বন্ধুদের সাথে দাওয়াত খাওয়ার এবং একটু ঘুরাঘুরি করার অনূভুতি

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আসসালামু আলাইকুম,

আমার বাংলা ব্লগের সকল বন্ধুরা ,আপনারা সবাই কেমন আছেন ? আশা করি সবাই খুব ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আল্লাহর রহমতে খুব ভালো আছি।

আজকে আমি আপনাদের সামনে আরো একটি নতুন পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। গতকালকে আমাদের খুব কাছের এক বড় ভাইয়ের দাদার মৃত্যু বার্ষিকীর দাওয়াতে গিয়েছিলাম। আমি সচরাচর এমন দাওয়াতে যেতে চাই না,কারণ আমার কাছে মনে হয় এই ধরনের অনুষ্ঠানে দরিদ্র এবং এতিমদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো উচিত। তাতে সওয়াব বেশি হবে। কারণ তাদেরকে খাওয়ানোর পর তারা যে তৃপ্তিটা পাবে,তাতে করে তাদের মন থেকে অটোমেটিক দোয়া চলে আসবে। আর যারা সামর্থ্যবান তারা তো সবসময়ই এইসব খাবার খেয়ে অভ্যস্ত। যখন খুশি তখনই চাইলে খেতে পারে।

Notes_230305_201344_5a8.jpg

Notes_230305_201314_dfe.jpg

Notes_230305_201315_e83.jpg

Notes_230305_201317_b44.jpg

তাই আমার কাছে মনে হয় এইসব দাওয়াতে একমাত্র গরিবদেরই হক রয়েছে। কিন্তু আমাদের সমাজের উল্টো নিয়ম। গরিবদের চেয়ে সামর্থ্যবান লোকেরাই দেখি এইসব দাওয়াতে বেশি যায়। যাইহোক তারা জানে যে আমি এ ধরনের দাওয়াতে যেতে চাই না, তাই আমাকে অনেকটা জোরাজুরি করেই নিয়ে গিয়েছিল। যাদের বাসায় দাওয়াত তাদের বাসায় যেতে আমাদের বাসা থেকে ৩০/৪০ মিনিটের মতো সময় লাগে। তাদের বাসা হচ্ছে গোদনাইলে। যোহর নামাজ আদায় করে রেডি হয়ে আমরা ৫জন রওনা দিলাম। প্রথমে আমরা গেলাম শীতলক্ষ্যা নদীর ঘাটে। তারপর ট্রলারে চড়ে শীতলক্ষ্যা নদী পার হলাম। এরপর অটো নিয়ে সরাসরি চলে গেলাম তাদের বাসায়।

Notes_230305_201320_0e4.jpg

Notes_230305_201322_800.jpg

Notes_230305_201324_b8e.jpg

Notes_230305_201327_e92.jpg

বাসার ছাদের উপর খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। ছাদে উঠে আমি প্রথমে আশেপাশের কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। এরপর আমরা কয়েকজন বন্ধু বান্ধব, ভাই ব্রাদাররা বসে একসাথে খাওয়া দাওয়া করলাম। খাওয়া দাওয়া শেষ করে সবার সাথে কিছুক্ষণ কথাবার্তা বললাম এবং তারপর তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম। সেই বাসা থেকে ৫ মিনিট হেঁটে গেলেই লেক রয়েছে। আমরা সবাই লেকের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। গিয়ে দেখলাম রোদের মধ্যেও লেকের পাড়ে কিছু মানুষ বসে আছে। লেকের আশেপাশে কয়েকটি ওপেন রেস্টুরেন্টও রয়েছে।

Notes_230305_201332_48b.jpg

Notes_230305_201334_52e.jpg

Notes_230305_201336_826.jpg

জায়গাটা দেখতে কিছুটা হাতিরঝিলের মতোই লাগে। ছোট ছোট ব্রীজ গুলো খুব সুন্দর করে ডিজাইন করা হয়েছে। আর লেকের পাড় দিয়ে হাঁটার জন্য খুব সুন্দর রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। আমরা ব্রীজের উপর দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ মনোরম পরিবেশ উপভোগ করলাম। খুব সুন্দর বাতাস বয়ে যাচ্ছিল,যা আমাদের শরীরকে একেবারে শীতল করে দিয়েছিল। সবমিলিয়ে সেই মূহুর্তটা এতটা ভালো লেগেছিল যা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। অনেক দূর দূরান্ত থেকেও মানুষ আসে এখানে ঘুরতে। আমি এর আগেও এখানে কয়েকবার এসেছিলাম। বিকেল বেলা এবং সন্ধ্যার পর এখানে মানুষের অনেক ভিড় জমে।

