সমসাময়িক বিষয়।
স্থানীয় এলাকায় ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ চলমান, যা অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কারণ, ছোট্ট শহরের ভেতর দিয়েই প্রধান সড়কটি চলে গেছে, যার ফলে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট লেগেই থাকে।
আশা করা যায়, ফ্লাইওভারের কাজ শেষ হলে এই যানজট অনেকটাই কমে যাবে এবং সবার জন্যই বিষয়টি স্বস্তিদায়ক হবে।
তবে দুঃখের বিষয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন ফ্লাইওভারের নির্মাণকাজ চলছে, তখন প্রায়ই কিছু বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা ঘটছে। যেহেতু রাস্তার ওপর নির্মাণকাজ চলছে, আর নিচ দিয়ে প্রতিনিয়ত শত শত যানবাহন ও পথচারী চলাচল করছে, তাই মূল সমস্যাটি এখানেই।
পথচারীদের নিরাপত্তার জন্য নির্মাণকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তেমন কোনো কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা বা সুরক্ষাবেষ্টনী তৈরি করেননি। এর ফলে কয়েক দিন আগে ওপর থেকে ইট পড়ে এক পথচারী আহত হন। আবার দুদিন আগে রড পড়ে এক নারী পথচারীর শরীরে আঘাত লাগে।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি একেবারে জগাখিচুড়ি। রাস্তায় বের হলেই মনে হয়, যেন জীবনটা হাতে নিয়ে চলাফেরা করছি। কখন, কীভাবে, কোথায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যাবে, তা কেউ জানে না।
আচ্ছা, এগুলো কি সত্যিই দুর্ঘটনা, নাকি মানুষের জীবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার সামিল? অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে আরও শক্তপোক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারে। এর জন্য দরকার শুধু সামান্য জনসচেতনতা, দায়িত্ববোধ এবং আন্তরিক ইচ্ছাশক্তি।