ভ্রমন পোস্ট -- 💖 " বাইরে ঘোরাঘুরি ও কিছু খাওয়া-দাওয়া "
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগবাসী।
প্রিয় বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি "আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় ও বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশাকরি সবাই ভাল আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে বেশ ভাল আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter,আমি বাংলাদেশ ঢাকা থেকে আপনাদের সাথে যুক্ত আছি।আমি মনে প্রানে কাজকে ভীষণ ভালোবাসি।সব সময় তাই নানা রকমের কাজ নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখি।আমি একজন অ্যাক্টিভ ইউজার।আমি আমার এই কমিউনিটিতে নিজেকে সব সময় অ্যাক্টিভ রাখার চেষ্টা করি।তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমি নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি।মূলত আজ শেয়ার করবো ভ্রমন পোস্ট।আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
বাইরে ঘোরাঘুরি ও কিছু খাওয়া-দাওয়াঃ
বন্ধুরা,আজ নতুন একটি বিষয় নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে চলে এলাম।আজ ভ্রমণ পোস্ট শেয়ার করছি।পোস্টের টাইটেল দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন আমি আজ বাইরে ঘুরতে যাওয়ার সেই অনুভূতি আজ শেয়ার করতে চলে এলাম।বেশ কিছুদিন হয় ঢাকার বাইরে আছি।আর বৃষ্টির জন্য কোথাও বের হওয়া অনেক বেশি কষ্টকর।চারিদিকে বন্যার প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ঝালকাঠি যদিও বৃষ্টির পানি কিংবা বন্যা দেখা৷ যায় না কখনো। তবে নদীর পাড়ে পানি দেখা যায়। নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে আবার বৃষ্টি হলে নদীর পাড়ের মানুষ গুলোর একটু ভোগান্তি ই হয়।কিন্তু এমনিতে এখানে যতই বৃষ্টি হোক কোথাও পানি জমতে দেখা যায় না।এদিক দিয়ে এই জেলা বেশ ভালোই।
গত চারদিন আগে বরিশাল ননদের বাসায় গিয়েছিলাম।।দুপুরে খাওয়া-দাওয়ার পর কিছু সময় ননদের ছাদ বাগানে কিছুটা চমৎকার মূহুর্ত কাটিয়ে সন্ধ্যায় ছেলেকে নিয়ে বরিশাল শহরটা ঘুরতে গিয়েছিলাম।ছেলেকে নিয়ে বাইরে কিছু সময় ঘোরাঘুরি করে কাটিয়েছিলাম।এরপর ঘোরাঘুরি শেষ হলে বাইরের কিছু খাবার খেয়েছিলাম আমরা।
আমরা খাবারের জন্য গাড়ি থেকে দোকানে নেমে পিজ্জা,মোমো অর্ডার করলাম।এই ঠান্ডা ওয়েদারে মোমো খেতে ভীষণ স্বাদের হয়।যদিও আমি বাইরের খাবার খুব কমই খেয়ে থাকি।তবে সবাই একসাথে হলে সবার সাথে কিছু না কিছু খেতে হয়ই।বৃষ্টিতে ওয়েদারটা এতোটাই শীতল হয়ে আছে যে,এই ওয়েদারে চিকেন মোমো ভীষণ ভালো লাগলো সকলের।আমি কিছু ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম।তাইতো আপনাদের মাঝে শেয়ার করে নিলাম।আমি আশাকরি আমার অনুভূতি গুলো আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে।
আমাদের খাওয়া-দাওয়া শেষ হলে আমরা চা পান করলাম সবাই মিলে।এরপর বাসায় চলে এসেছিলাম।বাসায় এসে বেশ কিছু সময় গল্প করেছিলাম।বাসায় চলে যাব কিন্তু রাতের খাবার না খাইয়ে ননদ কিছুতেই ছাড়বে না।তাই বাধ্য হয়ে আরো কিছু সময় থাকতে হয়েছিল।এরপর চায়নিজ কিছু খাবার অর্ডার করেছিল রাতে।রাতে সেই খাবার খেয়ে আমরা রাত ১১ টার পর ঝালকাঠি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম।এভাবেই সেদিনের মতো আমাদের ঘোরাঘুরি ও কিছু খাওয়া-দাওয়ার পর্বটি শেষ হলো।
আজ আর নয়।আশাকরি আমি আমার মনের অনুভূতি গুলো আপনাদের মাঝে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পেরেছি।সবাই সুস্থ থাকবেন। ভালো থাকবেন।আবার কোন নতুন ব্লগ নিয়ে হাজির হবো।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্ট বিবরন
| শ্রেনী | ভ্রমন |
|---|---|
| ক্যামেরা | samsung A50 |
| পোস্ট তৈরি | @shimulakter |
| লোকেশন | বরিশাল |
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি এম এস সি (জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি স্বাধীনচেতা একজন মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,ফটোগ্রাফি করতেও আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন বাইরে ঘোরাঘুরি করে কিছু খাওয়া-দাওয়ার অনুভূতি। আসলে বাইরে ঘোরাঘুরি করলে যদি সেই দিন বাইরে খাওয়া যায় সত্যি বেশ ভালো লাগে। সন্ধ্যায় আপনারা বরিশাল শহরটা ঘুরে দেখেছিলেন জানতে পেরে বেশ ভালো লাগলো। আপনারা সেখানে আপনার ননদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাহ্ ছেলেকে নিয়ে বাইরে ভালোই তো ঘোরাফেরা করেছেন, সেই সাথে মজাদার মজাদার সব খাবার খেয়েছেন। এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি, অন্যরকম এক মুহূর্ত। আপনাদের সুন্দর এই মুহূর্তটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
X-promotion
আপু ঘোরাঘুরি করার পর বাহিরে থেকে না খেলে কেমন জানি লাগে। আর আপনি তো দেখছি আপনার ননদের বাড়ি থেকেখাওয়া দাওয়ার পর সন্ধ্যায় ঘোরাঘুরি করে বাহির থেকে পিজ্জা ও মম অর্ডার করে খেয়েছিলেন। পোস্টটি পড়ে খুবই ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে।
আসলে এমন ঠান্ডা ওয়েদারের মধ্যে আপনাদের অর্ডার করা খাবার গুলো দারুন ছিল। এই সময় পিজ্জা,মোমো এই খাবার গুলো বেষ্ট ছিল। যায়হোক বরিশালে গিয়ে ভালোই সময়টা উপভোগ করেছেন। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনি আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। আজ আপনি বাইরে ঘুরাঘুরি করে খাওয়া-দাওয়ার অনুভূতি শেয়ার করেছেন। আপনি আপনার বাবুকে নিয়ে বাইরে ঘুরাঘুরি করেছেন এবং সেইসাথে অনেক মজার মজার খেয়েছেন। আপনারা সন্ধ্যাবেলা বরিশাল শহরটা ঘুরে দেখছিলেন জানতে পেরে বেশ ভালো লাগলো। আপনাকে ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
স্বাদুবাদ।
বর্তমান বন্যার পরিস্থিতির কারণে অনেকে বাইরে তেমন যেতে চাই না। আপনি দেখতেছি বরিশাল ননদের বাসায় গেলেন। আর সেই সুবাদে শহরে ঘুরতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করেছেন। তবে পিজ্জা খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। আপনি দেখতেছি পিজ্জা ও মোমো খেলেন। নাস্তার পর আবার সবাই মিলে চা ও খেলেন। তবে খুব সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।