ভ্রমণ: বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর পর্ব-৭।

in আমার বাংলা ব্লগlast year

IMG_20250225_131326~2.jpg

আসসালামু আলাইকুম/আদাব
আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটি বন্ধুরা
আমি @fatema001 বাংলাদেশ থেকে
আজ বুধবার ,১৬ এপ্রিল ২০২৫

আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গণ আপনাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। কেমন আছেন আপনারা সবাই। আশা করছি আপনারা সবাই সুস্থ ও ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। তবে আপনাদের ভাইয়া একটু অসুস্থ। ড্রেসিং টেবিলের কাচে হাত কেটে গেছে। এতো কিছুক্ষণ আগে ডাক্তারের কাছ থেকে উনাকে নিয়ে আসলাম। আজকে বাসায় মেহমান এসেছিল তারপরে সারাদিন অনেক ব্যস্ত ছিলাম। এখন একটু ফ্রি হয়ে আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর ভ্রমণের সপ্তম পর্ব। গত পর্বে আমি অনেক কিছু আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আজকে শেয়ার করব খাওয়া-দাওয়ার প্রথম দিকের পর্ব। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কের মধ্যে আমরা এক কোনায় ছিলাম। ওখান থেকে আপনাদের ভাইয়া ফোন দেওয়ার সাথে সাথে আমরা আমাদের স্পটের দিকে রওনা দিলাম। তবে আমরা যেখানে ছিলাম সেখান থেকে স্পোর্ট টা একটু দূরে। তাই আসতেও একটু দেরি হয়ে গেল। তবে আস্তে আস্তে সুন্দর এটি ছোট্ট রেস্টুরেন্ট দেখতে পেলাম। গাছের নিচে চেয়ার-টেবিল দিয়ে ছোট ভাবেই রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন আইটেমের খাবার বিক্রি করছে। খাবারের জন্য ছোট্ট একটু মেনু আছে। তার মধ্যে আমার পছন্দের খাবারও ছিল কয়েকটা। তবে রেস্টুরেন্টের ভিতর ঢুকে দেখি অনেক মানুষের ভিড় তাই আমরা বাইরে বসে পড়লাম। আমরা চারজন ছিলাম। আর বাইরে বসে আমরা চার জনের জন্য খাবার অর্ডার করি। ওখানে তিনজন ভাজা মাখা অর্ডার করলো এবং আমার জন্য চটপটে অর্ডার করলাম। আমরা আমাদের স্পোর্ট এর কাছে খেতে যাচ্ছিলাম কিন্তু তার আগে এমন খাবার দেখে না খেয়ে কি পারা যায়।

IMG_20250225_131145~2.jpg

IMG_20250225_131043~2.jpg

তাই আর দেরি না করে তাড়াতাড়ি অর্ডার দিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের খাবার চলে আসলো। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম ভাজা মাখা খাব কিন্তু এত পরিমাণ ঝাল ছিল তাই পরে আমি চটপটি নিয়ে নিয়েছি। আমরা যেহেতু চারজন এই ফ্রেন্ড ছিলাম তাই আর কোন সমস্যা হয়নি। এরপর ঝটপট খেয়ে আমরা আমাদের স্পোর্টের দিকে রওনা দিচ্ছিলাম। কেননা আপনাদের ভাইয়া বারবার কল দিচ্ছিল আবু রায়হানের খাওয়ার জন্য। এজন্য ওখানে আর বেশি দেরি করিনি। তারপর আমরা সোজা চলে গেলাম রান্নার কাছে। কেননা ওখান থেকেই সবার আগে বাবুকে খাইয়ে দেবো। এরপর ওখানে গিয়ে দেখি আপনাদের ভাইয়া রান্না করছে। ভীষণ ভালো লাগলো তাই একটি ফটোগ্রাফি ধারণ করে নিলাম। উনি দেখছিলাম মাংস রান্না করছে। যদি আলাদা করে আমাদের রান্না করার জন্য বাড়ি থেকে দুইটা লোক রাখা হয়েছিল। তবে সবাই হাতে হাতে কাজ করলে একটু তাড়াতাড়ি সবকিছু হয়ে যায়। আর রান্নাবান্না খাওয়া দাওয়া হয়ে গেলে ঘোরার জন্য সবাই বেশ সুন্দর সময় পাবে।

