpg

তারপর আমরা চলে গেলাম একটু সামনের দিকে। অল্প একটু সামনে যেতেই কাইকারটেক হাটে পৌঁছে গেলাম। তবে সপ্তাহের শুধুমাত্র রবিবার সেখানে হাট বসে। অল্প একটু সামনে যেতেই দেখলাম বিভিন্ন সাইজের অনেক বড় বড় বাঁশ বিক্রি করে সেখানে। বড় ছোট, মোটা চিকন বিভিন্ন ধরনের বাঁশ বিক্রি করছে। আমি বাঁশের ফটোগ্রাফিও করে নিলাম। এরইমধ্যে মাগরিবের আযান দিয়ে দিল। আমরা সেখানে থাকা একটি মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করে নিলাম। তারপর আমরা চলে গেলাম মসজিদের পাশে থাকা একটি চিতই পিঠার দোকানে পিঠা খেতে। ঝাল ঝাল ভর্তা দিয়ে চিতই পিঠা খাওয়ার জন্য। দোকানের ভিতরে বসার পর জানতে পারলাম কোন ভর্তা নেই। সব নাকি শেষ হয়ে গিয়েছে। কি আর করার বুটের ডাল দিয়ে পিঠা খেয়ে বিল দিয়ে দোকান থেকে বের হয়ে গেলাম। এরপর বাসায় চলে আসলাম।

Notes_230325_224435_4b4.jpg

Notes_230325_224437_f50.jpg

Notes_230325_224439_f23.jpg

Notes_230325_224441_6fe.jpg

Notes_230325_224444_982.jpg

Notes_230325_224445_522.jpg

2FFvzA2zeqoVJ2SVhDmmumdPfnVEcahMce9nMwwksSDdRvZA8GzS2DQRCenaYmQc8PKmKoqUpUeK1EYkXvpDQ1G4vq9r2thnL24nVMe9HEoTA18P3XxZmEBqKV5Qa.png

পোস্টের বিবরণ

ক্যাটাগরিভ্রমণ
ফটোগ্রাফার@mohinahmed
ডিভাইসSamsung Galaxy Note 20 Ultra 5g
তারিখ২৬.৩.২০২৩
লোকেশনw3w

বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাল্লাহ দেখা হবে অন্য কোন পোস্টে।সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

9vWp6aU4y8kwSZ9Gw15LFL3aMdhmgmBBFMpDJregpdP328CzpX9QvbjSPXbrW8KqUMMwTrRCn3xcSQ6EA6R67TcD5gLnqAWu8W41xe41azymkyM19LEXr548bkstuK4YE8RXJKQJWbxQ1hVAD.gif

আমার পরিচয়

IMG_20220605_234413_388.jpg

🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹

5ZJ4Z52ZRyQfNkCWFfXsATSsPtfkBwT3a5k8RVinr67352Jpu6E5J43D5L7yhn5d5CrcpnTvTLcF5db3ftZK7V9GzsAkLjb3PriF27x53soS8yKq9EnT1Gez2W6L2XUZu7jXnMduxdzGd4QzpYoozSDTPz3jUEkZ8x9rPrFry12vk2pkpsukTxq2kgJhF2zDYwrV.png

cyxkEVqiiLy2ofdgrJNxeZC3WCHPBwR7MjUDzY4kBNr81RRg3nBstm6z4qmufGsvFT24rqXwtpQD564XVCvACqesd3KULjLw7vQPhCNBNpraDPBk9z8jqn3ncuykugzMhQ2.png

6nSeSEzKEwjJN68tMqgZXvpyk1cf2ihqXgmWESDgXSh21PxWHDWW9CETD5B5Jw9Q6ERAnD25KhyHKAX53jBLJKQRtPJf1WFG3aJd6PXbp2rpTXdWPxnRnq65CqtM8PawHiD5knScnfCbWvcVRuFVv1rtwzsXe59AixEGDGYZT2EWzPMzrWjWrbujcJd79Q1Sjs2X.gif

Sort:  
 3 years ago 

মুক্তমনা পরিবেশ এবং নদীকেন্দ্রিক স্থানে ভ্রমণ করতে বরাবরই আমার খুবই ভালো লাগে।।
আপনার মত আমিও একজন ভ্রমণ পিপাসু বলতে পারেন।।
সময় পেলেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে দিতে পার করে দিয়ে অনেকটা জায়গা।

জায়গাটি ভ্রমণ করে আপনি অনেক সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন ফটোগ্রাফি গুলা দেখেই বুঝতে পারলাম।।

 3 years ago 

আসলেই ভাই খোলামেলা পরিবেশে এবং নদীর ধারে ঘুরাঘুরি করতে ভীষণ ভালো লাগে। প্রাণ খুলে নিঃশ্বাস নেওয়া যায়। গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

 3 years ago 

বিকেলবেলা বন্ধুদের সাথে ভালো সময় কাটিয়েছে। বিকেল বেলায় এরকম করে সময় কাটাতে খুবই ভালো লাগে। আর সবার সাথে চিতল পিঠা দিয়ে ভর্তা খাওয়ার মজাটাই আলাদা । সাথে ফটোগ্রাফি গুলো আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। বিকেলবেলা বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