Notes_230305_201338_7bf.jpg

Notes_230305_201340_176.jpg

Notes_230305_201342_313.jpg

Notes_230305_201346_0ba.jpg

বিশেষ করে শুক্রবার তো প্রচুর লোকজনের আনাগোনা দেখা যায় এখানে। ঝালমুড়ি ওয়ালা,ফুচকা ওয়ালা এবং আরও বিভিন্ন ধরনের খাবার নিয়ে হকাররা এখানে আসে। আমি ফাঁকে ফাঁকে কয়েকটি ফটোগ্রাফি করে নিয়েছিলাম। যাইহোক আমরা বিকেল ৪টা পর্যন্ত সেখানে ছিলাম। তারপর দুটি অটো নিয়ে আমরা চলে গেলাম শীতলক্ষ্যা নদীর ঘাটে। ঘাটে যাওয়ার পর আমি খুব সুন্দর একটি জাহাজ দেখতে পেলাম নদী দিয়ে যাচ্ছে। দেখামাত্রই আমি সাথে সাথে ফটোগ্রাফি করে নিলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। এরপর ট্রলারে চড়ে শীতলক্ষ্যা নদী পাড় হয়ে বাসায় চলে গেলাম।

Notes_230305_201348_0ea.jpg

Notes_230305_201350_6dd.jpg

Notes_230305_201353_cf7.jpg

Location

পোস্টের বিবরণ

ক্যাটাগরিভ্রমণ
ফটোগ্রাফার@mohinahmed
ডিভাইসSamsung Galaxy Note 20 Ultra 5g
তারিখ৬.৩.২০২৩
লোকেশনw3w

বন্ধুরা আজকে এই পর্যন্তই। আপনাদের কাছে পোস্টটি কেমন লাগলো, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আবারো ইনশাল্লাহ দেখা হবে অন্য কোন পোস্টে।সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

9vWp6aU4y8kwSZ9Gw15LFL3aMdhmgmBBFMpDJregpdP328CzpX9QvbjSPXbrW8KqUMMwTrRCn3xcSQ6EA6R67TcD5gLnqAWu8W41xe41azymkyM19LEXr548bkstuK4YE8RXJKQJWbxQ1hVAD.gif

আমার পরিচয়

IMG_20220605_234413_388.jpg

🥀🌹আমি মহিন আহমেদ। আমি ঢাকা বিভাগের নারায়ণগঞ্জ জেলায় বসবাস করি এবং আমি বিবাহিত। আমি দক্ষিণ কোরিয়াতে দীর্ঘদিন ছিলাম এবং বর্তমানে বাংলাদেশে রেন্ট-এ- কার ব্যবসায় নিয়োজিত আছি। আমি ভ্রমণ করতে খুব পছন্দ করি। তাছাড়া ফটোগ্রাফি এবং আর্ট করতেও ভীষণ পছন্দ করি। আমি স্টিমিটকে খুব ভালোবাসি এবং লাইফটাইম স্টিমিটে কাজ করতে চাই। সর্বোপরি আমি সবসময় আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটিতে আন্তরিকতার সহিত কাজ করতে ইচ্ছুক।🥀🌹

5ZJ4Z52ZRyQfNkCWFfXsATSsPtfkBwT3a5k8RVinr67352Jpu6E5J43D5L7yhn5d5CrcpnTvTLcF5db3ftZK7V9GzsAkLjb3PriF27x53soS8yKq9EnT1Gez2W6L2XUZu7jXnMduxdzGd4QzpYoozSDTPz3jUEkZ8x9rPrFry12vk2pkpsukTxq2kgJhF2zDYwrV.png

cyxkEVqiiLy2ofdgrJNxeZC3WCHPBwR7MjUDzY4kBNr81RRg3nBstm6z4qmufGsvFT24rqXwtpQD564XVCvACqesd3KULjLw7vQPhCNBNpraDPBk9z8jqn3ncuykugzMhQ2.png