IMG_20250225_131323~2.jpg

IMG-20250416-WA0011.jpg

এরপর ওখানে গিয়ে মাংস কেমন রান্না হয়েছে টেস্ট করার জন্য আমাদেরকে একটা পাত্রে কয়েক পিস মাংস তুলে দেওয়া হল। আমরা যারা ছিলাম সবাই দু-এক পিস করে মাংস খেয়ে দেখলাম। মাংস খেতে সেই টেস্ট হয়েছিল। তারপর আবু রায়হানের জন্য ছোট একটা পাত্রে দুই পিস মাংস আর অল্প একটু ভাত নিয়ে ওকে খাওয়াতে শুরু করে দিলাম। বাবুকে রান্না জায়গা থেকেই খাইয়ে নিলাম। কেননা এদিকে এসে সবাই খাওয়া দাওয়া করবে আর তখন তো ওকে দেখে রাখতে হবে। ওকে একা একা ছেড়ে দিলে খাওয়া-দাওয়ার মধ্যে চলে যাবে। তাই আগের থেকেই খেয়ে দিলাম। এরপর আমরা ওখান থেকে চলে এলাম আমাদের স্পট এর কাছে। ওখানে গিয়ে দেখি মাদুর বিছানো শুরু হয়ে গেছে। মোট তিনটা মাদুর বিছানো হলো। এরপর সবাইকে ওয়ানটাইম প্লেট এবং একটি করে পানির বোতল দেওয়া হল। তারপর শুরু হয়ে গেল খাওয়া দাওয়ার আয়োজন। তবে এই আয়োজন এর সুন্দর মুহূর্তের কিছু ফটোগ্রাফি আমি ধারণ করে রেখেছি। সেগুলো আপনাদের মাঝে পরবর্তী পর্বে শেয়ার করব।

IMG-20250416-WA0013.jpg

IMG-20250416-WA0012.jpg

আজকে এই পর্যন্তই আপনাদের মাঝে শেষ করছি। পরবর্তীতে আবারো আপনাদের মাঝে নতুন কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হবার চেষ্টা করব। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক ও যশোর বিমানবন্দর ভ্রমণের সপ্তম পর্ব আপনাদের কাছে কেমন লাগলো সেটা অবশ্যই জানাবেন। আমার কাছে ভ্রমণ পোস্টগুলো ভীষণ ভালো লাগে। আশা করছি আমার আজকের এই পোস্ট আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। পরবর্তী পর্ব নতুন কোন পোস্টে আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। সবার সুস্থতা কামনা করে আজকে এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।

g6br9NKHvSo72r7xnHSpj1hkcv6csCddDyMEi1jUecgDw3N4Yfy6YpdUvdCyw6kiWy8pVjCrDNVML5aQoBLFZoYCEFX6JNcKgvs5UsgTeh...vc46UPdpEf1AVVuUWBn8RUMuwUdmFWuyrwZEyyuDTDyVbPcmkcnLzvaPhyPaKzykkdRpMiY3R5t15G2er9hQQRrN59nMWe2xMnGw1fVdX6StCUsD1ukGkadgPX.gif

5zGozCj1raAPxR2gxtAcC4PqrgwoJ7g4fhsaZBQiGiZqD8TG2URyGVeS9wfGC6bbv9GSFJJ7cs9hhhzg9bBWB2YWdJJwcvoKQM9J4d27PR...KPKF6zqAovEmYL1T3UophX8h4Vurjb89ULGf4rkgt5dtawbAQzfqC1a6RfjNVLwj8U29EuYyYkv5jrrkhKTV7iz4S2EEfCFWVMc9QFV9HDhKqYRqgectoFAwRP.gif

hPb2XtKwBGiwRzkrzveR1sSPznD4Wv2miQhHXdT4AQFLAHkykY3jBdZmCxJjk6ztifZuRFBV7zoGPBbLN7Lkye6VFmom81baPfeUCEyY7A...YVvDBETk3mJPgn7FZvEHUXrxkZzx8XXwvxZ1XaAXaUKMY1J4Jnwp1qFNdww2VMXKd9tbLkXzNUZiDGZRtCm2dynbYGBzJduBamEPX9ALJK2XX9TDqYeaKh8Gtd.gif

IMG_20230624_202025.jpg

আমি মোছাঃ ফাতেমা খাতুন। আমি এই প্লাটফর্মে ২০২৩ সালের জুন মাসের ২৩ তারিখে যুক্ত হয়েছি। আমি বিবাহিত। আমার একটি ছেলে আছে। আমার শখ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া। বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন রেসিপি এবং রঙিন কাগজ ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের জিনিস তৈরি করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে।প্রাকৃতিক সৌন্দর সহ বিভিন্ন ধরনের আর্ট করতে ও আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আমার বাংলা ব্লগে কাজ করতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত।।

VOTE @bangla.witness as witness


witness_vote.png

OR

SET @rme as your proxy

witness_proxy_vote.png

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.076
BTC 62335.22
ETH 1687.96
USDT 1.00
SBD 0.40