পান্থপথে ঘোরাফেরার অভিজ্ঞতা। ১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য।
কয়েকদিন আগে রাতের বেলায় আমি গিয়েছিলাম পান্থপথ। সেখানে গিয়েছিলাম আমার প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র দেখার জন্য। যদি পছন্দ হয় তাহলে কিছু কেনার ইচ্ছা ছিল। মূলত সেখানে যাওয়ার কারণ হচ্ছে দাম সম্বন্ধে একটা ধারণা নেয়া।
এই জায়গাটি বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স এর ঠিক উল্টো দিকে। এখানে নানা রকম জিনিস পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের ফার্নিচার এবং জুতা-স্যান্ডেলের বড় একটি মার্কেট এখানে গড়ে উঠেছে। আমি গিয়েছিলাম মূলত একটি রিভলভিং চেয়ার দেখার জন্য। এই এলাকাতে গিয়ে দেখলাম এখানে বিভিন্ন দামের বিভিন্ন রকমের ফার্নিচার পাওয়া যায়। পাশাপাশি প্রচুর জুতার দোকান গড়ে উঠেছে।
আমি সেখানে পৌঁছে বিভিন্ন দোকানে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র দেখছিলাম। কোনটা পছন্দ হলে সেটার দাম জিজ্ঞেস করছিলাম। আমি যে চেয়ার কিনতে গিয়েছি সেগুলোর দাম দেখলাম ১০ থেকে ১২ হাজার টাকার ভিতরে। আমার বাজেট কিছুটা কম ছিল। এই এলাকার চেয়ারের দোকানগুলো ঘুরে দেখার পর বুঝতে পারলাম ভালো চেয়ার কিনতে হলে বাজেট কিছুটা বাড়াতে হবে।
তারপর ঘুরতে ঘুরতে বাচ্চাদের জন্য তৈরি একটি টেবিল চেয়ার আমার খুব পছন্দ হলো। সেটার দাম জিজ্ঞেস করলাম। সেই টেবিল চেয়ারের দাম মোটামুটি কম ছিল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাকে এই টেবিল-চেয়ার কিনে কুরিয়ারে করে আমার এলাকায় পাঠাতে হবে। এখানে কুরিয়ার এর পেছনে আবার বাড়তি বেশ কিছু টাকা খরচ হয়ে যাবে।
ফার্নিচার দেখা শেষ হলে আমি জুতার দোকান গুলি ঘুরে দেখতে লাগলাম। আমার ছোটবেলা থেকেই বুট জুতার প্রতি একটু দুর্বলতা ছিল। যদিও এখন আর বুট জুতা পড়া হয়না। তবে বর্তমানে খেয়াল করে দেখেছি নতুন করে আবার বুট জুতার প্রচলন শুরু হয়েছে। সেজন্য আমি ঘুরে ঘুরে কয়েকটি দোকানে বুট জুতা দেখলাম।
কিন্তু জুতাগুলো দেখে আমার খুব একটা পছন্দ হয়নি। যার ফলে সেগুলোর দাম জিজ্ঞেস করা হয়নি। এইভাবে ঘুরাঘুরি করতে করতে এক সময় চিন্তা করলাম হালকা কিছু খেয়ে নিই। যেহেতু দুপুরে অনেক ভারী খাবার খেয়েছি। তাই কিছু ফল খাওয়ার চিন্তা করছিলাম।
অল্প কিছুক্ষণ খোঁজার পর পেয়েও গেলাম। রাস্তার পাশে একটি ভ্যানে করে একজন হকার ফল বিক্রি করছে। তার একটা জিনিস আমার কাছে ভালো লেগেছে। সে ফল কেটে সে কাচের একটা বক্সের ভেতরে রাখছে। আবার হাতে গ্লাভস ও ইউজ করেছে। আমি আবার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে একটু খেয়াল করি। সেখান থেকে আমি প্রথম এক প্লেট পেঁপে খেলাম। পেটে ফল হিসেবে খুবই পুষ্টিকর এবং এটা পেট ঠান্ডা রাখে। পেপেটা এত মিষ্টি ছিল যে আমি পরবর্তীতে আরও এক প্লেট খেলাম। আমি ফল খেতে খুবই পছন্দ করি। আর ফল খাওয়ার আরেকটা সুবিধা হচ্ছে ফল খেলে শরীরের উপকার হয় কোন ক্ষতি হয় না। এভাবে আরো কিছুক্ষন ঘোরাফেরা করে বাড়ির পথ ধরলাম।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখার নিয়ম সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।
| ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস | হুয়াই নোভা 2i |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @rupok |
| স্থান | লিংক |
Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
রাস্তার পাশের জিনিষগুলো আজকাল আসলেই বেশ সচেতন ভাবে বিক্রি করছে অনেকেই।যা দেখেই ভালো লাগে।আর ওই চেয়ারগুলো আমার ও খুব পছন্দের, তবে নেই।এতো যে দাম হবে তা জানা ছিলোনা।
তবে রাস্তার পাশ থেকে ফল ছাড়া অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। আর আপনিতো আইফোন এর মালিক। আপনার জন্য এই চেয়ার কেনা কোন ব্যাপারই হলো?
ঢাকা শহরের ফুটপাতের ফল বিক্রেতাদের মুখে মাসক আর হাতে গ্লাভস পরা একটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। তারা কাস্টমারদের দেখানোর জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ভান করে কিন্তু একটু ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলেই তাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার গোমর ধরা পড়ে। রাস্তাঘাটের খাবার ব্যাপারে সাবধান বন্ধু।
এই ভাবে চিন্তা করলে ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় এর মত অবস্থা হবে। কি আর করা নিজেদের ইমিউনিটির উপর আস্থা রেখে এগুলিই খেয়ে যাচ্ছি।
ঢাকা শহরে জিনিসপত্র কিনে অনেক শান্তি পাওয়া যায়। চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের জিনিসপত্র পাওয়া যায়। তবে ঢাকা শহরের ফুটপাতে জিনিস গুলো এখন অনেক ভালমানের ভাই। আপনার জন্য শুভকামনা রইল সামনের দিনগুলো সুগম হোক। ধন্যবাদ আমার প্রিয় ভাই।
ধন্যবাদ আপনাকে ভাই।
ফোন কেনার জন্য গিয়েছিলাম বসুন্ধরায়। তখন এই দোকান গুলো চোখে পড়েছিলো।সুন্দর সুন্দর জিনিস পাওয়া যায় এগুলোতে। মোটামুটি সাশ্রয়ী দামেই কিনতে পাওয়া যায়।ধন্যবাদ
দামে সাশ্রয়ী এটা ঠিক। তবে মান কেমন হবে এটা বলা মুশকিল।