ডিসি পার্ক ভ্রমন মালাই চা খাওয়া কিছু মুহূর্ত ( পর্ব ৩)
হ্যালো সবাইকে
কেমন আছেন সবাই ?আশা করি ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আল্লাহর রহমতে। আজকে আরও একটি নতুন পোস্ট নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। ডিসি পার্কে মালাই চা খাওয়ার মুহূর্ত আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। ডিসি পার্কে ভ্রমণের বেশ কয়েকটি পর্ব এর আগে ও কেউ আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আজকে আরেকটি নতুন পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম। আশা করি আপনাদের কাছে আমার এই পোস্টটি ভালো লাগবে।
ডিসি পার্কে বেশ ভালোই ঘোরাঘুরি করেছিলাম। পা বেশ বড় এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত ঘোরাঘুরি করতে আমার প্রায় সারাটা দিনই লেগে গিয়েছিল। তার মধ্যে সেই মুহূর্তগুলো আপনাদের মাঝে পর্ব আকারে শেয়ার করছিলাম গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। আজকেও নতুন একটি পর্ব নিয়ে হাজির হলাম। আজকের পর্বে আমি শেয়ার করব যখন ডিসি পার্কে ঘোরাঘুরি করলাম শুরুতে ঢোকার পর বেশ অনেকক্ষণই ঘোরাঘুরি করেছি এবং বেশ কিছু ফটোগ্রাফি করলাম। ফুলের সমারোহ পেরিয়ে একটু আঘাতেই খুবই সুন্দর ডেকোরেশন করা বিভিন্ন ধরনের জায়গা ছিল। যেগুলোতে ফটোগ্রাফি করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে কিছু ফটোগ্রাফি করে নিলাম। সবাই মিলে সেখানে ফটোগ্রাফি করেছি।
উপরের ফটোগ্রাফি গুলোতে আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন খুবই সুন্দর জায়গা আমরা যেখানে ছবি তুলেছি। উপরের ডেকোরেশনটা দেখতে পাচ্ছেন খুবই সুন্দর করে করেছে। এগুলো সব জায়গায় দেখা হয়েছে কিন্তু এবার প্রথমবার দেখলাম। খুবই ভালো লেগেছে বেশ অনেকটা জায়গা ঘোরাঘুরি করার পর একটু হাঁপিয়ে গেলাম। সামনে দেখতে পেলাম বেশ কিছু খাবারের স্টল ছিল সেখানে বসে ভাবলাম কিছু খাবো। সেখানে খাবার স্টলের সামনে অনেকগুলো টেবিল ছিল ঘোরাঘুরি করার পর হাপিয়ে গেলে কিছুক্ষণ বসে রেস্ট নেওয়ার জন্য এবং খাওয়া-দাওয়া করার জন্য। আমরা সেখানে গিয়ে বসলাম সেখানে কেকের,আচার স্টল ছিল তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের চাও বিক্রি করছিল।
আমরা যেহেতু শীতকালের মধ্যে গিয়েছিলাম বলতে গেলে তখন অনেক বেশি শীত পড়ছিল তখন গিয়েছিলাম। আর দুপুরবেলা খুবই সুন্দর মিষ্টি রোদ উঠেছে। এই মিষ্টি রোদ ও মধ্যে ঠান্ডার মধ্যে আমার ইচ্ছে করল চা খেতে। সেখানে বিভিন্ন ধরনের চা বিক্রি করছিল। সেখানে একটা মালাই চায়ের দোকান ছিল। সাইন বোর্ড লেখা ছিল ইরানি দম মালাই চা ভাবলাম সেখান থেকে মালাই চা খাই। শীত কালে এই মিষ্টির রৌদের মধ্যে বসে মালাই চা খাওয়ার অনুভূতিটাই অন্যরকম ছিল। তারা খুবই ভিন্ন স্টাইলে এই মালাই চা তৈরি করছিল তাদের চা বানানো সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। চায়ের মাটির পাত্র গুলোতে তারা মালাই চা পরিবেশন করে এবং ওয়ান টাইম কাপগুলোতেও তারা চা বিক্রি করে। আমরা সেখানে ওয়ান টাইম কাপে করে চা নিয়েছিলাম।
কারণ মাটিরে পাএ গুলোতে আর্ট করলে অনেক সুন্দর হয়ে থাকে থেকে।তাই ভাবলাম আবারো এবং যাওয়ার পথে একবার মালাই চাখাব তখন চা খাওয়ার সময় মাটির পাত্র গুলোতে খাব এবং যাওয়ার সময় মাটির পাত্র গুলো নিয়ে যাব। এখনো যেহেতু ডিসি পার্কে ঘোরাঘুরি করা অনেক বাকি রয়েছে এই পাত্রগুলো হাতে করে নিয়ে ফটোগ্রাফি করা এবং ঘোরাঘুরি করা একটু অস্বস্তিকরই হবে। সেজন্যই ওয়ান টাইম কাপগুলোর মধ্যে চা খেলাম মালাই চা টা খেয়েছি। এই মালাই চা খেতে অনেক বেশি সুস্বাদু ছিল। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে খুবই মজার হয়েছিল এই চা। পার্কের মধ্যেই মালাই চা এত সুস্বাদু হবে সেটা আশা করিনি কিন্তু অনেক বেশি ভালো।
