ভ্রমণ পোস্ট // ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের -০৮ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৮-১০-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের -০৮ পর্ব। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রথমে আপনাদের মাঝে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলাম। তারপরে হাতমুখ ধুয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করে প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রাইভেট থেকে মেসে ফিরে আবারো রেডি হয়ে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। আসলে কলেজে আজকে নবীন বরণ অনুষ্ঠান ছিল সেখানে বেশ কিছু সময় অতিবাহিত করেছিলাম। তারপরে বাসায় ফিরে গোসল শেষ করে নামাজ আদায় করে আবারো ইন্ডিয়া বনাম অস্ট্রেলিয়ার অল্প কিছুক্ষণ খেলা দেখেছিলাম। তারপরে ভাবলাম আপনাদের মাঝে একটা পোস্ট শেয়ার করা দরকার। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক......
আপনারা প্রথমে উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন মুজিবনগরে যাওয়ার পরে আমরা আম বাগানের মধ্যে আমাদের বাইক রেখেছিলাম। আমাদের বাইক রেখে সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করেছিলাম। তারপরে আমরা দেখতে পাই মুজিবনগরের আম বাগানের ভিতরে অনেক সুন্দর ভাবে মেলা বসেছে সেখানে অনেক মানুষ অনেক কিছু বিক্রয় করছে। তারপরে সেখানে গিয়ে সেগুলো দেখলাম এবং ছবিও তুলেছিলাম সেখান থেকে কিছু আপনাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। আসলে সেখান থেকে আমরা অনেক কিছু কেনাকাটা করেছিলাম এই বিষয়ে আপনাদের মাঝে অনেক আগে আমি শেয়ার করেছি। আসলে পরিবারের সবাই মিলে এমনভাবে ঘোরাঘুরি করতে সত্যি বেশ ভালো লাগে। আমরা সেখানে মোট ছয় জন গিয়েছিলাম ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণ করতে। সেখানে বেশ সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম।
এবার আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে স্মৃতিসৌধের ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে আমরা গিয়েছিলাম দুপুরবেলার দিকে সেখানে প্রচুর রোদ ছিল। আসলে এখানে সেন্ডেল বা জুতা পায়ে দিয়ে ওঠা নিষেধ ছিল। তাই সেখানে আমরা খালি পায়ে বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেছিলাম। আসলে অনেক রোদের কারণে খালি পায়ে দাঁড়ানো যাচ্ছিল না সেখানে। তারপরে সেখান থেকে নেমে এসে অনেক দূর থেকে আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলেছিলাম। আপনারা দেখতে পারছেন অনেক মানুষ গাছ তলায় দাঁড়িয়ে আছে আসলে সেই দিন প্রচুর রোদ ছিল।
এবার আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে বাংলাদেশের যেভাবে যুদ্ধ হয়েছিল তার কিছু দৃশ্যপট তৈরি করা রয়েছে। আসলে এই দৃশ্যগুলো আমার কাছে দেখতে বেশ ভালো লেগেছিল। সেই সাথে আকাশের দৃশ্য আমার মোবাইলের ক্যামেরাবন্দি করেছিলাম। আপনারা ভালভাবে লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন মানচিত্র দিয়ে সেই দৃশ্য তৈরি করা রয়েছে। আসলে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য আমাদের দেশের মানুষরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে এবং তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে। অনেক মা-বোন তাদের ইজ্জত হারিয়েছে এই দেশ রক্ষার জন্য। তবুও এই দেশকে সারা বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব দেশ হিসাবে মর্যাদা এনে দিয়েছে। সকল শহীদদের প্রতি সব সময় আমি শ্রদ্ধা এবং সম্মান জানাই।
যুদ্ধের সময় যেভাবে বাঙালিরা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করেছিল তার কিছু দৃশ্য তৈরি করা ছিল এখানে আসলে সবগুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। এই দিয়ে আমি প্রায় চারবার মুজিবনগর ভ্রমন করলাম। আসলে আমাদের বাড়ি থেকে খুব একটা বেশি দূরে নয় তাই প্রায় আসা হয় এখানে। আসলে এই জায়গা দেখতে অনেক দূর দুরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসে। আশা করি এই পোস্টি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। আপনাদের সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
| শ্রেণী | মুজিবনগর ভ্রমণ |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi not 8 / oppo f21s pro |
| লেখক | @kibreay001 |
| লোকেশন | মুজিবনগর,মেহেরপুর |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Twitter link
বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল মুজিবনগরে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় এবং কিভাবে যুদ্ধ হয় তার সবকিছু যদি দেখতে হয় তাহলে মুজিবনগরে আসতে হবে এবং উপলব্ধি করতে হবে সেই স্বাধীনতার সময়টাকে। যেন সবকিছু একটু একটু করে যুদ্ধের খন্ড খন্ড অংশ যেন সাজিয়ে রেখেছে। দেখলে মনে হয় যেন এভাবেই তাহলে তারা যুদ্ধ করেছে। খুব চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের বর্ণনা দিয়েছেন ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ মামা এত সুন্দর ভাবে আপনার কাঙ্খিত গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় এই জায়গাটার অবদান অনেক। ২০১৭ সালে আমি এখানে গিয়েছিলাম ঘুরতে। আজ আপনার ভ্রমণ পোস্ট দেখে আবার মনে পড়ে গেল। সেই আমঝুপি সেই স্মৃতিসৌধ সেই মানচিএ। বেশ চমৎকার ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়।
ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণ করতে অনেকবার আমি গিয়েছি। মনে করছি এবার শীতের ভিতরে আবারও মুজিবনগর ভ্রমণ করতে যাব। মুজিবনগর জায়গাটা আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। মানচিত্রের থেকে আমার কাছে স্মৃতিসৌধ সবথেকে বেশি ভালো লাগে। ধন্যবাদ মামা তোমার ভ্রমণের কিছুটা আনন্দ আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
মামা আপনি যদি মুজিবনগর গমন করতে যান অবশ্যই আমাকে সাথে নিবেন আসলে জায়গা গুলো দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।
ঠিক আছে মামু আমি মুজিব নগর যাওয়ার আগে অবশ্যই তোমাকে জানাবো।
মুজিবনগর আমিও ঘুরতে গিয়েছি জায়গাটি বেশ ভালো লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে আপনার গঠনমূলক মতামত শেয়ার করার জন্য।