ভ্রমণ পোস্ট // ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের -০৯ পর্ব
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (১১-১০-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের -০৯ পর্ব। আসলে আজকে সকাল থেকে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছি। আজকে সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। প্রাইভেট শেষ করে এসে বাড়ি থেকে মাকে নিয়ে নারীদের বাসায় এসেছি আজকে মামার মেয়ের আকিকারের দাওয়াত খাওয়ার জন্য। তারপরে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বিকেল বেলার দিকে আমি এবং মুস্তাফিজুল মামা দুজন মিলে হাঁটতে বের হয়েছে। বিকেল বেলায় বসে শুরু করে দিলাম দুই মামা ভাগ্নে পোস্ট লেখা। তবে চলুন শেয়ার করা যাক আজকে আপনাদের মাঝে ঐতিহাসিক মুজিবনগর ভ্রমণের নবম পর্ব। আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে মুজিবনগরে তৈরি করা অনেক সুন্দর একটি দৃশ্য দেখতে পারবেন। তবে চলুন আজকের পোস্ট আপনাদের মাঝে শেয়ার করা যাক......
আপনার ওপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করে দেখতে পারবেন মুজিবনগরে পৌঁছানোর পরেই আমরা প্রথমে মেলাতে প্রবেশ করেছিলাম। আমি মেলা থেকে অনেক ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে আমি আপনাদের মাঝে দুইটি ছবি শেয়ার করেছি মেলাতে অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস বিক্রয় করতেছিল। মেলাতে বিক্রয় করছিল ছোট্ট ছেলে মেয়েদের অনেক খেলনা সেগুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। আসলে আমার সাথে আমার খালামণি ছিল একটি পুতুল কিনেছিল পুতুলটির দাম নিয়েছিল মাত্র ১৪০ টাকা। আশা করি এগুলো দেখতে আপনার কাছে বেশ ভালো লাগবে।
এবার আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য বলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে মুজিবনগর ভ্রমণের সেরা দৃশ্য আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধাকে কেন্দ্র করে এই মুজিবনগরের স্থানটি গড়ে তোলা হয়েছে। আসলে এই জায়গা দেখতে অনেক দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ এসে থাকে। বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী বলা হয় এই মুজিবনগরকে। এই মুজিবনগর সর্বপ্রথম সরকার গঠন করা হয় বাংলাদেশের। এই মুজিবনগর কে কেন্দ্র করে বইয়ের মাঝে অনেক ১৯৭১ সালকে কেন্দ্র করে স্মৃতি রয়েছে। মানুষ কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা অংশগ্রহণ করেছিল এবং কিভাবে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিল সেইসব দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে এই মুজিবনগরে।
এবার আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি আরো দুটি ছবি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। একুশে ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সালে শহীদ মিনারের সম্মান প্রদর্শন সেই স্মৃতি এখানে তৈরি করা হয়েছে। আসলে এসব ছবি গুলো দেখতে সত্যি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। সেদিন আমরা সবাই মিলে বেশ সুন্দর সময় অতিবাহিত করেছিলাম। সেখানে পাশে একটি পুকুর ছিল সেই পুকুরের উপরে আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি সেলফি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আশা করি পোস্টি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। সকলের মতামত হচ্ছে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
| শ্রেণী | মুজিবনগর ভ্রমণ |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi not 8 / oppo f21s pro |
| লেখক | @kibreay001 |
| লোকেশন | মুজিবনগর,মেহেরপুর |
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানা কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
মুজিবনগর ভ্রমণ করে আপনি এ পর্বে সুন্দর ফটোগ্রাফি এবং আপনার ভ্রমণের সুন্দর কাহিনী উপস্থাপন করেছেন খুবই ভালো লাগলো জানতে পেরে।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর ছিল আমাদের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা।
আমিও বেশ কয়েকবার ভ্রমণ করেছি যতই যাই ততই আরো জায়গাটি বেশি ভালো লাগে।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি মুক্তিযোদ্ধার সময় মুজিবনগর ছিল সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা।
মুজিবনগর দুইবার যাওয়া হয়েছে । মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকার গঠন করা হয়েছিল । সেই স্মৃতি বিজড়িত মানচিত্রগুলো ভালোই উপভোগ করেছিলাম। সেই সময় প্রচন্ড রোদ ছিল আমরা বাইক নিয়ে গিয়েছিলাম তারই স্মৃতি আবার আপনার ঘোরাঘুরির মাধ্যমে দেখতে পেলাম । খুবই ভালো লাগলো অনেক সুন্দর মুহূর্ত ছিল আপনার।
ঠিক বলেছেন ভাই আপনি মুজিবনগরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সরকার গঠন করা হয়েছিল।
Twitter link