সেখানে মালাই চা খাওয়া এবং সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করতে করতে বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছিলাম। চা খাওয়ার পর পার্কে সামনের দিকে আবারো এগিয়ে গেলাম সেখানেও বেশ ভালো সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি। সে পর্বগুলো আমি আপনাদের মাঝে আস্তে আস্তে শেয়ার করব। আর সামনে সে মুহূর্তগুলো আরো বেশি সুন্দর ছিল সেই সুন্দর মুহূর্তগুলো দেখার জন্য আপনাদেরকে অবশ্যই আরো কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে। আশা করছি আমার আজকের এই মালাই চা খাওয়ার মুহূর্তগুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
| শ্রেণী | ট্রাভেল |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @fasoniya |
| ডিভাইস | Vivo Y15s |
| লোকেশন | বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমার নাম ফারজানা আক্তার সোনিয়া। আমি বাংলাদেশী।আমি বর্তমানে লেখাপড়া করি আমি একজন স্টুডেন্ট। আমি আর্ট করতে ভালোবাসি আর যখনই সময় পাই তখনই আর্ট করি।আমি ফটোগ্রাফি করতে খুবই ভালোবাসি । যখনই কোথাও খুব সুন্দর কিছু আমার চোখে পড়ে আমি ফটোগ্রাফি করে ফেলি। এছাড়াও আমি ক্রাফট তৈরি করে থাকি । বিভিন্ন ধরনের রান্না করে থাকি রান্না করতে অনেক পছন্দ করি। আমি আমার পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে । আমার ছোট ছোট দুইটা ভাই আছে। আমার অনেক স্বপ্ন রয়েছে যেগুলো স্টিমিট এ কাজ করে পূরণ করতে চাই।
https://x.com/APatwary88409/status/1893296777509405167?t=Lkvu1pWkzSMR6QZYFWtCqQ&s=19
ডিসি পার্কে গিয়ে খুব ভালো সময় কাটিয়েছিলেন। তার মধ্যে সুন্দর একটা মুহূর্ত ছিল মালাই চা খাওয়ার। আমাদের মাঝে তৃতীয় পর্বের মাধ্যমে চা-খাওয়ার মুহূর্তটা শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লেগেছে। দেখে বুঝতে পারছি এই চা খেতে খুব দারুন ছিল। অপেক্ষায় থাকলাম এখন আপনার ঘুরাঘুরি করার পরবর্তী পর্বটা দেখার জন্য।
আপু আপনাকে ধন্যবাদ আমার পোস্টটি দেখে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য এবং খুব তাড়াতাড়ি বাকি পর্বগুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করব।
কোথাও ঘুরতে গিয়ে যে কোন চা আমার কাছে ভালো লাগে। আর মালাই চা হলে তো হেব্বি জমে। আপনার ডিসি পার্ক ভ্রমনে গিয়ে মালাই চা খাওয়া মুহূর্ত পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
কোথাও ঘুরতে গেলে আপনার কাছে চা খেতে ভালো লাগে জেনে খুবই ভালো লাগলো ।আমিও কোথাও ঘুরাঘুরি করতে গেলে চা খেতে পছন্দ করি এমনিতে তেমন চা খাই না।
ডিসি পার্ক ভ্রমন মালাই চা খাওয়া কিছু মুহূর্ত ৩য় পর্ব শেয়ার করেছেন। আমি রংপুরে গেলে মালাই চা না খেয়ে আসি না। আমি যদিও লাল চা, দুধ চা খেতে বেশি পছন্দ করি না। তবে মালাই চা খেতে ভীষণ ভালো লাগে। আপনার এই পর্বটি পড়ে এবং আপনার কাটানো মুহূর্তগুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। আপনার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম আপু ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি নিজেও চা তেমন খেতে পছন্দ করি না। কিন্তু এ মালাই চা খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে আমার কাছে।
আপু আপনি দেখছি ডিসি পার্ক ভ্রমন করেছেন এবং মজার মালাই চাও গেলেন। তবে আপু ডিসি পার্ক জায়গাটি এমনিতে সুন্দর। যেহেতু আপনারা শীতকালে গেলেন এই কারণ আপনাদের জন্য সুবিধা হল। আমি নিজেও ডিসি পার্কে গেলাম গত বছর। এবং ঘুরাঘুরি করে ভালো করে চা পান করেছেন। যাই হোক ডিসি পার্ক ভ্রমন এবং মালাইকারি চা খাওয়ার মুহূর্ত তৃতীয় পর্ব আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাইয়া এই বছর ডিসি পার্কে গিয়েছিলাম এবং বেশ ভালই ঘুরাঘুরি করেছিলাম। আগামী পর্ব আপনাদের মাঝে খুব তাড়াতাড়ি শেয়ার করব।
আপু গত বছর আমি নিজেও ডিসি পার্কে গেলাম ঘুরতে। তবে এই পার্ক অনেক সুন্দর। এবং এইখানে খাওয়া-দাওয়া গুলো মোটামুটি ভালো হয়। আপনারা দেখছি ডিসি পার্ক মালাই চা খেলেন। আর এই চা গুলো খেতে এমনিতে মজা লাগে আপু। এবং আপনাদের পোস্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে ভালো সময় কাটিয়েছেন এবং মজার চা ও খেলেন।
গত বছর আপনি ও ডিসি পার্কে গিয়েছিলেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। খুবই সুন্দর একটা জায়গা। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।