বিকেলবেলা পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটার সময় ভালো লাগার কিছু মুহূর্ত | ১০% লাজুক খ্যাঁক এর জন্য
আশাকরি সকলেই সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে সুস্থ আছেন এবং ভাল আছেন। সেই সাথে আশা করি আপনারা যেখানেই থাকুন না কেন পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো সময় কাটাচ্ছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের সাথে পাহাড়ি রাস্তায় বিকেল বেলা হাঁটার সময় কিছু মুহুর্ত শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
বিকেলে হেঁটে চলা আমার খুব পছন্দের একটি ভালো লাগার মুহূর্ত। তাই আমি প্রায় সময়ই চেষ্টা করি বিকেলে কিছু সময়ের জন্য হলেও হেঁটে আসার জন্য। বর্তমান সময়ে আমি পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করছি। আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর পাহাড়ি অঞ্চল আমার খুব পছন্দের একটি। তাই এই সুযোগটি কাজে লাগানোর জন্য বিকেলবেলা রাস্তায় হাঁটতে বের হয় এবং প্রকৃতির বিভিন্ন রকম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করি। কারণ এখানে যেখানেই হাঁটতে বের হই না কেন চারদিকে পাহাড় আর পাহাড় এবং পাহাড়ে রয়েছে সবুজ শ্যামল পরিবেশ অর্থাৎ সবুজ গাছপালা। যা দেখলে মন সতেজ হয়ে উঠে।
গত কিছুদিন আগে বিকেল বেলা রাস্তায় হাঁটার উদ্দেশ্যে বের হই। নির্দিষ্ট কোন গন্তব্য স্থল না থাকার কারণে আমরা তিনজন আমাদের বাসার সামনে আর্মি ক্যাম্প তথা চেকপোস্টের সামনে এবং মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের কাছে হাঁটতে যাই। এই রাস্তাটিও মূলত পাহাড় কেটে বানানো হয়েছে। কাম এই রাস্তাটি ও সমতল থেকে অনেক উঁচুতে। এমনকি এই জায়গা দিয়ে বাস কিংবা অন্যান্য যানবাহন যখন চলাচল করে তখন এটি খুব ব্যস্ত হয়ে যায় অনেক সময় অনেক গাড়ির স্টার্ট বন্ধ হয়ে যায়। কারণ এখানে খাড়া উপরের দিকে উঠতে হয়। তাই এখানে প্রায় সময়ই দেখা যায় বাস যত গতিতেই চলুক না কেন এখানে এসে একেবারে ধীরস্থির গতিতে চলে। এই রাস্তাটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর উপজেলার মেঘলা পর্যটন স্পটেরকাছাকাছি অবস্থিত।
এই রাস্তাটি কিছুদিন আগে আবার নতুন করে মেরামত করা হয়েছে এবং আগের তুলনায় মজবুত করে করা হয়েছে। অবশ্য এর কারণ হচ্ছে বান্দরবানের সকল রাস্তাঘাট সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হয়ে থাকে হয়ে। তাই এখানে রাস্তাঘাট অনেক মজবুত হয়। যাই হোক এই রাস্তাটা চারপাশে পাহাড় আর পাহাড়। তাছাড়া রাস্তার পাশে রয়েছে সুন্দর সুন্দর গাছপালা। তাই দেখতে খুব সুন্দর দেখা যায়। বিশেষ করে রাস্তার একপাশে পাহাড় এবং অন্য পাশ খালি হওয়ার কারণে কিছুটা ভয় অনুভূত হয়। তাই এখানে চলাফেরা করার ক্ষেত্রেও কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।
| ছবির ধরন | পাহাড়ি অঞ্চলের ফটোগ্রাফি |
|---|---|
| ডিভাইসের নাম | স্যামসাং গ্যালাক্সি জে ৭ |
| ফোকাস দূরত্ব | ৩.৬ মি.মি. |
| ফটো লোকেশন | রেইছা থলিপাড়া, বান্দরবান |
| W3W লোকেশন | লোকেশন |
| ফটোগ্রাফার | kawsar8035 |
আমি মোঃ কাউছার হাসান। জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশী নাগরিক। তাই নিজেকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি। কেননা এদেশের প্রকৃতির মাঝে আমার বেড়ে ওঠা এবং এদেশের বুকে আমার বসবাস। পেশায় একজন শিক্ষক। সব সময় নতুন কিছু শেখার মাধ্যমে আনন্দ খুঁজে পাই এবং সেইসাথে প্রকৃতির মাঝে ভ্রমণ করার মাধ্যমে নিজেকে খুঁজে পাই।
সবুজ প্রকৃতির পাহাড়-পর্বত সবসময়ই আমার অনেক ভালো লাগে আপনি খুব সুন্দর কিছু আলোকচিত্রসহ আপনার সুন্দর অনুভূতি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন খুবই ভালো লাগলো
সত্যি বলতে ভাই বান্দরবানের এরকম পাহাড়ি এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে কার না ভালো লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলোতে পরিবেশটা দেখে মন চাচ্ছে আজকেই একটু ঘুরে আসি চাইলে তো আর হয়না সময়ের প্রয়োজন। যাইহোক খুবই চমৎকার ভাবে ঘুরতে বেরিয়ে পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শনের মাধ্যমে বেশ কিছু ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। তবে আমি আপনাকে একটা কথাই বলবো আপনার ফটোগ্রাফি গুলো আরো ভালো করার চেষ্টা করবেন। ফটোগ্রাফি গুলো একটা পোস্ট এর কোয়ালিটি অনেকটা বাড়িয়ে তোলে। অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনার এই পোস্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে আপনি বিকেল বেলা পাহাড়ি রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করার সময় অনেক চমৎকার একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন। সেই সাথে কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফি ও আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো। এত সুন্দর মুহুর্ত শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।