বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানোঃ পর্ব -২ (London O2)
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে হাজির হয়ে গেলাম বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানোর ২য় পর্ব নিয়ে।এই দিন আমরা গিয়েছিলাম London O2 তে। খুবই চমৎকার একটি জায়গা, বিশাল এলাকা নিয়ে গঠিত।ছোট বড় সকলেরই অনেক পছন্দের। পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর উপযুক্ত একটি স্থান।অনেক কিছুই আছে এখানে।নিরিবিলি খোলা পরিবেশ।Thames নদীতে বড় বড় লঞ্চে উঠে চারিদিক পর্যবেক্ষণ করতে কতই না ভালো লাগে। আর নদীর উপর দিয়ে cable car এ ঘুরে বেড়ানো যে কত আনন্দের তা আর বলে বোঝাতে পারবো না। হ্যাঁ বন্ধুরা লন্ডন O2 তে যাওয়া থেকে শুরু করে আসা পর্যন্ত অনেকগুলো ফটোগ্রাফি করেছি, যা এক দিনে শেষ করা সম্ভব নয়।আমি চাই সবগুলো ফটোগ্রাফি আপনারা খুব সুন্দর ভাবে উপভোগ করুন। তাই আজকের এই পর্ব কে আমি কতগুলো ভাগে ভাগ করেছি। আজকে তার ১ম পর্ব।আমার এই পর্বগুলোকে মোটামুটি ফটোগ্রাফি হিসেবেই ধরা হবে, কারণ এখানে বেশিরভাগই ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের অনেক ভালো লাগবে।চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
যেহেতু আমারা এবং আমার ছোট ভাসুর একই এলাকায় থাকি তাই আমরা কোথাও ঘুরতে গেলে সবাই একসাথেই বের হই। সবাই মিলে আগে থেকেই প্লান করি কবে কোথায় যাব।আগেই আপনাদের বলে রেখেছিলাম অনেকগুলো স্থান বাছাই করা হয়েছে। তবে যেভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে ঘর থেকে বের হওয়াই কষ্টকর। তারপরও আগে থেকে ওয়েদার দেখে দেখে আমরা প্ল্যান করছি।যাইহোক আমাদের জার্নিটা হয়েছিল ট্রেনে।ট্রেনে পরিবার নিয়ে জার্নি করার মজাই আলাদা। বাচ্চারা সহ আমরা মোট ছিলাম আট জন। টোটাল জার্নির সময় ছিল এক ঘন্টা।সবাই মিলে গল্প করতে করতে কখন যে সময় হয়ে গেল নেমে যাওয়ার তা আর বুঝতেই পারিনি। অবশেষে আমরা পৌঁছে গেলাম নর্থ গ্রিনউইচ ট্রেন স্টেশনে। সেখান থেকে মাত্র তিন চার মিনিটের রাস্তা হেঁটে যেতে লাগে। চলুন তাহলে এক নজরে দেখে নেওয়া যাক London O2 তে যাওয়ার সময় কিছু ফটোগ্রাফি।
ট্রেন স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
ট্রেনের ভিতরে। সকাল ১০ঃ৩০ মিনিটে আমরা ট্রেনে উঠি এ কারণে ট্রেনটি বেশ ফাঁকা ছিল।
এরপর ট্রেন থেকে নেমে আন্ডারগ্রাউন্ডে যাচ্ছি অন্য একটি ট্রেনে ওঠার জন্য।
আন্ডারগ্রাউন্ডে বেশির ভাগ সময়েই ট্রেনে অনেক ভিড় থাকে।অনেক কষ্টে সিট পেয়েছিলাম। যদিও চারটি স্টপ, খুব দ্রুত ট্রেন চলে।
ট্রেন স্টেশন থেকে বের হয়ে পৌঁছে গেলাম আমাদের কাঙ্খিত O2 তে।
জাপানি লেখা দেখে মনে হচ্ছিল যে আমরা জাপানে, এটি জাপানিজ একটি রেস্টুরেন্ট।
ওই এরিয়ার মধ্যে সুন্দর সুন্দর কতগুলো বিল্ডিং।
দূর থেকে cable car গুলো দেখা যাচ্ছে। আগামী পর্বে কেবল কার এ উপভোগ করা ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
