ভ্রমন:-চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক এ কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত (পর্ব৪)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক এ কাটানো সুন্দর কিছু মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
আজকেই ডিসি পার্কে ভ্রমণের আরো একটি নতুন পর্ব নিয়ে হাজির হলাম। ডিসি পার্ক ভ্রমণের বেশ কয়েকটি পর্ব আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি এবং আজকে আরেকটি নতুন পর্ব নিয়ে এলাম। ডিসি পার্কে ভ্রমণের আগের পর্বগুলোতে আপনারা উৎসাহ দেখিয়েছেন এবং খুবই জানিয়েছে নতুন পর্ব গুলো দেখার জন্য। সেজন্যই তাড়াতাড়ি আরেকটি পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। আমার এই ডিসি পার্ক ভ্রমণের পোস্টগুলো দেখার জন্য আপনাদের এত উৎসাহ দেখে আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। আসলে ডিসি পার্ক এত বড় যে বেশ কয়েকটি পর্বে আপনাদের মাঝে শেয়ার করে শেষ হবেনা। অনেকগুলো পর্ব খুবই সুন্দর ভাবে আমি আপনাদের মাঝে সবকিছু শেয়ার করতে পারব।
ডিসি পার্কে তারা অনেকগুলো কর্নার তৈরি করেছে। যেখানে এক একটা জায়গায় এক এক ধরনের জিনিস তারা ফুটিয়ে তুলেছে। তারমধ্যে ফুলে এবং পিটুনিয়া ফুলের গেট এবং অন্যান্য জিনিসপত্র পেরিয়ে গিয়েছিলাম মালাই চা খেতে। মালাই চা খাওয়ার পর একটা কর্নার ছিল সেই কারণে তা থেকে খাবার দাবার ঠিক একটু এগোতেই সেখানে ছিল বেশ অনেকগুলো ফুল অনেক অনেক ফুল। এবং ফুলের মেলা সম্পর্কিত কিছু ব্যানার এবং বিভিন্ন ধরনের ভাস্কার্য। সেখানে প্রত্যেকটা ফুলেরই ফটোগ্রাফি করে যে সেখানেও বেশ অনেকটা সময় কাটিয়েছিলাম। কারণ সেখানে অনেক ফুল ছিল ফটোগ্রাফি করতে হবে সময় লেগেছে। এরপর সামনে ছিল খুবই ঐতিহাসিক একটা ঘটনার ভাস্কার্য।
২০২৪ সালে আমাদের দেশে কি হয়েছিল সেটা তো আপনারা সবাই কমবেশি জানেন। সেখানে কি কি ঘটনা ঘটেছিল কোন ধরনের জিনিসগুলো হয়েছিল এই কর্নার মধ্যে সবকিছুই ফুটিয়ে তুলেছে বিভিন্ন ধরনের ভাস্কর্যের মাধ্যমে। এগুলো দেখে বেশ ভালো লেগেছে আবার অনেক কষ্ট হয়ে গেছে। জুলাই আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থান হয়তো ইতিহাস সাক্ষী থাকবে আর এই সময়টার সাক্ষী আমি নিজেও ছিলাম। এতদিন শুধু বইতে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহাসিক ঘটনার ঘটনা পড়ে এসেছি কিন্তু এখন যত দিন যাচ্ছে অনেক অনেক ধরনের ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি। যেটা আমাদের ভবিষ্যতে প্রজন্ম বই তে পড়বে।
দেশেরই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ভাস্কর্য দেখা শেষে সামনের দিকে এগিয়ে দেখতে পেলাম পার্কে রাখা বাচ্চাদের খেলনা যে ট্রেনগুলো রয়েছে। সেই ট্রেনগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আর্ট তৈরি করে সেখানে সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রেখেছে ছবি তোলার জন্য। প্রত্যেকটা অংশগুলোর মধ্যে একেক ধরনের ডিজাইন করেছে বিশেষ করে ফুলের ডিজাইন করেছে এবং সেখানে এবারের মেলার কিছু লিখাও লিখেছে যেটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এরপর আমিও সেখানে গিয়ে ভেতরে বসে ছিলাম অনেকক্ষণ অনেকক্ষণ বসে আমরা সেখানে আড্ডা দিলাম এবং অনেক ছবি তুলেছিলাম। আমরা সবাই মিলে সেখানে বেশ অনেকগুলো ছবি তুলেছিলাম। ছবিগুলো বেশ ভালো লেগেছে আমার কাছে।
