ভ্রমণ কাহিনী :- হরিপুর ব্রিজ কুষ্টিয়া।
আমি @tuhin002
বাংলাদেশ থেকে।
১০ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ।
০৭ মহরম ১৪৪৪ হিজরি। ২৫ জুলাই ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ।
হরিপুর ব্রিজটি অবস্থিত গড়াই নদীর উপরে। প্রথমে গড়াই নদী সম্পর্কে কিছু কথা বলে নি, তারপর না হয় ব্রিজটি সম্পর্কে লেখা যাবে। গঙ্গা নদী তথা পদ্মা নদীর একটি প্রধান শাখা নদী গড়াই নদী। যেটি অতিবাহিত হয়েছে কুষ্টিয়া শহরের উপর দিয়ে। বলতে গেলে গড়াই নদীর তীরে কুষ্টিয়া শহর অবস্থিত। এই নদীটির দৈর্ঘ্য ৮৬ কিলোমিটার। কুষ্টিয়া জেলার হাটশহরিপুর ইউনিয়নের অবস্থিত গড়াই নদীটি প্রভাবিত হয়ে মাগুরা জেলার মধুমিতা নদীতে পতিত হয়েছে। একসময় এই গড়ায় নদীতে ছিল অফুরন্ত ঢেউ। কিন্তু এখন আর এই তার ঢেউ দেখা যায় না এই নদীর বুকে। ধীরে ধীরে আবর্জনা ফেলার কারণে প্রায় বদ্ধভূমিতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে এই গড়ায় নদী। বর্তমানে কুষ্টিয়াতে গড়াই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অনেক পার্ক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য রয়েছে রেনউইক বাঁধ ও মনপুরা বাঁধ। কুষ্টিয়ার গড়াই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বালির ব্যবসা। এটি দেখা যায় কুষ্টিয়ার পাকশি ব্রিজের কাছাকাছি। গড়াই নদী থেকে বালি উত্তোলন করে সেগুলো বিক্রি করা হয়।
আবার এই নদীকে কেন্দ্র করে মাঝিরা তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে এমনকি জেলেরা এই নদীকে কেন্দ্র করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে। প্রতি বছর বর্ষার সময় জেলেরা ইলিশ মাছ ধরে সেগুলো ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে অনেক টাকা উপার্জন করে থাকে। এমনকি তারা বর্ষা কাল ছাড়াও অন্যান্য সময় ও চোরাই পদ্ধতিতে ধরে থাকে। একসময় গড়ায় নদীর এপার থেকে ওপারের হাতে ব্যবস্থা ছিল শুধুমাত্র নৌকা। তবে এখন এই যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য গড়াই নদীর ওপরে তৈরি করা হয় এই ব্রিজটি। এই ব্রিজটি হাটশহরিপুর ইউনিয়নে ওপর দিয়ে অবস্থিত তাই এই ব্রিজটির নাম দেওয়া হয় হরিপুর ব্রিজ। বর্ষাকালে যখন নদীর পানি অনেক ভরা থাকে তখন নৌকায় এপার থেকে ওপারে যাতায়াত করা সত্যিই অনেক কষ্টকর হয়ে যায়। এমনকি কুষ্টিয়াতে অনেক নৌকাডুবি হয়েছে। হরিপুরের অনেক শিক্ষার্থী আছে যারা ওপার থেকে এপার এপারে আসে নৌকাতে এবং বর্ষার সময় যাতায়াতের অনেক অসুবিধা হয়। আর তাদের সুবিধার্থেই তৈরি করা হয় এই হরিপুর ব্রিজ। হরিপুর বৃষ্টি তৈরিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেন কুষ্টিয়ার এমপি হানিফ।
এমন একটা সুন্দর জায়গায় কিছু সময় কাটাতে কার না ভালো লাগে, ঠিক তেমন আমাদেরও অনেক ভালো লেগেছিল। আমরা সেখানে প্রায় দুই ঘন্টা অবস্থান করছিলাম। ব্রিজের সব জায়গা গুলো ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম। সেখানে এই সময়টুক আমার কাছে যেন খুবই ভালো লেগেছিল। শেষে আসার সময় ওখানে ৬ নম্বর পৌর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ছবি তুলেছিলাম। এই বিদ্যালয়টি আদ্ দ্বীনের সামনে। এরপরে ওখান থেকে এসে আমার একটা হোটেলে যায় এবং কিছু খাওয়া দাওয়া করে এবং খাওয়া দাওয়া করেছিস আমার ওপরে বাড়ির দিকে রওনা হয়। এই ছিল আমার ওই দিনের ভ্রমণ কাহিনী। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। এবং আপনারা এই হরিপুর ব্রিজ সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছে।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | ভ্রমণ কাহিনী । |
|---|---|
| ডিভাইস | poco M2 |
| লেখক | @tuhin002 |
| লোকেশন | https://w3w.co/sloth.throwing.endures |
আজ এ পর্যন্তই, আবারো নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হবো, ইনশাআল্লাহ। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইল।
আল্লাহ হাফেজ।
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1683752783386910720?t=y1S_vsckO2zbFSEQ5ZSzrw&s=19
বেশ দারুন কিছু সুন্দর অনুভূতি ও ফটোগ্রাফি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। কুষ্টিয়া হরিপুর ব্রিজে আমরা অনেক সময় কাটিয়েছি । অনেক সুন্দর একটি জায়গা অনেকে ওখানে সুন্দর কিছু মুহূর্ত অতিবাহিত করার জন্য গিয়ে থাকেন। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাই।
বাহ্ ভাই বেশ সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছেন আপনার সহধর্মিনীর সাথে। আমাদের কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর ব্রিজ ভ্রমণ কাহিনী পড়ে বেশ ভালো লাগলো। আসলে এখানে বিকালে এই ব্রিজের উপর প্রচুর পরিমাণে লোক হয়। এখানকার বিকালের পরিবেশটা অনেক বেশি সুন্দর লাগে। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আমার মন্তব্যের সুন্দর ফিডব্যাক দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।