ট্রাভেলিংঃ-রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্কে ঘোরাঘুরির পর্ব-২।
সবাইকে শুভ দুপুর,
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আশা করি আপনারা সকলে ভাল আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আমিও ভাল আছি সৃষ্টিকর্তার অসীম রহমতে আপনাদের দোয়ায়। বন্ধুরা আপনাদের দিনকাল কেমন যাচ্ছে হয়তো ব্যস্ততা সকলেরই বেড়ে গেছে। যেহেতু দেখতে দেখতে রোজা প্রায় চলে যাচ্ছে এবং ঈদের দিন ঘনিয়ে আসতেছে। ঈদের ব্যস্ততা আমাদের সকলের কে অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়। যেহেতু অনেক কিছু কেনাকাটা থাকে এবং ঈদ উপলক্ষে সবাইকে বাড়িতে ফিরতে হয় ব্যস্ততম কিছুদিন কাটাতে হয় সবার। সত্যি দিন গুলো যদিও ব্যস্ততার মধ্যে যায় তারপরও আমরা অনেক বেশি আনন্দ পেয়ে থাকি। এই আনন্দ হচ্ছে ঈদের আনন্দ। এই আনন্দ হচ্ছে খুশির আনন্দ সবার ঘরে ঘরে। সবার ঈদ আনন্দময় হোক সেই কামনা করছি।
বন্ধুরা আজকে আমি আবার উপস্থিত হয়েছি নতুন এটি ব্লগ নিয়ে। আশা করি আমার আজকের ব্লগিং আপনাদের কাছে ভালোই লাগবে। গত পর্বে আমি শেয়ার করেছিলাম পলওয়েল পার্কে ঘোরাঘুরির প্রথম পর্ব। প্রথম পর্বে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম ঘোরাঘুরি করার জন্য আমরা পলওয়েল পার্কে প্রবেশ করি। আসলে এত বড় একটি পার্ক এত সুন্দর একটি জায়গায় এখানে স্বল্প সময়ের মধ্যে ঘোরাঘুরি করে শেষ করা যাবে না। প্রথমে প্রবেশ করার পরে দেখতে পেলাম বাচ্চাদের খেলাধুলার জিনিস গুলো। তাছাড়া বিভিন্ন বন্য প্রাণির দৃশ্য। আর বাচ্চারা তো খেলাধুলা দেখলে সেখান থেকে আর যেতে চায় না।
বাচারা ব্যস্ত হয়ে পড়ল খেলাধুলা নিয়ে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের খেলনার আইটেম ছিল বাচ্চাদের। এটা এক প্রকার ধান্দা বলতে পারেন পার্কের। কারণ বাচ্চারা তো খেলনা দেখলে চড়তে চাইবে। আর এত দাম রাখে একটা রাইডের জন্য। যদিও প্রবেশের সময় টাকা কম নেই কিন্তু ভিতরে সব জিনিসের দাম বেশি। বাচ্চারা তো একটার পর একটাতে চড়তে থাকছিল। আমিও চুপচাপ বসে থাকছিলাম কিছুক্ষণ। আবার চিন্তা করলাম বসে থেকে লাভ নেই ছবি নিতে হবে হি হি হি। বাচ্চাদের বাবারা বাচ্চাদের সময় দিয়েছিল। আসলে বাচ্চাদেরকে দৌড়াদৌড়ি করার ক্ষেত্রে মায়েদের চেয়ে বাবারাই বেশি পারে। সে বিষয়ে বাবারা বেশ পারদর্শী বলতে হয়। পলওয়েল পার্কের বেশ কিছু জিনিস আমাকে অনেক বেশি মুগ্ধ করেছিল।
প্রবেশ করার পরেই বেশ সুন্দর সুন্দর হরিণের দৃশ্য দেখতে পাই। এর পরেই দেখতে পেলাম গ্রাম বাংলার সেই হারিয়ে যাওয়া ঢেঁকির দৃশ্য। আমাদের গ্রাম বাংলার নারীদের জীবনে অনেক কিছু স্মৃতি জড়িত আছে এই ঢেঁকিকে কেন্দ্র করে। এই ঢেঁকি ছাড়া গ্রাম বাংলার নারীদের কাজের কথা চিন্তা করা যেত না। গ্রামে ধান বানা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলি তৈরি করা সবকিছুতে ঢেঁকির ব্যবহার অনেক বেশি ছিল। ঢেঁকি দেখে আমার খুবই ভালো লাগছিল। আমার এখনো মনে আছে যখন শীতকাল আসতো পিঠার উৎসব পড়ে যেত গ্রামের মধ্যে। চারদিকে ঢেঁকির আওয়াজ পুরো গ্রামকে মাতিয়ে রাখতো।