কেবল কারে ওঠার জন্য টিকিটের জন্য অপেক্ষা।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
| Location |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
লন্ডন O2 আবার আছে নাকি। শুনেই তো অবাক হলাম। তবে যা বলেছেন আপু আমাদের জন্য আরও অনেক ফটোগ্রাফি শেয়ার করবেন। হুম আপু এটাই তো আমাদের শান্তি। আরে বুঝলেন না দুধের স্বাদ গোলে মেটানো এই আর কি। বেশ সুন্দর একটি জায়গা। নদী আর প্রকৃতি কে বাচ্চারা বেশ ভালোই উপভোগ করেছে বলে মনে হচ্ছে। অনেক দারুন কিছু ফটোগ্রাফি আামাদের সাথে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা প্রতিটি ফটোগ্রাফি কিন্তু আমাকে মুগ্ধ করে দিয়েছে। ধন্যবাদ আপু লন্ডন O2 কে দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন বাচ্চাদের স্কুল হলিডে উপলক্ষে বেড়ানো দ্বিতীয় পর্ব। আপনার প্রথম পোস্ট আমি পড়েছিলাম আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল আপু। আপনারা এবং আপনার ছোট ভাসুর একই এলাকাতে থাকেন জেনে বেশ ভালো লাগলো। কোথাও বেড়াতে গেলে আপনারা একসাথেই বেড়াতে যান আগে থেকে প্ল্যান করেন এগুলো সত্যি পরিবারের সাথে বেড়াতে গেলে অনেক আনন্দের অনুভূতি প্রকাশ পায়। আপনারা যাওয়ার সময় ট্রেন জার্নি করেছিলেন এটাও জানতে পারলাম। সত্যি আপু জায়গা গুলো বেশ দর্শনীয় দেখার মত। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ছবির মাধ্যমে জায়গা গুলো আমাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপু বাচ্চাদের হলি ডেতে খুব সুন্দর একটি জায়গায় গেলেন।আপনার ছোট ভাসুরের পরিবার নিয়ে মোট আট জন আপনারা ট্রেন জার্নি করে ঘন্টা খানেকের মধ্যে পৌঁছে গেলেন খুব ভালো লাগলো জেনে।আপনি কয়েকটা পর্ব করেছেন এই ফটোগ্রাফির।যা আমরা দেখতে পাবো। London 02 তে সবাই পৌঁছে গেলেন। সত্যি ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ লেগেছে।আকাশটা চমৎকার লাগছে।কেবল কারে ওঠার জন্য টিকিটের অপেক্ষায়।কেবল কারে উঠার অনুভূতি খুব অন্য রকম। আমিও মালয়েশিয়া গিয়ে কেবল কারে উঠে খুব বেশি আনন্দ পেয়েছিলাম।সে এক অন্য রকম অনুভূতি। খুব ভালো লাগলো আপু আপনার ফটোগ্রাফি গুলো। আশাকরি সামনের পর্বগুলোতে আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখতে পাবো।অসংখ্য ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
বাচ্চাদের হলিডে বেশ ভালোই উপভোগ করছেন বোঝা যাচ্ছে। যে কোন জায়গায় সবাই মিলে গেলে যে আনন্দ পাওয়া যায় একা গেলে সে আনন্দ পাওয়া যায় না। ভালো করেছেন আপনারা ভাসুরের ফ্যামিলি সহ ঘুরতে গিয়েছেন। ঘুরতে গিয়ে খুব চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। কেবল কারে আসলে অনেক মজা। আজতো টিকিট কাটছেন নিশ্চয়ই আগামী পর্বে অনুভূতি জানতে পারবো। অপেক্ষায় রইলাম।
আপু এগুলো দেখলে তো নিজেকে বাংলাদেশে ধরে রাখতে পারি না। মন চাই উড়াল দিয়ে লন্ডন চলে যায়। যায়হোক লন্ডন O2 তো অনেক সুন্দর সেই সাথে ট্রেন গুলোও চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ।