আমেরিকা থেকে খালা শাশুড়ি আসাতে আত্মীয় স্বজন সকলের সাথে একত্রিত হওয়া
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আমেরিকা থেকে ছোট খালা শাশুড়ি এসেছেন গতকাল।উঠেছেন লন্ডনে আর এক খালা শাশুড়ির বাসায়। তাই তাকে ঘিরে আত্মীয়-স্বজন সকলেই একত্রিত হওয়া। লন্ডনে খালার ভাগিনি ও ভাগিনা মিলে আট জন, এছাড়া তাদের পরিবার ও বাচ্চাকাচ্চা মিলে প্রায় ৩০ থেকে ৩২ জন ছিলাম আমরা। সকলে মিলে খুব ইনজয় করেছিলাম দিনটি। আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে আমাদের লন্ডনে যে বড় খালাতো বোন রয়েছে উনি একটি আইডিয়া দিয়েছিলেন যে খালার আসার উপলক্ষে আমরা সকলেই যদি তার পছন্দের একটি করে তরকারি রান্না করে নিয়ে আসি তাহলে কেমন হয়? আমরা সকলেই রাজি হয়ে যাই। তখন উনি আমাদেরকে একটি লিস্ট দেন ওই লিস্ট থেকে সকলেই একটি করে আইটেম বাছাই করে নেই। মাছ, মাংস, রোস্ট, বিরিয়ানি সহ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী তিনটি আইটেম ছিল তার মধ্যে।আমি ওই তিনটি আইটেমের মধ্য থেকে একটি আইটেম পছন্দ করি আমার জন্য। ঐতিহ্যবাহী আইটেম তিনটি হচ্ছে মাছের টক,শুটকি শিরা ও কচুর লতি।তারা এই আইটেম তিনটি খুবই পছন্দ করে। আমি কচুর লতি নিয়ে ফেললাম।কচুর লতি শুটকি মাছ, চিংড়ি ও কাঁঠালের বিচি দিয়ে রান্না করেছিলাম।একদিন এই রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। মাছ মাংস রান্না করা একটু ঝামেলার তাই আমি এই সহজ আইটেমটি নিজের জন্য বাছাই করে নিলাম। কিন্তু চিংড়ি মাছ বাছতে বাসে অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছিল কারণ অনেকগুলো চিংড়ি মাছ দিয়েছিলাম, কারণ লতির পরিমান বেশি ছিল। সাধারণত চিংড়ি মাছগুলো বেছে পরিষ্কার করে প্যাকেটজাত করা থাকে কিন্তু আমার চিংড়ি মাছগুলোর মধ্যে এক প্যাকেট শুধু বাছা ছিল বাকি দুই প্যাকেট আমাকে বাঁচতে বাছতে হয়েছিল। যাইহোক অবশেষে রান্নাবান্না করে খালা শাশুড়ির বাসায় রওনা দিলাম।
যাওয়ার পথে কিছু ফটোগ্রাফি।কোথাও যাওয়ার সময় রাস্তার ফটোগ্রাফি করতে আমার খুবই ভালো লাগে। আর এত সুন্দর নীল আকাশ! ফটো না তুলে পারলাম না।
অবশেষে খাওয়া দাওয়া শেষ হয়। সবার তরকারি গুলো খুব মজার ছিল।সবাই খুব উপভোগ করেছে খাবারগুলো। এরপর খাওয়া-দাওয়া শেষে আম কাঁঠাল খাওয়ার পালা। খোলামেলা সুন্দর বাগানে বসেই ফলগুলো আমরা সকলেই উপভোগ করলাম। সবগুলোই একটু একটু করে টেস্ট করেছি শুধু কাঁঠাল আর আনারস ছাড়া।কাঁঠাল আমি মোটেও সহ্য করতে পারি না।
এগুলো তাদের বাগানের কিছু ফটোগ্রাফি। বাগানে ছোট্ট একটি কলাগাছ ও আছে।
অবশেষে সকলের সাথে সারাটা দিন কাটিয়ে বড় ভাসুরের বাসায় গিয়ে একটুখানি বসে আবার ফিরে এলাম আমাদের গন্তব্যস্থলে।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
প্রথমেই বলবো আজকের প্রতিটি ফটোগ্রাফিই ছিল মুগ্ধ করার মত। বিশেষ করে আকাশের ফটোগ্রাফি তো চোখে লেগে থাকার মত। তবে আমার মনে হয় সব মিলিয়ে একটি দারুন দিন কাটিয়েছেন আপনারা সবাই। খালা শ্বশুড়ীর পছন্দের খাবারের লিস্ট থেকে তো আপনি বেশ ঝামেলার আইটেমটি বেছে নিলেন আপু। যদিও রেসিপিটি বেশ স্বাদের হয়েছে বলে আমি মনে করি। এভাবে লতি, শুটকী, কাঁঠালের বীচি আর চিংড়ি মাছ দিয়ে রান্না করলে তো স্বাদ হবেই। কিন্তু লতি আর চিংড়ি মাছ যে এক বিশাল ঝামেলার। কিন্তু যত যাই হোক আনন্দ হলো সবচেয়ে বড় বিষয়।
৩০ থেকে ৩২ জন লোক একসাথে হলে এমনিতেই অনেক আনন্দ হয়। যাইহোক খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকগুলো আইটেম ছিল তবে সেই বাঙালির রেসিপি দেখছি সেখানেও কারণ কচুর লতি বাঙ্গালীদের অতি পরিচিত বলতে গেলে আমাদের বাসায় প্রতিনিয়ত তৈরি করা হয় আর এটা আমার খুবই ফেভারিট। তবে মাছের টক রান্না এই রেসিপিটা একটু অদ্ভুত লেগেছে আমার কাছে।
আমেরিকা থেকে ছোট খালা শ্বাশুড়ি আসা উপলক্ষে, ওনার পছন্দের এক একটি তরকারি আপনারা একেকজন রান্না করে নিয়ে গিয়েছেন, এই আইডিয়াটা সত্যিই দারুণ ছিলো। এতো মানুষ একসাথে হলে আনন্দের সীমা থাকে না। খাওয়া দাওয়া এবং আড্ডায় প্রতিটি মুহূর্ত একেবারে প্রাণবন্ত হয়ে উঠে। খোলামেলা পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের ফ্রুটস খাওয়ার ব্যাপারটাও খুব ভালো লেগেছে। যাইহোক পোস্টটি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপু আজকের পোস্টটি একটু ডিফারেন্ট ছিল।আমার খুব ভালো লেগেছে।আমেরিকা থেকে খালা শাশুড়ি এসেছে।আর তার পছন্দের খাবার রান্না করে নিয়ে সবাই একত্রে আনন্দ করা খুব ভালো লাগলো পড়ে। আপনি তো কচুর লতি রান্না করে নিলেন।কিন্তু শুটকি শিরা রেসিপিটা আসলে কি?? অনেক নতুন নতুন রেসিপির নাম জানলে রেসিপিটি দেখার খুব আগ্রহ হয়।আপনার করা ফটোগ্রাফি গুলো দারুন লাগলো। আপনারা সবাই সুন্দর সময় কাটিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো আপু।আপনি কাঁঠাল পছন্দ করেন না।আজ জানতে পারলাম পোস্টের মাধ্যমে। অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু আপনাকে।পরিবারের সবাইকে নিয়ে খুব ভালো থাকবেন।শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
বেছে বেছে সহজ একটা রেসিপি নিয়ে তো খুব বেশি আরাম করতে পারলেন না আপু। সেই চিংড়ি বাছতে গিয়ে কষ্টই করতে হলো। এর থেকে তো মাছ মাংস রান্নাই আমার কাছে সহজ লাগে। যাই হোক এই আইডিয়াটি ভালো ছিল এত লোকের জন্য রান্না একা না করে সবাই তার পছন্দ মত রান্না করে নিয়ে গিয়েছেন। অনেক মানুষ হয়েছিলেন তাহলে। বেশ মজা করেছেন সবাই মিলে। ভালো লাগলো দেখে।
আপু আমেরিকা থেকে আপনার ছোট খালা শাশুড়ি এসেছে এবং তিনি উঠেছেন আরেক খালা শাশুড়ির বাসায়। পরিবারের সকল সদস্য একত্রিত ছিলেন তার মানে বোঝা যাচ্ছে কতটা ইনজয় করেছেন। মজার ব্যাপারটি আপনারা খালাতো বোন যে আইডিয়াটা দিয়েছিল সে আইডিয়াটা আসলে অনেক চমৎকার। কারণ কোন মানুষের প্রিয় খাবার গুলো যদি তার সামনে দেয়া যায় তাহলে খুশি হয়। আপনার খালা শাশুড়ির জন্য বিভিন্ন ধরনের আইটেম করেছেন সব মিলিয়ে আপনার খালা শাশুড়ি দেখলে তো অনেক খুশি হবে আপু। খালা শাশুড়ির বাসায় যাওয়ার সময় বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ফটোগ্রাফি গুলা আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে। সেখানে পৌঁছানোর পর খাওয়া-দাওয়া করেছেন বেশ জাকজমকপূর্ণ সময় কাটিয়েছেন। সব মিলিয়ে আপনার পরিবারের জন্য শুভকামনা রইলো আপু।
পরিবার কিংবা আত্মীয়-স্বজন এরকম একসাথে হতে পারলে সে অনুভূতিটা সেই মুহূর্তটা কতটাই সুন্দর হতে পারে সেটা আপনি ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। আপনার খালামনি এবং খালাতো বোন অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের সাথে দারুন একটা দিন পার করেছেন। তার পাশাপাশি আপনার খালাকে সারপ্রাইজ করার জন্য বিভিন্ন আইটেমের খাবার তৈরি করে নিয়ে গেছেন খুবই ভালো লাগলো । এরকম সুন্দর মুহূর্ত আবার আপনার জীবনে ফিরে আসুক সেটাই কামনা করি।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন পরিবারের সকলে মিলে একত্রিত হওয়ার একটি বেশ দারুন পোস্ট। আপু আমেরিকা থেকে আপনার ছোট খালা শাশুড়ি এসেছে তিনি আবার উঠেছেন আরেক খালা শাশুড়ির বাসায় আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আপনার খালা শাশুড়ির পছন্দের তরকারি আপনারা একেকজন রান্না করে নিয়ে গিয়েছিলেন সত্যি এই বিষয়টা কিন্তু বেশ দারুন। আপু ঐতিহাসিক আইটেম তিনটির মধ্যে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লাগে কচুর লতি। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপনি আপনার নিজের জন্য যে রেসিপি গুলো বাছাই করলেন সে গুলোর মধ্যে লতি রান্না করাটাই তো কষ্টের। লতি আর চিংড়ি মাছের রেসিপিটা দেখতে চাই। আর তাদের ছোট্ট বাগানের ফটোগ্রাফি গুলো দারুন ছিল। ধন্যবাদ।