গ্রামের নারীরা যাবতীয় কাজগুলো ঢেঁকি দিয়ে করতেন। মরিচ গুঁড়ো করা থেকে শুরু করে চালের গুঁড়া এবং সাংসারিক অন্যান্য যাবতীয় কাজকর্মগুলো ঢেঁকি দিয়ে করা হতো। ভীষণ ভালো লাগতো সবাই মিলে ঢেঁকির মধ্যে কাজ করতেন আর একে অপরকে সহযোগিতা করতেন। তাছাড়াও সিদ্ধ চাল গুলো ঢেঁকিতে ছাঁটাই করা হতো। গ্রাম বাংলার সেই সোনালী দিন গুলো কোথায় হারিয়ে গেল দিন দিন। কিন্তু ঢেঁকি দেখে আমার সেই হারানো দিনের স্মৃতিগুলো বার বার মনে পড়ছিল। আপনারা অবশ্যই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে কিছু দৃশ্য দেখতে পারবেন সেখানে আবার মুরগিরা ধান খেতে আসছে ঢেঁকির পাশে হা হা হা। খুব মজার কিছু দৃশ্য দেখতে পেয়েছিলাম।
যেহেতু বাচ্চারা খেলাধুলা করছিলেন বিভিন্ন রাইডের মধ্যে তারা চড়ছিলেন তো আমি বসে থাকছিলাম। আবার বসা থেকে উঠে চারদিকে দেখছিলাম। যেহেতু বাচ্চারা অনেক বেশি সময় নিচ্ছে তাই আমারও বোরিং লাগছিল। আপনারা অবশ্যই ফটোগ্রাফির মাধ্যমে বুঝতে পারবেন এই পর্বে পার্কটি একটি উঁচু পাহাড়ের মধ্যে অবস্থিত ছিল। পার্কের উপর থেকে নিচের দিকে তাকালেই মনে হবে যে নিচের দৃশ্য গুলো খুবই ছোট আকারের দেখা যাচ্ছে। মানুষের আকৃতি খুব ছোট দেখছিলাম এবং গাড়ি গুলো খুবই উঁচু থেকে নিচে দেখা যাচ্ছিল।
এছাড়াও পলওয়েল পার্কের একটা বিষয় আমার বেশ ভালো লেগেছে তা হচ্ছে বাইরের প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো। একটা পাহাড়ের উপর বসে যদি এত সুন্দর লেকের দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায় তাহলে ভীষণ ভালো লাগার কাজ করে। যখনই বাইরের দৃশ্য গুলো দেখছিলাম তখন মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না আমি। মনে হয়েছিল আমি বাংলাদেশে ছিলাম না হা হা হা। এত সুন্দর দৃশ্য দূরে পানি আর পানি এবং আকাশের দৃশ্য বেশ ভালো লাগছিল। যদিও বলছিলাম বেশ তাড়াহুড়ের মধ্যে আমি ফটোগ্রাফি গুলো নিয়েছিলাম। তবে যতটুকু সময় পেয়েছিলাম বেশ ভালই উপভোগ করেছিলাম।
পলওয়েল পার্কে বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর আইটেম রাখছিলেন সবার জন্য। তাছাড়াও লেকের মাঝখানে যাওয়ার মত ব্যবস্থা ছিল। সেখানে অনেক গুলো ভোট রাখা হয়েছিল। বলতে পারেন পার্কে প্রবেশ করলে এমনিতেই দিন টা শেষ হয়ে যাবে। এত গুলো রাইডস ছিল বাচ্চাদের জন্য। আর বড়দের জন্য দেখার অনেক কিছু অপশন ছিল। সবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ একটি সময় কাটিয়েছিলাম বেশ ভালই লাগছিল আমার কাছে। কিন্তু আমার তো আসতেই মন চাইছিল না। আমার আরও কিছুক্ষণ থাকার ইচ্ছে ছিল সেখানে।
আমার মন চাইছিল পার্কে বসে পড়ন্ত বিকেলের দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে। সেই খোলামেলা পরিবেশের মধ্যে বসে নাস্তা খাব সুন্দর সুন্দর সময় কাটাবো সেই ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তা হয়নি। আসলে ছোট বাচ্চাদেরকে নিয়ে বাইরে ঘোরাফেরা করা বেশ কষ্টের আর এতদিন সম্ভব নয় বাইরে থাকার। বিশেষ করে বাচ্চাদের খাওয়া দাওয়া নিয়ে বেশ সমস্যা হয়ে যাচ্ছিল। তাই আমাদের ফিরে আসার একটু তাড়াহুড়ো ছিল। সেজন্য তাড়াহুড়োর মধ্যেও আমরা বেশ কিছু জায়গা দেখার চেষ্টা করেছিলাম। যেহেতু এতো দূরের রাস্তা বারবার যাওয়া সম্ভব হয় না।
