ব্যস্ততাপূর্ণ সকাল
এমনিতেই ঈদের আগের দিনের সময়, যার কারণে রাস্তায় প্রচুর জ্যাম। মূলত সব বাড়ি ফেরা মানুষের ছোটাছুটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে। সবাই আসলে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে চাচ্ছে, সেই ব্যস্ততাই যেন সর্বত্র দৃশ্যমান। যে যেভাবে পারছে বাড়ির উদ্দেশ্যে ছুটে চলছে। ট্রেনে বাসে লঞ্চে ট্রাকে গাদাগাদি করে সেই ব্যস্ত নগরী থেকে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে তাদের জন্মভূমিতে।
সত্যিই জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার মাঝে অদ্ভুত রকমের প্রশান্তি কাজ করে সকলের মাঝে। যেহেতু ঈদ উৎসব ঘনিয়ে এসেছে, তাই সকলের মাঝে এই ছোটাছুটি আরো বেড়েই গিয়েছে। এমনটাই তো দেখলাম আজ সকালে বাহিরে গিয়ে।
যদিও আমার এত সকালে বাহিরে যাওয়ার তেমন কোন ইচ্ছে ছিল না তবে এক প্রকার বাধ্য হয়েই আমাকে যেতে হয়েছে। মূলত আমি গিয়েছিলাম টেইলার্সের দোকানে। গিন্নির জামা গুলো এখনো টেইলার্সের দোকান থেকে নিয়ে আসা হয়নি,তাই এই সকালবেলা আমাকে বলা যায় অনেকটা জোরপূর্বক ঘুম থেকে ডেকে তোলা হয়েছে।
নিজের জন্য তেমন কিছু কেনা হয়নি। তাছাড়া নিজের জন্য কিছু কিনতে এখন আর খুব একটা ইচ্ছেও করে না। বাবুর আর বাবুর মায়ের জন্য ও পরিবারের লোকজনের জন্য কেনাকাটা করা হয়েছে, হয়তো এটার ভিতরেই নিজের সুখটা খুঁজে নিয়েছি।
অন্যান্য দিনের থেকে আবহাওয়াটা যেন আজ বেশ পরিষ্কার ও রৌদ্রজ্বল। বলা যায় যে তাপমাত্রা কিছুটা স্বাভাবিকই আছে। মূলত বাসা থেকে বের হয়েই গন্তব্য ছিল টেইলার্সের দোকানে। আমি চেষ্টা করছিলাম খুব স্বল্প সময়ের মাঝে এই কাজগুলো দ্রুত সেরে ফেলার জন্য। তবে আমার চিন্তা ভাবনা অনুযায়ী যদি সবকিছু দ্রুতই হইতো তাহলে তো হতোই । বাস্তবতা আসলে সম্পূর্ণ উল্টো।
যে রাস্তায় আমি অন্যান্য সময়ে খুবই দ্রুত রিক্সা চড়ে যাতায়াত করি, তবে ঈদ উৎসবের কারণে এই অল্প দূরত্বের রাস্তাতেই যেন প্রচুর যানজট লেগে গিয়েছে। অনেকটা সময় রিক্সায় বসে ছিলাম পরে বাধ্য হয়ে নিজের গন্তব্যে গিয়েছি পায়ে হেঁটে।
এমনিতেই পায়ে হেঁটে মার্কেটে এসে বেশ ক্লান্ত আমি। তার মাঝে আবার টেইলার্সে গিয়ে দেখি প্রচুর ভিড়, দোকানদার ভদ্রলোকের সঙ্গে যে কথা বলব, সেই সুযোগটাও যেন পাচ্ছিলাম না। কারণ আমার মত আরো অনেকেই সেখানে এসেছে, তাদের চাহিদা মেটাতেই দোকানদার ভদ্রলোক বেশ হিমশিম খাচ্ছে।
অবশেষে খানিক বাদে সময় সুযোগ বুঝে দোকানদার ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা বলে আমার টোকেন অনুযায়ী জামা গুলো সংগ্রহ করে নিলাম। তারপর অবশেষে শর্টকাট রাস্তা দিয়ে রিক্সা নিয়ে বাসায় চলে এসেছি।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1674018733650747393?t=ws3BGGfYy66UJnlpJgXgBA&s=19
আপনাদের ওদিকে তো দারুন আবহাওয়া ছিল আজ ভাইয়া।আর আমাদের এখানে বৃষ্টি সারাদিন। এখন আবার শুরু হলো,আগামীকাল যে কি হবে আল্লাহ জানেন।ভাবির কাপড় আনার জন্য সকাল সকাল যেতে হলো মার্কেটে।পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করেছেন।কিন্তু নিজের জন্য কিনেন নিই,পরিবারের বাবা যারা তারা এরকমই।ইদে কেনাকাটা করেন না।অনেক বছর পরপর একটা পাঞ্জাবি কিনলেই নাকি তাদের হয়ে যায়।যাইহোক ভালো লেগেছে পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আপনাদের ওদিকে বৃষ্টি হয়েছে জেনে খুশি হলাম, তাও ভালো যে এখানকার মতো অসহ্য গরম নেই।
আমাদের এখানে কাল থেকে এখনো পর্যন্ত বৃষ্টি।জনজীবন অতিষ্ঠ।আপুর ড্রেস আনতে গেলেন টেইলার্সের দোকানে।আসলে একটা সময়ে এসে নিজের জন্য কিছুই কেনা হয়না।পরিবারের সবার জন্য ই কেনাকাটা করেছেন।এ অবস্থায় কেউ আপনাকে সারপ্রাইজ গিফট দিলে আপনি খুব খুশী হবেন,তাই না ভাইয়া?? খুব ভালো লাগলো আপনার অনুভূতি গুলো পড়ে। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।