ভ্রমন পোস্ট- মুক্ত আকাশের নীচে ঈদের কিছুটা মূহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম
আসসালামু আলাইকুম
আমি মাকসুদা আক্তার। তবে আপনাদের সবার কাছে আমি কিন্তু @maksudakawsar হিসাবেই প্রিয়। আমি একজন বাংলাদেশী ইউজার হিসাবে প্রতি নিয়তই চেষ্টা করে যাচ্ছি যে আপনাদের মাঝে আমার দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে। চেষ্টা করছি নিজের ক্রেয়েটিভিটি কে আরও বাড়িয়ে তুলতে। হয়তো বা আমি পারছি, হয়তো বা পারছি না। তবে কিছু পারি আ না পারি আপনাদের মাঝে এসে কিন্তু আমি খুঁজে পেয়েছি আমার অনেক ভালো লাগার কিছু প্রিয় মানুষ। তাদের বিষয়ে না হয় অন্য কোন দিন গল্প করবো আপনাদের মাঝে।
ঈদ তো চলে গেছে সেই কবে। ঈদের আমেজ ভুলে যেয়ে এখান তো সবাই নতুন ঈদের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই না? । তবুও কিন্তু রোজার ঈদের অনেক স্মৃতিই আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। রয়ে গেছে আমাদের প্রিয় জানের সাথে কাটানো কিছু সময়ের স্মৃতি। তেমনি রয়ে গেছে ঈদের আমেজে প্রিয় মানুষটির হাত ধরে খোলা আকাশের নীচে ঘুরে বেড়ানোর কিছু মধুময় ম্মৃতি। তেমনি একটি স্মৃতি আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। শেয়ার করবো খোলা আকাশের নীচে মুক্ত বিহঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর একটি বিকেলের কিছু মূহূর্তের কথা।
ছবি সোর্স
Made By-@maksudakawsar
এবার ঈদে তেমন কোন ছুটি না থাকায় আমরা শুধুমাত্র ঈদের দিনই ছিলাম শ্বশুর বাড়ীতে। ঈদের পরদিন আমরা যথারীতি ঢাকায় ছিলাম। সারাদিন বাসায় থাকার পর গরমে স্বেদ্ধ হয়ে যাচিছলাম। তাই আমরা দুজন কপোতকপতি ভাবলাম একটু বাহিরে গিয়ে কিছু সময় ঘুরে আসা যায়। হাতির ঝিল বহুবার গিয়েছি। তাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না কি করবো। কোথায় যাবো। অবশেষে ভাবলাম একটু সংসদ ভবনের লেকের ধারে ঘুরে আসলে মন্দ হয় না। খোলা আকাশের নীচে মুক্ত বিহঙ্গে খারাপ তো লাগবে না। তো যেই বলা সেই করা। তৈরি হয়ে সিএনজি করে চলে গেলাম সেই বিখ্যাত রোমান্টিক জায়গা সংসদ ভবনের লেকে। যাকে অনেকে চন্দ্রিমা উদ্যান বলে জানে।
আমরা যখন সেখানে পৌছলাম তখন সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই। আমরা নেমে কিছুক্ষন মুক্ত বাতাসে হেটে বেড়ালাম। বেশ ভালো লাগছিল। নিজেকে কেমন জানি স্বাধীন স্বাধীন লাগছিল। চারদিকে বেশ নিস্তব্দ একটি পরিবেশ। দূর দূরান্ত থেকে আসা মানুষ গুলো গাছের ছায়ায় আর লেকের ধারে বসে সুন্দর প্রকৃতিকে উপভোগ করছে। অনেকে ভাবে যে এটা শুধু কপোত কপোতিদের জায়গা। কিন্তু আমি তো দেখলাম এখানে সব বয়সের মানুষই যায়। অবশ্য জোড়া জোড়া একটু বেশীই যায়। তা যাই হোক। আমি সেই ফাঁকে এত সুন্দর পরিবেশ আর গাছ গাছলির কিছু ফটোগ্রাফি করে নিলাম আপনাদের জন্য।
এরপর আমরা গেলাম সেই চন্দ্রিমা উদ্যানের লেকের ধারে। সেখানে বসলে সামনে একটি লেক। অনেক মানুষ তখন সেখানে। কেউ ভিডিও করছে , কেউ বাদাম খাচ্ছে। আবার কেউ বো প্রিয় মানুষটির সাথে সময় কাটাচেছ। খোলা মেলা আকাশের নীচে আমাদের কিন্তু বেশ ভালোই সময় কাটছিল। আমরাও সেখানে কিছুক্ষনের জন্য বসলাম। চা আর বাদাম খেলাম। একটা কথা বলে রাখি আমরা কিন্তু পারতাল কোন সিনেমা হলে বা চাইনিজে সময় কাটাতে। না আমার কিন্তু এরকম একটু মুক্ত জায়গা ভালো লাগে। কারন এসব জায়গায় আর যাই হোক বুক ভরে শ্বাস নেওয়া যায়।
তখন সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই। এরই মধ্যে সেখানকার সিকিউরিটিরা বাশিঁ বাজাচেছ যে যারা চন্দ্রিমা উদ্যানের ভিতরে আছে তারা যেন বের হয়ে আসে। তাই আমরাও আর সেখানে বেশীক্ষন না বসে উঠে আসলাম। রাস্তায় এসে তো আকাশে সন্ধ্যার প্রকৃতির এক অপরূপ রূপ দেখতে পেলাম। আসলে খোলা জায়গায় যে এত সুন্দর আকাশ দেখা যায় সেটা আমার হয়তো জানা ছিল না। তো বেশ কিছুক্ষন রাস্তায় হাটাহাটি করলাম। আইক্রিম খেলাম, মিষ্টি পান খেলাম। ফটোগ্রাফিও করলাম।তারপর সুন্দর সেই প্রকৃতিকে বিদায় জানিয়ে ফিরে এলাম নিজের আসলা ঠিকানায়।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
https://twitter.com/maksudakawsar/status/1663179352551596032?s=20
আপু সংসদ ভবন লেকে,চন্দ্রিমা উদ্যানে অনেক বার যাওয়া হয়েছে। আপনারা কোন সিনেমা হলে বা রেস্টুরেন্টে না গিয়ে মুক্ত বাতাসে দারুন সময় কাটিয়েছেন। ফটোগ্রাফি গুলো দারুন হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
ধন্যবাদ ভাইয়া গুছিয়ে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।
ঈদ আপনাদের বড় উৎসব।তাই তাকে নিয়ে হাজারো স্মৃতি থাকবেই।আসলে উৎসব চলে যায় কিন্তু তার স্মৃতিগুলো কখনো পুরোনো হয় না।আপনার কাটানো মুহূর্তগুলি সুন্দর ছিল প্রকৃতির মাঝে।ফটোগ্রাফিগুলি ও বেশ মনমুগ্ধকর ,তাছাড়া বাদাম ও মিষ্টি পান খাওয়ার মজাই আলাদা।ধন্যবাদ আপু।
সুন্দর এবং সাবলিল একটি মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।