বাচ্চারা বেশ কিছুক্ষণ খেলাধুলা করার পরে তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে আসি। নিয়ে আসার পরে অন্যদিকে দেখতে গেলাম যেখানে ঝুলন্ত ব্রিজ ছিল বেশ সুন্দর একটি। আশা করি আপনাদের কাছে আমার আজকের পর্ব বেশ ভালই লেগেছে। বন্ধুরা সাথে থাকবেন পরবর্তী পর্ব শেয়ার করব আশা করি ভালো লাগবে।
| ডিভাইসের নাম | Wiko,T3 |
|---|---|
| মডেল | W-V770 |
| Location | রাঙ্গামাটি পলওয়েল পার্ক |
| ফটোগ্রাফার | @samhunnahar |
| ক্যাটাগরি | ট্রাভেলিং |
সবাইকে অনেক ধন্যবাদ সময় দিয়ে আমার লেখা পড়ার জন্য।
💘ধন্যবাদ সবাইকে💘
আমার পরিচয়
আমি সামশুন নাহার হিরা। আমার ইউজার আইডি @samhunnahar। আমি আমার বাংলা ব্লগে কাজ করছি বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে। আমি বাংলা ভাষায় লিখতে-পড়তে ভালবাসি। আমি রান্না করতে পছন্দ করি। ভ্রমণ আমার কাছে অনেক ভাল লাগে। আমি সব ধরনের ফটোগ্রাফি করতে পছন্দ করি। আমি গান গাইতে এবং কবিতা আবৃত্তি করতে ভীষণ ভালবাসি। আমার মনের ভাব বাংলায় প্রাকাশ করতে পেরে অনেক আনন্দিত। তার জন্য আমার প্রাণের কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"কে অনেক ভালবাসি।
দেখতে দেখতে আমরা রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্কে ঘোরাঘুরির পর্ব-এ পৌঁছে গেলাম।পর্ব নং 2 এ আমরা এখানকার বেশ কিছু প্রাকৃতিক দৃশ্য বিভিন্ন রাইড এবং সুন্দর সুন্দর কিছু দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। যেগুলো ফটোগ্রাফি আপনি খুবই দক্ষতার সাথে করেছেন আপু। বাচ্চাদের এটা অভ্যাস হই যে তারা রকম জায়গা বলতে গেলে অবশ্যই রাইডগুলোতে উঠতে চাইবে। যাইহোক তাদের খেলা করার সময় আপনি বাইরের বেশ কিছু দৃশ্য ক্যাপচার করেছেন ফোনে সেগুলো আমাদের দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
বেশ সুন্দর একটি সময় ছিল ভাইয়া। অনেক আনন্দ করেছিলাম অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
রাঙ্গামাটি পোলোওয়েল পার্কে দারুন সময় কাটিয়েছিলেন। রাঙ্গামাটি শহরে অনেক ঘুরাঘুরি করা হয়েছে। এই পলওয়েল পার্ক এ যাওয়া হয়নি। সেখানে আপনি খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। পাহাড়ি অঞ্চলে এইরকম পার্ক সত্যিই ভিন্ন এক সৌন্দর্য বয়ে আনে। সেই দৃশ্য দেখে ভালো লাগলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সময় দিয়ে আমার আজকের ব্লগিং ভিজিট করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলেই আপু দেখতে দেখতে রোজা শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং ঈদ ঘনিয়ে আসছে। আর ঈদের ব্যস্ততা যেন আরো বেশি হবে এবং শপিং এর ব্যস্ততা রয়েছে। তারপরে ঈদের কাজকামের অনেক ব্যস্ততা থাকে। যাই হোক আজকে আপনি রাঙ্গামাটি ভ্রমণের সেই মুহূর্তগুলোর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন। এই ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো। এত সুন্দর একটি জায়গা ভ্রমণ করেছেন। আর এরকম দৃশ্য দেখলে বাচ্চারা সেখানে উঠতে চায়। যাইহোক আজকে আপনার ফটোগ্রাফি দেখে অনেক ভালো লাগলো।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার ব্লগিংটা পড়ে ভালো লাগার জন্য।
