বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ভ্রমণ শেষ পর্ব।

in আমার বাংলা ব্লগ8 months ago

আসসালামু আলাইকুম সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্বটি শেয়ার করেছি আজ চলে এসেছি তৃতীয় পর্ব নিয়ে। আশা করি আগের পর্ব দুটির মতোই এই পর্বটিও আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। তাহলে দেরি না করে চলন শুরু করা যাক।

IMG-20251022-WA0041.jpg

IMG-20251022-WA0039.jpg

IMG-20251022-WA0037.jpg

মসজিদের দেয়ালের ভেতরে এক অদ্ভুত নীরবতা আছে যেন ইতিহাসের প্রতিধ্বনি এখনো শোনা যায়। নামাজের সময় আযানের ধ্বনি যখন এই ইটের দেয়ালে প্রতিফলিত হয় তখন মনে হয় সময় থেমে গেছে। ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে আমি যখন মসজিদের বাইরে এসে বসলাম সূর্য তখন পশ্চিমে ডুবে যাচ্ছে। পুকুরের পানিতে সূর্যের প্রতিফলন পাশে হাঁসের চলাচল একটি শান্ত মায়াময় দৃশ্য। এমন দৃশ্য দেখে মনে হয় মানুষ যদি চায় তবে ইতিহাস প্রকৃতি সবকিছুই সুন্দরভাবে একসাথে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। এক কাপ চা হাতে নিয়ে দূর থেকে মসজিদটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। লালচে রঙের দেয়াল সবুজ ঘাস আর পেছনে নীল আকাশ সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল আমি যেন কোনো চিত্রকর্মের ভেতরে দাঁড়িয়ে আছি। বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা নয় এটি আমাদের গর্বের প্রতীক। প্রতিটি ইটে প্রতিটি গম্বুজে প্রতিটি পথে লুকিয়ে আছে অতীতের গল্প। এখানে এসে বোঝা যায় কালের আবর্তে সবকিছু বদলে গেলেও কিছু কিছু জিনিস চিরকাল অমর হয়ে থাকে।

IMG-20251022-WA0064.jpg

5324.jpg

5326.jpg

যে কেউ যদি ইতিহাস ভালোবাসে স্থাপত্যে আগ্রহ রাখে অথবা শুধু কিছু সময়ের জন্য প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পেতে চায় তাহলে ষাট গম্বুজ মসজিদ তার জন্য এক আদর্শ স্থান। এক দুপুরের এই ভ্রমণ আমার মনে চিরস্থায়ী ছাপ ফেলেছে। মনে হয়েছে আমি শুধু একটি স্থান দেখিনি বরং ছুঁয়ে গেছি সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়া ইতিহাসের এক মহামূল্য অধ্যায়কে। এটাই ছিল আমার আজকের গল্প। আশা করি আগের পর্ব গুলোর মতই আমার এই পর্বটিও আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। তাহলে আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। দেখা হবে আবার অন্য কোন পোস্টে। সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই রইল।


JOIN WITH US ON DISCORD SERVER

banner-abbVD.png

Follow @amarbanglablog for last updates


Support @heroism Initiative by Delegating your Steem Power

250 SP500 SP1000 SP2000 SP5000 SP

Heroism_3rd.png


Polish_20240825_125322804.png

Sort:  
 8 months ago 

এটা আমার বেলায় ও ঘটে কোন ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমনে অনেক মহামূল্যবান অধ্যায়কে ছুঁয়ে যায় মন।শান্ত,শীতল পরিবেশ আর তার পাশে প্রাচীন নিদর্শন সত্যি ই মন ছুঁয়ে যায়।ধন্যবাদ শেয়ার করে নেয়ার জন্য।

 8 months ago 

হাঁসের ফটোগ্রাফি এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। তাছাড়া বাকি ফটোগ্রাফি গুলোও খুব ভালো লাগলো দেখে। আগের দুই পর্বের মতো এই পর্বটাও বেশ উপভোগ করলাম ভাই। এতো চমৎকার একটি ব্লগ আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.081
BTC 59825.23
ETH 1553.85
USDT 1.00
SBD 0.42