 3 years ago 

ঠিক বলেছেন আপু, বিকেলবেলা এভাবে সময় কাটাতে সত্যিই বেশ ভালো লাগে। সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে সাপোর্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

বিকালবেলা বন্ধুদের সাথে ভ্রমণের মুহূর্তটা সত্যিই অসাধারন। আপনার বন্ধুদের সাথে অনেক আনন্দময় মুহূর্ত উপভোগ করেছেন। সেই মুহূর্তে আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

 3 years ago 

সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত প্রকাশ করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই।

 3 years ago 

যেহেতু অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে বিকেল বেলায় ঘোরাঘুরি করার জন্য গিয়েছিলাম তাই মনে হচ্ছে অনুভূতিটা বেশ অন্যরকম ছিল। বন্ধুদের সাথে এভাবে বিভিন্ন জায়গায় যেতে একটু বেশি পছন্দ করেন দেখে বোঝা যাচ্ছে। আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য খুবই সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফিও করেছেন। চিতল পিঠা দিয়ে ভর্তা খাওয়ার মধ্যে অন্যরকম একটা ভালো লাগা রয়েছে বিশেষ করে সবার সাথে বসে খাওয়ার মধ্যে। আপনার সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে ভালো লাগলো।

 3 years ago 

জি আপু বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করতে খুব ভালো লাগে। ভর্তা ছিল না বিধায় ভর্তা দিয়ে চিতই পিঠা খেতে পারিনি। বরাবরের মতো সুন্দর সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে উৎসাহিত করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু। ভালো থাকবেন সবসময়।

 3 years ago 

বন্ধুদের সাথে বিকেল বেলায় সময় কাটানোর মুহূর্ত টা অন্যরকম। আমরা প্রত্যেকদিন বন্ধুদের সাথে বিকেল বেলায় ঘুরতাম একত্রে মিলিত হয়ে। আপনি ঠিকই বলেছেন ভাই ব্রীজের উপরে দাঁড়িয়ে থাকলে বাতাস লেগে যায় এবং মনে হয় যে প্রাণটা জুড়ে গেল। বিকেলবেলা বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করে সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

 3 years ago 

আপনারা প্রতিদিন বিকেল বেলা ঘুরতেন জেনে খুব ভালো লাগলো ভাই। আসলে বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করার মজাই আলাদা। সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

 3 years ago 

বন্ধুর সাথে কাইকারটেক ব্রীজে ঘুরতে গিয়ে খুবই ভালো সময় কাটিয়েছেন আপনি। ব্রীজে আশেপাশে অনেক দোকান দেখতে পাচ্ছি খুবই সুন্দর লাগলো। ভর্তা দিয়ে চিতই পিঠা খেতে অনেক বেশি মজা লাগে। আপনার বন্ধুর সাথে খুবই সুন্দর একটি বিকেল কাটিয়েছেন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।

 3 years ago 

জি আপু সবমিলিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছিলাম সেদিন। এতো সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

মাঝে মধ্যে বন্ধুদের সাথে একটু আড্ডা দিতে অনেক ভালো লাগে। যদি দিনটি শুক্রবার হয় তাহলে আরো আড্ডা জমে যায়। আপনি ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে বেশ মজার সময় কাটিয়েছেন বিকেলের মুহূর্তে অনেক ভালো লাগলো আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে জায়গাটি বেশ সুন্দর এবং মনোরম পরিবেশ। যাক অবশেষে বন্ধুদের সাথে একটি ভালো মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

আসলেই আপু শুক্রবারে আড্ডাটা একটু বেশিই জমে। সবাই মোটামুটি ফ্রি থাকে। গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

আপনার বন্ধুদের সাথে বিকেলে বেশ সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।এভাবে বিকেলে বন্ধুরা মিলে ঘুরতে গেলে অনেক ভালো লাগে।কাইকারটেক ব্রিজ বেশ ইউনিক নাম কিন্তু আবার সুন্দর ও জায়গাটি। এজন্যই জায়গাটি তে এতো বেশি মানুষ ঘুরতে আসে মনে হয়।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

জি আপু এমনিতে এই জায়গায় অনেক মানুষ আসে ঘুরতে। বেশ খোলামেলা পরিবেশ তো সেজন্য। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

দেখেই বোঝা যাচ্ছে ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। আসলে বিকেলবেলা ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে অনেক বেশি ভালো লাগে। বিশেষ করে বিকেল বেলার মৃদু হাওয়া যখন শরীর লাগে তখন শরীরের মধ্যে এক অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করে। অবশেষে চিতই পিঠা খেয়ে বাসায় ফিরেছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো, আপনাদের সুন্দর মুহূর্তটা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

 3 years ago 

জি ভাই ব্রিজের উপর দাঁড়িয়ে মৃদু হাওয়া শরীরে লাগানোর ব্যাপারটাই অন্য রকম। যথাযথ মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ভাই।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.102
BTC 63940.60
ETH 1804.05
USDT 1.00
SBD 0.38