6nSeSEzKEwjJN68tMqgZXvpyk1cf2ihqXgmWESDgXSh21PxWHDWW9CETD5B5Jw9Q6ERAnD25KhyHKAX53jBLJKQRtPJf1WFG3aJd6PXbp2rpTXdWPxnRnq65CqtM8PawHiD5knScnfCbWvcVRuFVv1rtwzsXe59AixEGDGYZT2EWzPMzrWjWrbujcJd79Q1Sjs2X.gif

Sort:  
 3 years ago 

ভাই এটা আমার কাছেও ভালো লাগে না,মৃত্যুবার্ষিকী বা এইরকম কোনো দাওয়াতে যেতে।কারণ সচরাচর যারা আমাদের মত খেতে পারছে না তারা সেদিন একবেলা মনভরে খেতে পারলে আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মন থেকেই।আর এজন্য আমরা যারা মোটামুটি স্বাবলম্বী আছি তারা এটাকে এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়।যাইহোক তাও অনেক সময় মন রক্ষার্থেও যাওয়া লাগে।তবে পরক্ষণে বন্ধুদের নিয়ে তো দারুণ আড্ডায় মেতেছেন।জায়গাটা আসলেই সুন্দর। হাতিরঝিলের মতই মনে হচ্ছে,যদিও কিছুটা মিল দেখা যাচ্ছে তাই।

 3 years ago 

জি ভাই ঠিক বলেছেন, এমন অনেক লোক আছে যারা মনভরে খেতে পারলে আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মন থেকেই। যাইহোক অনেক সময় মন রক্ষার্থেও যাওয়া লাগে। অনেক ধন্যবাদ ভাই,এতো সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে পাশে থাকার জন্য।

 3 years ago 

জি ভাই একদম ঠিক বলেছেন ধন্যবাদ আপনাকে আমার মন্তব্যের সুগঠিত একটি ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য।

জায়গাটা আসলেই অনেকটা হাতিরঝিলের মতোই দেখতে। যদিও হাতিরঝিল কখনো সামনাসামনি দেখিনি। তবে সিয়াম ভাইয়ের কয়েকটা পোস্টে দেখেছিলাম হাতিরঝিল।

আপনার সাথে আমিও এই ব্যাপারে একমত, যে এসব অনুষ্ঠানে গরিবদের ই হক বেশি থাকে, তবে আমিও কখনো সেই সব দুস্থ মানুষদের এই অনুষ্ঠানে দেখতে পাই না। অধিকাংশ সময়ই তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

 3 years ago 

জি ভাই সিয়াম ভাইয়ের পোস্টটি আমিও দেখেছিলাম। আমাদের সমাজের উল্টো নিয়ম তো,সেজন্য অধিকাংশ সময়ই তাদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। অনেক ধন্যবাদ ভাই বরাবরের মতো সুন্দর মন্তব্যের মাধ্যমে সাপোর্ট করার জন্য।

 3 years ago 

আমার কাছে মনে হয় যে এই ধরনের মিলাদের কোন অর্থ হয় না। এর থেকে কোন এতিমখানা বা গরীব মানুষদের আলাদাভাবে খাওয়ালে এর থেকে উপকার বেশি হয়। যাইহোক লেকটি কিন্তু খুব সুন্দর লেগেছে আমার কাছেও। অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। মিলাদ উপলক্ষে বেশ ভালো ঘোরাঘুরি হয়েছে বন্ধুরা মিলে। বোঝা যাচ্ছে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন।

 3 years ago 

আমিও আপনার সাথে একমত পোষণ করছি আপু,এই ধরনের মিলাদের আসলেই কোন অর্থ হয় না। যাইহোক জায়গাটি যেমন সুন্দর তেমনি বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও বটে। সবমিলিয়ে খুব ভালো সময় কাটিয়েছি আপু। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

জি ভাইয়া আমিও মনে করে এই ধরনের অনুষ্ঠানে এতিমদেরকে খাওয়ালে সেটা বেশি ভালো হয়। কিন্তু এখন তো দেখা যায় যে বড়লোক মানুষদের কে বেশি দেখা যায়। তবে জোরাজোরি করার পরে আপনি গিয়েছেন দেখে ভালো লাগলো। একটা জায়গায় খুব সুন্দর ঘুরতে গিয়েছেন। জায়গাটা কিন্তু খুবই সুন্দর দেখাচ্ছে। শুক্রবারে বন্ধ থাকে এজন্য মানুষ বেশি দেখা যায় সেখানে।

