"ইকো পার্কে ভ্রমণ ও ফটোগ্রাফি"
হ্যালো বন্ধুরা,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমার পোস্টটি সম্পূর্ণটাই ইকো পার্কে খুঁজে পাওয়া মিশর নিয়ে তাই বিলম্ব না করে শুরু করছি।
মরুভূমিতে ঘেরা উত্তর আফ্রিকার পূর্ব প্রান্তে একটি সুজলা,সুফলা শস্য শ্যামলা দেশ আছে; তার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে নীলনদ। আর এই দেশটির নাম হলো মিশর।
আফ্রিকার মধ্য দেশের বড় বড় লিদ থেকে নীল নদের উৎপত্তি নীল । অতি প্রাচীনকাল থেকেই মিশরের নীলনদের দু'পাশে লোক এসে বসবাস করতে আরম্ভ করে। এরা ছোট ছোট দলের বিভক্ত হয়ে আলাদা বসবাস করত। চাষবাস করা ও গরু ভেড়া চড়ানো ছিল এদের জীবনধারণের উপায়। মিশরের বর্ষা খুব কম । কাজী নদীতে যখন জল কম থাকতো তখন তারা খাল কেটে 'শাদূফ' নামক এক রকমের সহজ যন্ত্রের সাহায্যে জল তুলে সেই জল খাল বেয়ে জল নিয়ে ক্ষেতে দিত। কাজী প্রায়ই সময় তাদের এইভাবে নদী থেকে জল তুলে খেতে ফসল বাজাতে হতো।
পুরাকালে মিশরের রাজাদের উপাধি ছিল 'ফেরো'।প্রজাগরণ ফিরোদের দেবতা জ্ঞানে পুজো করতো ।বিশেষ করে মিশর ছিল পিরামিডের দেশ। বর্তমান মিশর অর্থাৎ ঈজিপ্টের রাজধানী কাইরোর নিকটে গিজে নামক স্থানে পাথরের নির্মিত বিশাল পিরামিড পৃথিবীর অতি আশ্চর্য বস্তু।
প্রথমের দিকে রাজ বংশদের যুগে এই পিরামিড তৈরি হয়েছিল ।সে আজ প্রায় ৫ হাজার বছরের আগের কথা। এগুলো ছিল রাজাদের সমাধি মন্দির।
তারিখ :১১.০২.২০২৩
সময় :৫.৪০মিনিট
স্থান: ইকোপার্ক
বড় তিনটি প্রসিদ্ধ পিরামিড করা হয়েছিল চতুর্থ রাজবংশের ফেরতের সময়। এই পিরামিড বা কবর গুলো তৈরি হত সবুজ মাঠের শেষ যেখানে আরম্ভ হয়েছে সেখানে। মরুভূমির প্রান্তে পাহাড় থেকে তামার চুরি ও চিনি দিয়ে পাথর কেটে যেসব বাড়ি তৈরি করেছে তা দেখে আজও লোকে অবাক হয়ে চেয়ে থাকে। প্রাচীন যুগে কেমন করে তারা পাথরগুলো সুন্দরভাবে কাটল, এই পাথর দিয়ে কেমন করে বাড়ির ছাদ তৈরি করল, কেমন করে এত ভারী পাথর এত উঁচুতে তুলল, আজও পর্যন্ত মানুষ তা ভালো করে বুঝতেই পারেনি।
আগেই বলেছি পিরামিড হলো ফিরোদের কবর। রাজাদের মৃত দেহগুলি যত্ন করে রাখবার জন্যই মিশরীরা পিরামিড তৈরি করেছিল। তারা বিশ্বাস করত মৃত্যুর পর ফেরোদের আত্মা ততদিন স্বর্গে বসবাস করবে যতদিন তাদের দেহ রক্ষা করা যাবে।
তারিখ ১১.০২.২০২৩
সময় :৫.৫১মিনিট
স্থান: ইকোপার্ক
তারা এমন জিনিস আবিষ্কার করেছিল যা মৃতদেহে মাখিয়ে দিয়ে সেই দেহ সূক্ষ্ম কাপড়ে ফেলি দিয়ে জড়িয়ে রাখতো, উহা হাজার হাজার বছর ঠিক তেমনি থাকে ,পচে যায় না। এইরকম সংরক্ষিত মৃত দেহকে বলে'মামী'
সবচেয়ে বড় পিরামিড তৈরি হয় চতুর্থ রাজবংশের প্রথম ফেরো' খুফুর 'আমলে। এই বংশের খাফরে নামক এক ফেরো একটা আস্ত পাথরের পাহাড় কেটে একটা বিরাট মূর্তি তৈরি করে; তার দেহটা সিংহের কিন্তু মাথাটা মানুষের। এই মুক্তি আজও প্রসিদ্ধ স্ফিংকস নামে পৃথিবীর একটা আশ্চর্য বস্তু হয়ে রয়েছে।
তারিখ :১১.০২.২০২৩
সময় :৬.০০মিনিট
স্থান: ইকোপার্ক
তারা শুধু যে এই কাজ শিখেছিল তা নয়। মনের ভাব ব্যক্ত করার জন্য তারা নিজে নিজে লিখতে শিখল। তাদের লেখা ছিল চিত্রাংকন রীতিতে।
ক্যামেরা পরিচিতি:oppo
ক্যামেরা মডেল:oppoA53s 5G
ক্যামেরা দৈর্ঘ্য :3.37mm
তারিখ :১১.০২.২০২৩
সময় :৬.১০মিনিট
স্থান: ইকোপার্ক
মিশরের মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিমান তারা ধর্মীয় আচার রীতিনীতিতে অত্যন্ত বিশ্বাসী।
ইকো পার্কে ঘুরতে গিয়ে মিশরের অনেক ঐতিহাসিক জিনিস দেখতে পেয়েছেন ভাইয়া। এই নীল নদের কথা বইতে অনেক পড়েছি। আজ আবারো আপনার কাছ থেকে জেনে নিলাম । প্রতিটি ফটোগ্রাফি দেখে সত্যি ভালো লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে ইকো পার্কের ঘুরতে যাওয়া সুন্দর মুহূর্ত এবং ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু সময় করে আমার এই পোস্টটি পড়ার জন্য
আপনি ইকোপার্ক ভ্রমণ করতে গিয়ে বেশ সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আমি আজকে আপনার এই পোষ্টের মধ্য থেকে অনেক বিষয় সম্পর্কে অবগত হতে পারলাম এবং এই পার্কের মধ্যে অনেক কিছু রয়েছে তা দেখতে পারলাম। আপনি সেখানকার বিস্তারিত আলোচনা করেছেন দেখিয়েছেন। আমার খুবই ভালো লেগেছে আপনার আজকের এই পোস্ট।
আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ সময় করে আমার এই পোস্টটি পড়ার জন্য ভাইয়া