নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরির কিছু মুহূর্ত
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১৫-০৪-২০২৫)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি নদীর পাড়ে ঘোরাঘুরির কিছু মুহূর্ত। আজকে সকাল বেলা থেকেই বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আসলে কয়েকদিন ধরে খুবই ব্যস্ততার মধ্যেই দিন কাটছে তাও চেষ্টা করছি সকল ব্যস্ততার মাঝেও নিজের কাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য। আমাদের বাড়িতে গত কয়েকদিন আগে বেশ কয়েক জন নতুন অতিথি এসেছে তাদের আকিকার জন্য আমরা বেশ কয়েকদিন ব্যস্ততার মধ্যেই বাড়ির সকলেই দিন পার করছি। আমরা মূলত অনুষ্ঠান করব ১৬ তারিখে তাই অনেক আগে থেকেই আমাদের প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে সব মিলিয়ে বেশ ব্যস্ততার মধ্যেই দিন যাচ্ছে আমাদের সকলের। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে আত্মমুখ ধুয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বেশ কিছু সময় বাড়িতে ছিলাম। দুপুরবেলার দিকে আমরা মিষ্টির দোকানে গিয়েছিলাম আজকে মিষ্টি নিয়ে আসার জন্য। আমাদের পুরো গ্রামের মানুষকে আজকে মিষ্টি খাইয়েছি সেই অনুভূতিটা ছিল সত্যি বেশ দারুন। মিষ্টিগুলো নিয়ে আসার পরে গ্রামে প্রত্যেক বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার পরে আমরা বাড়িতে এসে গোসল শেষ করে একটু রেস্ট নিয়েছিলাম রেস্ট নেওয়ার সময় বসে গেলাম পোস্ট লেখার জন্য। তবে চলুন আজকের পোস্ট লেখা শুরু করি.......
....
আপনারা উপরে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আপনাদের মাঝে খুবই চমৎকার ভাবে দুইটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরা বন্দী করে শেয়ার করেছি। গত কিছুদিন আগে আমি আমার আপুকে নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেশ কিছুদিন ছিলাম। আসলে প্রত্যেকদিন হাসপাতালের চার দেওয়ালের মাঝে সময় কাটাতে আমার ভালো লাগলো না তাই মাঝেমধ্যে আমি রিকশায় চড়ে রাজ্যহী শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করতাম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যগুলো বেশ সুন্দরভাবে উপভোগ করতাম সেই মুহূর্তগুলো আমি মাঝে মাঝে আমার মোবাইলের ক্যামেরায় ধারণ করতাম। আসলে রাজশাহী নিরিবিলি এবং পরিষ্কার পরিছন্নতা বেশ দারুন একটা শহর। আমার কাছে রাজশাহী শহর পুরো রিকশায় চড়ে ঘুরে দেখতে সত্যি বেশ ভালো লেগেছে আমি প্রায় প্রতিনিয়ত রাতে এভাবে ঘুরে বেড়াতাম। মাঝেমধ্যে রাতে ঘোরাফেরা শেষ করে শেষ রাতের দিকে এসে কালাই রুটি পাওয়া যেত রাজশাহীর বিখ্যাত সত্যি খেতে আমার কাছে বেশ দারুন লাগতো মরিচ বাটা দিয়ে যখন খেতাম বেশ ভালো লাগবে এখনো মনে পড়ে বেশ।
আপনারা উপরে এবার লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি চমৎকারভাবে আবারও দুটি ছবি আমার মোবাইলের ক্যামেরায় বন্দি করে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আমরা যখন নদীর পাড়ে গিয়েছিলাম তখন সেখানে নৌকা রাখা ছিল আমরা ৫০ টাকা টিকিট কেটে নৌকায় উঠে পড়েছিলাম নদীর ওপারে গিয়ে কিছু সৌন্দর্য ঘুরে দেখার জন্য। আমরা যখন নৌকায় চড়েছিলাম তখন আকাশের অবস্থা খুব একটা ভালো ছিল না তাও নৌকায় চড়েছিলাম বিকেল বেলায় নদীর এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। নদীর ওপারে গিয়ে পৌঁছানোর পরে সেখানে গিয়ে বেশ দারুন একটা আবহাওয়া ছিল বেশ মনোমুগ্ধকর মনে হচ্ছে নদীর দিকে তাকালে সূর্য নদীর পানির মধ্যে ডুবে যাচ্ছে এই দৃশ্য টা দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। তবে সব থেকে বেশি মজা হয়েছিল নৌকা যখন নদীর মাঝপথে এসে হেলে দুলে পানির উপর দিয়ে আমরা সকলে বেশ মজা করতে করতে নদীর এপারে এসে পৌছালাম এই মুহূর্তটা।