আর এই ট্রেনের ছবি তোলার বিভিন্ন ধরনের জিনিসগুলো পড়েছিল। অনেক অনেক গুলো চেয়ার এখানে মানুষ বসে খাবার দাবার খাবে এবং বসে গল্প করবে আড্ডা দিবে। তার উপরে ছিল বড় নাগরদোলা এবং বাচ্চাদের কিছু রাইড। নাগর দোলায় অনেক মানুষ তুলতে ছিল এই বিষয়টা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। যদিও আমি নিজে কখনো নাগর দোলায় উঠে নি। আমার নাগরদোলাতে উঠতে অনেক বেশি ভয় লাগে সেজন্যই ওঠা হয়নি। তাছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের বাচ্চাদের খেলনা জিনিসপত্র ছিল। সেখানে বাচ্চারা বেশ ভালোই মজা করছিল। এই ছিল আমার ডিসি পার্ক ভ্রমণের কিছু সুন্দর মুহূর্ত। আশা করছি আমার আজকের এই মুহূর্তগুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
https://x.com/APatwary88409/status/1895176399180439749?t=VYrsILkAhjOcZXOdYIy6ZA&s=19
This is the kind of content we want to see on #steem-atlas, I would like to invite you to participate in the project, here is the link with a couple of posts that can guide you on how to participate. Have a nice day!
STEEM ATLAS : Curation Guidelines for February 2025
Three Ways to Earn from Old Posts
চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে কাটানো আরো সুন্দর একটা মুহূর্ত আপনি আজকের ব্লগে শেয়ার করে নিলেন। এটা দেখেই তো আমার খুব ভালো লাগলো। ওখানে অনেক সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। ভালোভাবে ঘুরাঘুরি করার সময় বেশ কিছু সুন্দর ফটোগ্রাফিও করেছেন। যেগুলো দেখে বেশি ভালো লেগেছে।
হ্যাঁ সেখানে বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছিলাম এবং অনেক ফটোগ্রাফিও করেছি ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
ডিসি পার্কে খুব সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছেন। প্রত্যেক বছর সেখানে খুব সুন্দর ভাবে ফ্লাওয়ার দিয়ে সাজানো হয়। আপনার প্রথম দুটো পর্ব সম্ভবত দেখা হয়েছে। আজকে আরও একটা পর্ব দেখে বেশ ভালো লাগলো। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কিছু কিছু চিত্র সেখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেখে ভালো লাগলো। আপনাদের কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
এই ভ্রমণ পোষ্টের প্রথম পর্বগুলো আপনার দেখা হয়েছে জেনে খুবই ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
চট্টগ্রাম ডিসি পার্কে তাহলে দারুন সময় কাটিয়েছেন। নাগরদোলায় উঠতে অনেকেরই ভয় লাগে আপনার মতই। যে জিনিসটা ভয়ের, যেটা করলে খারাপ কিছু হতে পারে সেটা থেকে আমাদের বিরত থাকাই উত্তম। তবে এই পর্বের ফুলের ফটোগ্রাফি এবং জুলাই অভ্যুত্থানের চিত্রগুলি আপনার ফটোগ্রাফির মধ্যে স্পষ্ট ভাবে দেখতে পেলাম। আজকের এই পর্বটি দারুন ছিলো। তাই পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম আপু।
হ্যাঁ আপু সেখানে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছি এবং পরবর্তী পর্বগুলো আপনাদের মাঝে খুবই তাড়াতাড়ি শেয়ার করব।
চট্টগ্রামের এই সুন্দর পার্ক দেখে খুবই ভালো লাগলো। জায়গাটি সত্যি অনেক সুন্দর। আপনি এত সুন্দর করে মুহূর্তগুলো তুলে ধরেছেন দেখে ভালো লাগলো।
এই জায়গাটি আপনার কাছে সুন্দর লেগেছে জেনে খুবই ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।