 3 years ago 

ছুটির দিন হওয়াতে শুক্রবার প্রচুর ভিড় হয় এই জায়গায়। অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে যায়। যাইহোক বরাবরের মতো গুছিয়ে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

ভাইয়া ঠিক বলেছেন , আমারও মনে হয় গরিব এতিমদের জন্য দাওয়াত দিলেই বেশি ভালো হয় ।তাহলে তারা খেয়ে তৃপ্তি পায় কারণ তারা সবসময় এমন ভালো খাবার দ্বারা দাবার খেতে পারে না ।কিন্তু বড়লোকরা সবসময় ভালো খাবার দাবার খায় ,কিন্তু আমাদের সমাজে এখন উল্টো নিয়ম সবসময় দেখা যায় বড়লোকদেরকেই বেশি প্রাইওরিটি দেওয়া হয়। যাইহোক ভাইয়া খাওয়া-দাওয়া শেষে আসার সময় আপনার খুব সুন্দর সুন্দর জায়গায় কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন ,জা দেখে খুবই ভালো লাগলো।

 3 years ago 

জি আপু ঠিক বলেছেন, যারা টাকাওয়ালা তাদেরই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে আপনার মূল্যবান মতামত প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

মৃত্যুবার্ষিকীর এই ব্যাপারটা আমার কাছে পছন্দ না। যাইহোক ওদের জোরাজোরিতে আপনি ওনাদের মন রক্ষার্থে সেখানে গিয়েছেন গিয়ে নিশ্চয়ই খুব সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছিলেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বুঝতে পারলাম জায়গাটা বেশ ভালই সুন্দর ছিল। যাইহোক সবমিলিয়ে আপনার পোস্টটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনাকে এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

সবমিলিয়ে খুব সুন্দর মূহুর্ত কাটিয়েছি ভাই। এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

 3 years ago 

বড় ভাইয়ের দাদার মৃত্যু বার্ষিকীর দাওয়াতে গিয়ে অনেক সুন্দর একটি জায়গায় ঘোরাফেরা করেছেন। জায়গাটি দেখে বোঝা যাচ্ছে বেশ সুন্দর একটি এরিয়া অনেক সুন্দর খোলামেলা জায়গা। এমন সুন্দর পরিবেশে ঘোরাফেরা করতে অনেক ভালো লাগবে। ঠিক বলছেন এমন মৃত্যুবার্ষিকীতে যারা এতিম তাদেরকেই খাওয়ানো বেশি উচিত। খাওয়া দাওয়া্ত করলে বেশির ভাগই যারা অর্থবান সম্পদশালী তারাই পেয়ে থাকেন দাওয়াত গুলো।

 3 years ago 

জি আপু জায়গাটা সত্যিই বেশ খোলামেলা এবং অনেক সুন্দর। এই ধরনের জায়গায় ঘুরতে আমার খুব ভালো লাগে। এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

এইরকম দাওয়াত অনেক জনের পছন্দ করে না। তবে আপনি ঠিক বলেছেন গরিব লোকদের দাওয়াতে এখন বড় লোক গুলো বেশি দেখা যায়। তবে আমি একটি জিনিস দেখলাম আমার হাজবেন্ডের বাড়িতে। এই বাড়ির কোন লোক মারা গেলে। তারা এতিমখানা মাদ্রাসায় টাকা দিয়ে দেই ওখানে ছাত্রদের খাওয়ানোর জন্য বা বাজার করে দিয়ে দেয়। পরে বন্ধুদের নিয়ে ভালোই আড্ডাতে মেতেছেন। এবং আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন।

 3 years ago 

এতিমখানা মাদ্রাসায় টাকা দিয়ে দেওয়াটা আমি উত্তম বলে মনে করি। তাহলে তারা খেয়ে মন ভরে দোয়া করবে। জি আপু অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি সেখানে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

একটি বিশেষ আনন্দঘন মুহূর্ত আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখি আমার খুবই ভালো লেগেছে। এত সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের মাঝে উপস্থাপন করে আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার খুবই ভালো লাগলো আপনার ভালো লাগার মুহূর্তটা আমাদের মাঝে এভাবে তুলে ধরেছেন দেখে।

 3 years ago 

এতো সুন্দর মন্তব্য পেয়ে আমারও খুব ভালো লাগলো ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 60000.47
ETH 1565.58
USDT 1.00
SBD 0.42