আপনি যে কতটা ভ্রমণ প্রিয় মানুষ তা আপনার পোস্টগুলো দেখলে যে কেউ বুঝতে পারবে। তবে আপনি বাচ্চাদের নিয়ে বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছেন। আমি তো আমার ছোট বাচ্চাদের নিয়ে এত দূরে ভ্রমন করতে কোনভাবেই সাহস পাইনা। পলওয়েল পার্কে ভ্রমণ করে আমাদের মাঝে আজকে চমৎকার পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছেন। সত্যি বলতে পার্কটি আমার কাছে এক কথায় অসাধারণ লেগেছে। আর এ ধরনের পার্কে বাচ্চারাও বেশ আনন্দ করে থাকে। অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
বাচ্চাদেরকে নিয়ে পার্কে গেলে বেশ সুবিধা হয় বাচ্চারা অনেক কিছু জানতে পারে শিখতে পারে।
পলওয়েল পার্কে ঘুরাঘুরির প্রথম পর্ব টা আমি দেখেছিলাম। আর আজকে দ্বিতীয় পর্ব টা খুবই ভালো লেগেছে। রাঙ্গামাটির এই পার্কটার সৌন্দর্য দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। এত সুন্দর সুন্দর দৃশ্য এখানে ছিল দেখেই তো মুগ্ধ হয়েছি। মহিলাদের কাজ করার দৃশ্যের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। মূর্তিগুলো দেখতে তো খুব দারুন লাগছিল। এগুলো আগে গ্রামে প্রচুর দেখা যেত এখন বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে। খুব ভালো সময় অতিবাহিত করেছিলেন রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্কে বুঝতেই পারছি।
ঠিক বলছেন এই ঢেঁকির প্রচলন দিন দিন গ্রাম থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্ক ভ্রমণ করে চমৎকার একটি ভ্রমণের পোস্ট আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আসলে পার্কের পরিবেশটি দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে। আর এরকম সুন্দর পার্কে সময় কাটানোর মজাই আলাদা। একই সাথে পার্কের বিভিন্ন দৃশ্যের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে। অনেক সুন্দর একটি ভ্রমণের পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
অনেক ভালো লেগেছে আপনি আমার পোস্ট পড়ে সুন্দর অনুভূতি প্রকাশ করেছেন অসংখ্য ধন্যবাদ।
https://twitter.com/nahar_hera/status/1773023198176563389?t=NxBn6m1zhIlaqdPBz6MQ_Q&s=19
রাঙ্গামাটির পলওয়েল পার্কে ঘোরাঘুরির প্রথম পর্ব আমি দেখেছিলাম৷ আজকে এর দ্বিতীয় পর্ব দেখে খুবই ভালো লাগলো৷ আসলে রাঙ্গামাটি খুব সুন্দর একটি জায়গা৷ সেখানে অনেকগুলো সুন্দর সুন্দর ঘোরার স্থান রয়েছে এবং আপনি আজকে এই দ্বিতীয় পর্বের মাধ্যমে অনেক কিছুই আমাদের মাঝে ফুটিয়ে তুলেছেন৷ ম খুব সুন্দর কিছু সময় সেখানে অতিবাহিত করেছেন যা দেখে খুবই ভালো লাগছে৷ আশাকরি আরো অনেকগুলো পর্বের মাধ্যমে এই স্থান সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবো৷ অসংখ্য ধন্যবাদ।।
সময়টা খুবই সুন্দর ছিল ভাইয়া অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।