সবশেষ আমি আপনাদের মাঝে আবারও দুইটি ছবি আমার মোবাইলে খুবই সুন্দর ভাবে ক্যামেরা বন্দী করে আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি। নদীর ওপারে পৌঁছানোর পরে আমি অনেক সুন্দর ভাবে আমার চাচার একটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। সেখানে গিয়ে অনেক খাবার দোকান ছিল এবং ঘুরে বেড়ানোর মতো মনোরম পরিবেশ সেখানে অনেক মানুষ নদীর মধ্যে গোসল করছিল আমরা সেই সুন্দর দৃশ্যগুলো শুধুমাত্র দেখে উপভোগ করেছিলাম। আসলে গোসল করার জন্য সেখানে এক্সট্রা জামা কাপড় লাগে সেগুলো আমরা কেউ নিয়ে গিয়েছিলাম না সেজন্য সেখানে আমরা গোসল করতে পেরেছিলাম না শুধুমাত্র চোখের দেখা দেখেই সেখান থেকে আবারো নৌকায় চড়ে রওনা দিয়েছিলাম এপারে। সবমিলিয়ে ঐদিন আমরা সকলে বেশ দারুন মজা করেছিলাম এবং রাতে হাসপাতালে ফেরার সময় আমরা আমার ছোট্ট খালামণিকে নিয়ে হোটেলে খাওয়া দাওয়া করতে গিয়েছিলাম সেই মুহূর্তটা ছিল আমাদের কাছে বেশ দারুন। সব মিলিয়ে আমি আজকে আপনাদের মাঝে বেশ দারুন একটি পোস্ট শেয়ার করছি সকলকে আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি ক্যামেরাবন্দি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করা এবং ফটোগ্রাফি ধারণ করা। আমি স্টিমিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রা শুরু করেছি ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসের ০১ তারিখে । স্টিমিট প্ল্যাটফর্মকে আঁকড়ে ধরে ভবিষ্যতে আরো অনেক দূরে এগিয়ে যেতে চাই এটাই আমার লক্ষ্য। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
x-promotion
https://x.com/kibreay001/status/1912152975146954991?t=guPuW9umi-cOcKr2fY5qSQ&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1912152226597916798?t=guPuW9umi-cOcKr2fY5qSQ&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1912151511020576909?t=guPuW9umi-cOcKr2fY5qSQ&s=19
https://x.com/kibreay001/status/1912134705513972184?t=guPuW9umi-cOcKr2fY5qSQ&s=19
এরকম সুন্দর জায়গায় সময় কাটাতে পারলে আসলেই ভালো লাগে। খুব সুন্দর হয়েছে আপনার আজকের ফটোগ্রাফি গুলো। জায়গাটা বেশ চমৎকার আর আপনি সেখানে দারুণ মুহূর্ত কাটিয়েছেন। এত সুন্দর এবং নিরিবিলি প্রকৃতির মাঝে সময় কাটাতে কার না ভালো লাগবে। জায়গাটা সত্যিই খুব সুন্দর। মুহূর্তগুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
নৌকায় চড়ে নদী পারাপারের অভিজ্ঞতা সত্যিই অন্যরকম হয়। জামা না নিয়ে যাওয়ার কারণে আপনারা স্নান করতে পারেননি তবে অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেছেন সেটা দেখে বেশ ভালো লাগছে। আকাশের অবস্থা সত্যিই ভালো নয় কিন্তু এই সময় নৌকো পারাপার অনেকটাই বিপদ মাথায় নিয়ে বেগুনুর মত কারণ মাঝ নদীতে হঠাৎ করে ঝড় বৃষ্টি শুরু হলে তখন বিপদের সম্ভাবনা থেকেই যায়। যাই হোক আপনারা ভালোভাবে ফিরে এসেছেন দেখে সেটা জেনে ভালো লাগলো। আর আপনার তোলা সবকটা ছবি কিন্তু ভালো লেগেছে।